Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অতিরিক্ত ওমরা যাত্রী প্রেরণ: ক্ষুব্ধ মন্ত্রণালয়

অতিরিক্ত ওমরা যাত্রী প্রেরণ: ক্ষুব্ধ মন্ত্রণালয়
অতিরিক্ত ওমরা যাত্রী প্রেরণ: ক্ষুব্ধ মন্ত্রণালয়
ইসমাঈল হোসাইন রাসেল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ওমরাপালন শেষে দেশে না ফেরার অভিযোগ নতুন কিছু নয়। বছরের পর বছর এ সমস্যা অব্যাহত থাকলেও সমাধান মিলছে না। চলতি বছর ওমরা পালন করতে গিয়ে ফেরেননি অনেকেই। এজন্য হজ ও ওমরা এজেন্সিগুলোকেই দুষছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, এক শ্রেণির মুনাফালোভী ওমরা এজেন্সির এ ধরণের হীন কার্যকলাপের জন্য বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে এবং ওমরা ব্যবস্থাপনা দারুণভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এসব কারণে, নীতি ভঙ্গ করে বাড়তি ওমরা যাত্রী প্রেরণ করায় এজেন্সিগুলোর ওপর ক্ষুব্ধ খোদ ধর্ম মন্ত্রণালয়।

জাতীয় হজ ও ওমরা নীতি-হিজরি/২০১৮ খ্রি. নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৫শ’র বেশি ওমরা যাত্রী পাঠানো ও তাদের কেউ কেউ দেশে ফিরে না আসার অভিযোগে ৬৩টি ওমরা এজেন্সিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে রোববারের (৩০ সেপ্টেম্বর) মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় হজ ও ওমরা নীতি-১৪৩৯ হিজরি/২০১৮ খ্রি. এর অনুচ্ছেদ নং- ২১.২.৩ ও ২১.২.৪ এর নির্দেশনা উপেক্ষা করে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান ওমরার নির্ধারিত কোটা ৫শ’র অধিক যাত্রী পাঠানো এবং কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ১ হতে ৪৮ জন পর্যন্ত ওমরা যাত্রী বাংলাদেশে ফেরত না আসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হজ এজেন্সিগুলোর এমন অনিয়মে বেশ ক্ষুব্ধ ধর্ম মন্ত্রণালয়। বার বার সতর্ক করা সত্ত্বেও সংশোধন না হওয়ায় বিষয়টি বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ বছর যাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠছে, তাদের কোনো রকম ছাড় দিতে রাজি নয় মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিসুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ওমরা নীতি অনুযায়ী একটি এজেন্সি সর্বোচ্চ ৫শ’ জনকে ওমরা পাঠাতে পারবেন। কিন্তু এগুলো অনেকেই মানছেন না। অনেকেই পরিমাণের চেয়ে বেশি মানুষ ওমরায় পাঠাচ্ছে। হজের নিবন্ধন অনলাইনে করতে হলেও ওমরার ব্যাপারে আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। ২০১২ সালে পর্যন্ত আমাদের নিয়ন্ত্রণটা ছিল। হজপালনের জন্য হজ অফিস থেকে ডিও লেটার দিতে হয় দূতাবাসে। সেটি পাসপোর্টের সঙ্গে যায় এবং যাদের পাসপোর্টে ডিও দেওয়া হয় সেগুলোতেই ভিসা ইস্যু হয়। কিন্তু ২০১২ সাল থেকে ওমরা পালনের ক্ষেত্রে এটি তুলে দেওয়া হয়। ফলে আমাদের কিছু করার নেই।

তিনি বলেন, আমরা অনিয়মকারীদের শোকজ করেছি। কারণ হজে গিয়ে একজনও যদি ফিরে না আসে সে দায়িত্ব তো আমাদের। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোর সঙ্গে সৌদির কিছু এজেন্সি যুক্ত হয়ে এ কাজগুলো করে। এটি প্রতিরোধে অনলাইনে নিবন্ধনের বিষয়টি করা যায় কিনা সেই চেষ্টা করছি। তবে এ বছর কেউ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদেরে বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুন এমপি বুধবার (২৬ সেপ্টেম্ব) সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ওমরায় যাত্রী পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৩টি এজেন্সিকে শোকজ করা হয়েছে। তাদের অবশ্যই জবাব দিতে হবে। যারা অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দশম জাতীয় সংসদের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩৮তম বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

কমিটির সভাপতি নিজেই এ বিষয়টি বৈঠকে উত্থাপন করেন। এ সময় ৬৩টি প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করার বিষয়টি কমিটিকে অবহিত করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর সংসদের প্রশ্নোত্তর পবে ‘অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে হজ ও ওমরা এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হবে’ বলে জানান ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদারের, এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী সংসদকে জানান, ধর্ম মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, হজ অফিস এবং হাবের কঠোর তদারকির পরও চলতি বছরে হজ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত যেসব হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে এবং পাওয়া যাবে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে জাতীয় হজ ও ওমরা নীতিমালার ৩২(২) অনুচ্ছেদে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এসব শাস্তির মধ্যে হজ ও ওমরা এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল, জামানত বাজেয়াপ্ত, অর্থদণ্ড ও জরিমানা এবং তিরস্কার ও সতর্ক করা। একই সঙ্গে পর পর তিন বছর কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে তিরস্কার ও সতর্ক করে নোর্টিশ দেওয়া হলে সংশ্লিস্ট হজ ও ওমরা এজেন্সির বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে কোনো ধরনের কারণ দর্শানোর নোর্টিশ ছাড়াই লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার
নবীর রওজার গিলাফের টুকরা দেখাচ্ছেন আমির খান, ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় ব্রিটিশ বক্সার আমির ইকবাল খান এক বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। তিনি জেদ্দায় অস্ট্রেলিয়ান বক্সার বিলি ডিবের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। সৌদি আরব যেয়ে তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় ওমরা পালন করেছেন। সেই সঙ্গে নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত গিলাফের একটি টুকরা পেয়েছেন উপহার হিসেবে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রিটেনের হয়ে অলিম্পিক পদকজয়ী এই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন স্ত্রী ফারিয়াল মাকদুমকে নিয়ে কাবা চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে ইহরাম পরিহিত ও রওজার গিলাফের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। গিলাফের ওই টুকরাটি সবুজ কাপড়ের। সেখানে সাদা রংয়ের ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা লেখা রয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289158690.jpg

আমির খান সম্মাননা পাওয়া রওজার গিলাফের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওজা শরিফের এক টুকরো কাপড় পেয়ে সম্মানিত ও খুব সৌভাগ্যবান। এটা আমার পুরো জীবনের জন্য উপভোগের বিষয়।’

প্রতি বছরই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা শরিফের গিলাফ এবং কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। পরে গিলাফের অংশ বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা হিসেবে উপঢৌকন দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মাদ আলীর পর মুসলিম বক্সার হিসেবে পরিচিত ও জনপ্রিয় মুষ্টিযোদ্ধা আমির ইকবাল খান এ উপহার পেলেন।

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো
কাবা প্রাঙ্গণে হজযাত্রীদের একাংশ, ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। জাতীয় হজ ও ওমরা নীতিমালা অনুযায়ী মৃত্যু বা মারাত্মক অসুস্থতাজনিত কারণে নিবন্ধিত কেউ হজে যেতে না পারলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে হজে পাঠানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমতি দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এজেন্সিকে ওই হজযাত্রীর অসুস্থতার পক্ষে চিকিৎসকের সনদপত্র অথবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সনদপত্র জমা দিতে হবে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

তবে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেই বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন, নীতিমালায় যাই থাকুক, রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোকে বাড়তি কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যেমন নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছরও ১০ শতাংশ হারে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তার পরও কিছু এজেন্সি দাবি করছেন আরও ৫ শতাংশ সুবিধার।

চলতি হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে এজেন্সিগুলোকে প্রতি ১০ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে তা নির্ধারিত সময়ের জন্য হওয়ার কারণে কিছু এজেন্সি তখন এই সুবিধা নিতে পারেনি। এখন এজেন্সিগুলো আরেক দফায় এই সুযোগ চায়। প্রতিস্থাপনের সুবধিা না পাওয়ার কারণে অনেক এজেন্সি এখনও সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করে তাসরিয়ার অনুমোদন নিতে পারছে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ও গত কয়েক দিন কয়েক দফায় এজেন্সিগুলোকে তলব করে তাদের সর্বশেষ অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ প্রায় ৪০টি এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ডেকেছিল।

এ বিষয়ে হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেছেন, আমরা শুরুতেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজযাত্রীকে রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েছি। মন্ত্রণালয় দুই দফায় আমাদের হজযাত্রীদের ১০ শতাংশ করে রিপ্লেমেন্টের সুযোগ দিয়েছে। এখন যারা হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যাপারে তথ্য দিতে পারছে না তাদেরকে ডেকে প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, রিপ্লেমেন্টের জন্য নতুন করে অনুরোধ করার কিছু নেই। আমরা আগেই অনুরোধ করে রেখেছি সেটি বিবেচনায় রেখে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা আশা করি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন এজেন্সি মালিক রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার বিষয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আসলে আগের বছর ১৫ শতাংশের বেশি রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হয়েছে তিন দফায়। এবারও দুই দফায় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময় নির্ধারিত থাকা কারণে পরে যাদের রিপ্লেসমেন্টের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আবার সুযোগ দেওয়া দরকার। এ ছাড়া দেখা গেছে, অনেকে শতকরা হারে সে সংখ্যায় রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা পেয়েছে তার প্রকৃত রিপ্লেসযোগ্য হজযাত্রীর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। ফলে সে আরেক দফায় সুবিধার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তাদের দাবি, যারা হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছেন তাদেরই তো রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হবে। এতে কোটা খালি থাকা বা সরকারের লাভ-লোকসানের কিছু নেই। বরং কোনো এজেন্সি তার হজযাত্রী পাঠাতে না পারলে তার বাড়ি ভাড়ার টাকা এমনকি বিমানের টিকিটের টাকাসহ ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আর ওই সব হজযাত্রীর কোটাও খালি যাবে। ফলে সব কিছু বিবেচনা করে সর্বশেষ রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়া উচিত।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য এবার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার কারণে হজ ফ্লাইট নিয়ে কোনো ঝামেলা এখন পর্যন্ত হয়নি। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের নামে বিমানের টিকিট নিশ্চিত করাসহ হজ অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসা নিশ্চিত করার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই দফায় দফায় এজেন্সিগুলোকে ডেকে তাদের সর্বশেষ তথ্য জানছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এখনও কিছু এজেন্সির সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া ও তাসরিয়ার ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তথ্য না থাকায় প্রকৃত অবস্থা জেনে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে।

উল্লেখ্য, সরকারি-বেসরকারি মিলে এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী যাওয়ার কথা। ৫৯৮টি বেসরকারি এজেন্সি এ বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের পরিবহন করছে। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজপালনের জন্য সৌদিতে যাওয়া বাংলাদেশি মধ্যে চার পুরুষ ও একজন নারী ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র