Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইন্দোনেশিয়ায় ১৬ ভাষায় কোরআন অনুবাদ

ইন্দোনেশিয়ায় ১৬ ভাষায় কোরআন অনুবাদ
ইন্দোনেশিয়ায় ১৬ ভাষায় কোরআন অনুবাদ, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম এবং এশিয়ার অর্থনীতিতে একটি সমৃদ্ধ দেশ ইন্দোনেশিয়া। দেশটির মোট জনসংখ্যা প্রায় ২৬ কোটি। তন্মধ্যে মুসলিম ৮৬%, খ্রিস্টান ৮.৭%, হিন্দু ৩%, বৌদ্ধ ১.৮% অন্যান্য ০.৫%।

ইন্দোনেশিয়ার সরকারি ভাষা বাহাসা হলেও দেশটিতে ৭৪২টি ভাষার প্রচলন রয়েছে। দেশটিতে ব্যাপক সাংস্কৃতিক ভিন্নতা রয়েছে। তবে ধর্ম বিশ্বাসের ক্ষেত্রে তারা বেশ শক্তিশালী।

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সেদেশের ১৬টি স্থানীয় ভাষায় কোরআনে কারিম অনুবাদ করা হয়েছে। শীঘ্রই আরও বেশ কয়েকটি স্থানীয় ভাষায় কোরআন অনুবাদ করা হবে।

এ প্রকল্পের প্রধান মুফতি হামেদ আবেদি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ইন্দোনেশিয়ায় স্থানীয়ভাবে অনেক ভাষা রয়েছে। এসব ভাষায় কোরআন অনুবাদ করা খুব একটা সহজ কাজ নয়, তার পরও আমরা ১৬টি স্থানীয় ভাষায় কোরআনে কারিমের অনুবাদ শেষ করে প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছি।

ইন্দোনেশিয়ার ধর্মমন্ত্রী লোকমান হাকিম সেইফুদ্দিন এ প্রসঙ্গে বলেন, স্থানীয় ভাষায় পবিত্র কোরআনের অনুবাদ করা সহজ নয়। খুব সতর্কভাবে কাজ করতে হয়েছে। কারণ প্রতিটি ভাষার প্রতিটি শব্দের পৃথক পৃথক অর্থ রয়েছে। আমাদের বিশেষজ্ঞরা এগুলো তত্ত্বাবধান করেছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক ভাষায় কোরআন অনুবাদ করার ক্ষেত্রে প্রায় ১ থেকে ২ বছর সময় ব্যয় হয়েছে।

আমরা জানি, কোনো কিছু এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ করা সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে পবিত্র কোরআন অনুবাদ করা। অনুবাদকের একটু ভুলের কারণে আয়াতের অর্থ পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। এ জন্য অনুবাদকদের ধৈর্যের সঙ্গে অনুবাদ করতে হয়েছে।

বস্তুত কোরআনের অনুবাদ স্বয়ং কোরআন নয়। অনুবাদের মাধ্যমে আরবি ভাষা থেকে অন্য ভাষায় কোরআনের অর্থকে বোঝানো হয়। দেরিতে হলেও স্থানীয় ভাষায় কোরআনের অনুবাদ পেয়ে মুসলমানরা বেশ খুশি।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ
আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়, ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে আরও ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্ট কিংবা প্রতিস্থাপনের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২২ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আব্দুল্লাহ আরিফ মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের কথা জানানো হয়েছে।

হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের জন্য ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে হজ অফিসের পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে এবং তা অনলাইনে নিশ্চিত করতে হবে। এজেন্সির নিজস্ব প্যাডে লিখিত আবেদনে হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সুপারিশ থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিস্থাপনযোগ্য হজযাত্রীর গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুজনিত কারণে হজপালন করতে পারবেন না মর্মে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রী অথবা মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর লিখিত আবেদন এবং উপযুক্ত চিকিৎসকের সনদ দাখিল করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন

প্রতিস্থাপন প্রাপ্তির জন্য এজেন্সির পক্ষ থেকে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হচ্ছে না মর্মে তিনশ’ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে। হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রমাণিত হলে জাতীয় হজ ও ওমরা নীতি-২০১৯ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হজ নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছর দুই দফায় ৫ শতাংশ করে ১০ শতাংশ হারে রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এবার আরও ৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দেওয়া হলো।

হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন
৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন, ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছর হজপালনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হজযাত্রীরা যাওয়া শুরু করেছেন। রোববার (২১ জুলাই) সকাল আটটা পর্যন্ত সৌদি আরবে বিভিন্ন দেশ থেকে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬২ জন হজযাত্রী পৌঁছেছেন।

এসব হজযাত্রীদের মধ্যে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৯ জন আকাশপথে, ৮ হাজার ৭১০ জন সড়কপথে ও ৬ হাজার ৩ জন নৌপথে সৌদি আরব পৌঁছেছেন।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ১৮৬টি দেশ থেকে হজযাত্রী আসবেন হজপালনের জন্য।

বিভিন্ন দেশের মুসলিম জনসংখ্যার হার অনুপাতে সৌদি আরব হজপালনকারীদের জন্য কোটা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। তাদের দেওয়া কোটা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে হজ পালনেচ্ছুদের হজে আসতে হয়। সাধারণত ১০ লাখ লোকের জন্য ১ হাজার কোটা বরাদ্দের একটি নিয়ম তারা অনুসরণ করে।

এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। ইতোমধ্যে ৭২ হাজার ৭৪৬ জন সৌদি আরব গিয়ে পৌঁছেছেন।

সৌদি গেজেটের এক খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের নাগরিক ও দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীসহ ৩ লাখেরও বেশি মানুষ এ পর্যন্ত হজপালনের অনুমতি পেয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা নিবন্ধিত হয়েছেন।

হজযাত্রীরা নিরাপদ ও স্বস্তির সঙ্গে হজপালন করতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো নিরলসভাবে কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র