Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভালো মুসলিমের পরিচয়

ভালো মুসলিমের পরিচয়
ভালো মুসলিমের পরিচয়, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

লেনদেনে সততা, স্বচ্ছতা ও আমানতদারিতা রক্ষা করা ইসলামের মৌলিক শিক্ষার অন্যতম। কোরআন ও হাদিস থেকে জানা যায়, ভালো ও পরিপূর্ণ মুসলমান সেই, যে লেনদেন ও কায়কারবারে সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার পরিচয় দেয়। ধোঁকাবাজি, ওয়াদাখেলাপি, আমানতের খেয়ানত ইত্যাদি অনৈতিক আচরণ থেকে বিরত থাকে। কারও হক নষ্ট করা, ওজনে কম দেওয়া, অন্যায়ভাবে মামলা দায়ের করা, মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া, সুদ নেওয়া, ঘুষ খাওয়া ইত্যাদি অমানবিক হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকে।

যে ব্যক্তির ভেতরে এসব দোষ আছে, সে কাজেকর্মে কিছুতেই ভালো মুসলমান নয়। বরং সে মোনাফেক, মারাত্মক পাপী ও ফাসেক।

হারাম মাল সম্পর্কে কোরআনে কারিমে আল্লাহতাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অন্যায়ভাবে কারও মাল হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করো না।’ -সূরা নিসা: ২৯

বর্ণিত আয়াতে কামাই-রোজগারের সব চোরা পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কালোবাজারি, মজুদদারি, সুদ, ঘুষ, লটারি ও জুয়াসহ সব ধরনের অন্যায় উপার্জনকে হারাম করা হয়েছে। এ ছাড়া কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে এসব হারাম বিষয়ের পৃথক পৃথক বিবরণও এসেছে।

যেমন ওজনে কম দেওয়া গোনাহের কাজ। যারা ওজনে কম দিয়ে ক্রেতাকে প্রতারিত করে, তাদের সম্পর্কে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যারা ওজনে কম দেয়, তাদের জন্য চরম দুর্ভোগ! এদের স্বভাব হলো, যখন কারও থেকে মেপে নেয়, তখন কাঁটায়কাঁটায় পুরোপুরি মেপে নেয়। কিন্তু যখন অন্যকে মেপে দেয়, তখন কম দিয়ে তাকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। তবে কি তাদের স্মরণ নেই যে, তাদেরকে এক মহাদিবসে পুনরুত্থিত করা হবে, যেদিন সব মানুষ আল্লাহতায়ালার সম্মুখে আপন আপন কৃতকর্মের হিসাব দানের জন্য দণ্ডায়মান হবে?’ -সূরা মুতাফফিফীন: ১-৬

এভাবে কোরআনের এক আয়াতে প্রকৃত মুসলমানের আলামত বর্ণনা করে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘(মুসলমান তারা) যারা আমানতের হেফাজত করে, অঙ্গীকারসমূহ রক্ষা করে।’ -সূরা মুমিনুন: ৮

হজরত নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অধিকাংশ ভাষণে বলতেন, ‘শুনে রাখো! যার ভেতরে আমানতদারিতার গুণ নেই, তার ভেতরে যেন ঈমানও নেই, যার ভেতরে ওয়াদা রক্ষার বালাই নেই, তার ভেতরে ধর্মের কোনো বৈশিষ্ট্যই নেই!’ -মুসনাদে আহমদ: ১২৩৮৩

অন্য একটি হাদিসে নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘মোনাফিকের আলামত তিনটি। মিথ্যা বলা, আমানতের খেয়ানত করা ও ওয়াদা করে খেলাপ করা।’ –সহিহ বোখারি: ৩৩

ধোঁকাবাজ ব্যবসায়ী সম্পর্কে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘ধোঁকাবাজ ও প্রতারক আমাদের দলভূক্ত নয়। (কারণ ধোঁকা ও প্রতারণা তো জাহান্নামি হওয়ার মাধ্যম)।’ -সহিহ মুসলিম: ১৬৪

মদিনার বাজারে বিক্রির জন্য এক ব্যক্তি গমের স্তুপ দিল। কিন্তু স্তুপের উপরিভাগের গম ছিলো- একটু শুকনা, আর ভেতরের গম ভেজা। নবী করিম (সা.) বিষয়টি লক্ষ্য করে বললেন, ‘এভাবে যারা ধোঁকার আশ্রয় নেয়, তারা আমার দলভূক্ত নয়।’ -সহিহ মুসলিম: ১০২

সুতরাং যে দোকানদার ভালোটা দেখিয়ে মন্দটা গছিয়ে দেয়, পণ্যের ত্রুটি লুকাতে চেষ্টা করে, নির্ঘাত সে শাস্তিযোগ্য অপরাধে লিপ্ত। আল্লাহ না করুন, এ জন্য তাকে জাহান্নামের আজাবও ভোগ করতে হবে।

এক হাদীসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ক্রটিযুক্ত পণ্য বিক্রি করে অথচ গ্রাহককে তা অবহিত করে না, সে ব্যক্তি সর্বদা আল্লাহতায়ালার ক্রোধে নিপতিত থাকে এবং ফেরেশতারা সর্বদা তার ওপর অভিশাপ দিতে থাকে।’ -সুনানে ইবনে মাজাহ: ২২৪৭

মোটকথা, ইসলামি শিক্ষার আলোকে ব্যবসা-বাণিজ্যে সব ধরনের অস্বচ্ছতা-চালবাজি নিষিদ্ধ ও অভিশপ্ত। নবী করিম (সা.) এসব অপকর্মে যুক্ত ব্যক্তিদের থেকে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে দায়মুক্ত বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

এমনিভাবে সুদ-ঘুষও হারাম এবং নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। প্রসিদ্ধ হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি সুদ নেয় কিংবা দেয়, অথবা সুদি কারবারের কাগজপত্র তৈরি করে বা সাক্ষী হয়, তার ওপর আল্লাহতায়ালার গজব!’ -সহিহ মুসলিম: ৪০৯৯

আপনার মতামত লিখুন :

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার
নবীর রওজার গিলাফের টুকরা দেখাচ্ছেন আমির খান, ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় ব্রিটিশ বক্সার আমির ইকবাল খান এক বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। তিনি জেদ্দায় অস্ট্রেলিয়ান বক্সার বিলি ডিবের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। সৌদি আরব যেয়ে তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় ওমরা পালন করেছেন। সেই সঙ্গে নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত গিলাফের একটি টুকরা পেয়েছেন উপহার হিসেবে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রিটেনের হয়ে অলিম্পিক পদকজয়ী এই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন স্ত্রী ফারিয়াল মাকদুমকে নিয়ে কাবা চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে ইহরাম পরিহিত ও রওজার গিলাফের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। গিলাফের ওই টুকরাটি সবুজ কাপড়ের। সেখানে সাদা রংয়ের ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা লেখা রয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289158690.jpg

আমির খান সম্মাননা পাওয়া রওজার গিলাফের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওজা শরিফের এক টুকরো কাপড় পেয়ে সম্মানিত ও খুব সৌভাগ্যবান। এটা আমার পুরো জীবনের জন্য উপভোগের বিষয়।’

প্রতি বছরই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা শরিফের গিলাফ এবং কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। পরে গিলাফের অংশ বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা হিসেবে উপঢৌকন দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মাদ আলীর পর মুসলিম বক্সার হিসেবে পরিচিত ও জনপ্রিয় মুষ্টিযোদ্ধা আমির ইকবাল খান এ উপহার পেলেন।

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো
কাবা প্রাঙ্গণে হজযাত্রীদের একাংশ, ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। জাতীয় হজ ও ওমরা নীতিমালা অনুযায়ী মৃত্যু বা মারাত্মক অসুস্থতাজনিত কারণে নিবন্ধিত কেউ হজে যেতে না পারলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে হজে পাঠানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমতি দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এজেন্সিকে ওই হজযাত্রীর অসুস্থতার পক্ষে চিকিৎসকের সনদপত্র অথবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সনদপত্র জমা দিতে হবে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

তবে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেই বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন, নীতিমালায় যাই থাকুক, রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোকে বাড়তি কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যেমন নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছরও ১০ শতাংশ হারে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তার পরও কিছু এজেন্সি দাবি করছেন আরও ৫ শতাংশ সুবিধার।

চলতি হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে এজেন্সিগুলোকে প্রতি ১০ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে তা নির্ধারিত সময়ের জন্য হওয়ার কারণে কিছু এজেন্সি তখন এই সুবিধা নিতে পারেনি। এখন এজেন্সিগুলো আরেক দফায় এই সুযোগ চায়। প্রতিস্থাপনের সুবধিা না পাওয়ার কারণে অনেক এজেন্সি এখনও সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করে তাসরিয়ার অনুমোদন নিতে পারছে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ও গত কয়েক দিন কয়েক দফায় এজেন্সিগুলোকে তলব করে তাদের সর্বশেষ অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ প্রায় ৪০টি এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ডেকেছিল।

এ বিষয়ে হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেছেন, আমরা শুরুতেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজযাত্রীকে রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েছি। মন্ত্রণালয় দুই দফায় আমাদের হজযাত্রীদের ১০ শতাংশ করে রিপ্লেমেন্টের সুযোগ দিয়েছে। এখন যারা হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যাপারে তথ্য দিতে পারছে না তাদেরকে ডেকে প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, রিপ্লেমেন্টের জন্য নতুন করে অনুরোধ করার কিছু নেই। আমরা আগেই অনুরোধ করে রেখেছি সেটি বিবেচনায় রেখে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা আশা করি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন এজেন্সি মালিক রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার বিষয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আসলে আগের বছর ১৫ শতাংশের বেশি রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হয়েছে তিন দফায়। এবারও দুই দফায় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময় নির্ধারিত থাকা কারণে পরে যাদের রিপ্লেসমেন্টের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আবার সুযোগ দেওয়া দরকার। এ ছাড়া দেখা গেছে, অনেকে শতকরা হারে সে সংখ্যায় রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা পেয়েছে তার প্রকৃত রিপ্লেসযোগ্য হজযাত্রীর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। ফলে সে আরেক দফায় সুবিধার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তাদের দাবি, যারা হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছেন তাদেরই তো রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হবে। এতে কোটা খালি থাকা বা সরকারের লাভ-লোকসানের কিছু নেই। বরং কোনো এজেন্সি তার হজযাত্রী পাঠাতে না পারলে তার বাড়ি ভাড়ার টাকা এমনকি বিমানের টিকিটের টাকাসহ ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আর ওই সব হজযাত্রীর কোটাও খালি যাবে। ফলে সব কিছু বিবেচনা করে সর্বশেষ রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়া উচিত।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য এবার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার কারণে হজ ফ্লাইট নিয়ে কোনো ঝামেলা এখন পর্যন্ত হয়নি। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের নামে বিমানের টিকিট নিশ্চিত করাসহ হজ অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসা নিশ্চিত করার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই দফায় দফায় এজেন্সিগুলোকে ডেকে তাদের সর্বশেষ তথ্য জানছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এখনও কিছু এজেন্সির সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া ও তাসরিয়ার ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তথ্য না থাকায় প্রকৃত অবস্থা জেনে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে।

উল্লেখ্য, সরকারি-বেসরকারি মিলে এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী যাওয়ার কথা। ৫৯৮টি বেসরকারি এজেন্সি এ বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের পরিবহন করছে। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজপালনের জন্য সৌদিতে যাওয়া বাংলাদেশি মধ্যে চার পুরুষ ও একজন নারী ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র