Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আল্লাহর মেহমানদের সন্তুষ্টিই আমাদের মূলধন

আল্লাহর মেহমানদের সন্তুষ্টিই আমাদের মূলধন
মক্কা প্রবাসী ব্যবসায়ী মো. কামাল উদ্দিন, ছবি: বার্তা২৪
জাহিদুর রহমান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মক্কা মোকাররমা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র নগরী মক্কা মোকাররমায় আজ তিনি সফল ব্যবসায়ী। প্রবাসীদের কাছে আইকন। বৈদ্যুতিক মিস্ত্রীর জোগালি থেকে আজ আমি এখানে- বেশ গর্বের সঙ্গেই নিজের অতীত নিয়ে গর্ব করেন তিনি।

প্রবাসীদের কাছে নিজের জীবন সংগ্রামের এই গল্প বলে তাদের পাশে থেকে জুগিয়ে যান প্রেরণা।

তিনি মো. কামাল উদ্দিন (৫৮)। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার দুরং গ্রামের নবীর হোসেনের ছেলে। চার ভাই দুই বোনের মধ্যে সবার বড়।

চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী। অভাব-অনটনের সঙ্গে নিত্য যুদ্ধ। পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফেরাতে অনার্স পরীক্ষা না দিয়েই ১৯৮১ সালে পাড়ি দেন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরবে।

তখন নিয়ম-কানুন এত কঠিন ছিলো না। এক আদম ব্যবসায়ী মাত্র একটা ছবি নিয়ে গলাকাটা পাসপোর্টে আলী আহমেদ নামে আমাকে পাঠালেন এদেশে। শর্ত হলো- এ দেশে কাজ করে তার টাকা শোধ করে দেবো।

হজ ভিসায় মক্কায় এলাম। তখনো চেহারা থেকে কলেজ ছাত্রের আবেশটা যায়নি। সমস্যা হলো- আমাকে কেউ কাজে নিচ্ছেন না।

মেসফালায় যে মেসে আমার ঠাঁই হলো, সেখানকার বাসিন্দাদের চিঠি লিখে দিতাম। এক মামার সূত্রে হয়ে গেলাম সকলের ভাগ্নে।

পরে মেসফালায় ইসমাঈল নামে এক এসি মেরামতকারীর কাছে কাজ শেখা শুরু করলাম। হাতুড়ি দিয়ে দেয়াল কাটা অর্থাৎ কনসেল ওয়্যারিং'র কাজ করলাম দু’মাস। হাতখরচ চাইতেই সাফ জবাব, কাজ শিখলে কি আবার টাকা দিতে হয়?

মনের দুঃখে গিয়ে দাঁড়ালাম এখানকার- শ্রমিক বাজারে। যেখানে কাজের সন্ধানে মানুষ জড়ো হন। চাহিদামতো কর্মীকে দিনচুক্তিতে কাজে নেওয়ার জন্য এলেন এক মিসরি।

বুকপকেটে টেস্টার দেখে এগিয়ে এলেন আমার সামনে। আমিসহ আরেকজন লেবারকে নিলেন। আমার দৈনিক হাজিরা ৫০ রিয়াল। এখানে মাস তিনেক কাজ করে ইলেকট্রিক্যাল কাজের পাশাপাশি, তালা-চাবির কাজ ও টেলিভিশন মেরামতসহ নানা ব্যতিক্রমী কাজ শিখে ফেললাম।

দেড় বছরের মাথায় আমার দৈনিক বেতন হলো- ১২০ রিয়েল। ততদিনে প্রায় ৫ হাজার রিয়াল জমিয়েছি।

দেশে ফিরলাম। এবার সরাসরি লেবার ভিসায় নিজনামে কাগজপত্র বানিয়ে এলাম সৌদি আরবে। সময়টা ১৯৮৩ সাল। ততদিনে আমি পুরোদস্তুর মিস্ত্রী।

১৯৮৭ সালে একটি রুমে উঠলাম। সেই রুমের আশেপাশে রুমগুলো তখন ফাঁকা। মালিককে বললাম, আমি ফাঁকা রুমগুলো ভাড়া নিতে চাই। এর মাঝে মিস্ত্রীর কাজ ছেড়ে পাশের একটি হোটেলের রিসেপশনে ১৫শ' রিয়াল বেতনে কাজ নিলাম। এখানে বখশিশ মিলতো। সেই সঙ্গে বেতন আর রুমভাড়া মিলিয়ে আয়টা বেশ হতো।

এভাবে রমজান মাস থেকে হজের মৌসুমে হোটেল চুক্তি নিয়ে ভাড়া দিলাম। ১৯৮৭ সালে দেশে গিয়ে বাবার পছন্দে বিয়ে করলাম নাদিরা আক্তার রুবিকে। ততদিনে হোটেল ব্যবসাটা রপ্ত করে ফেলেছি। আমরা যেখানে থাকতাম, সেই ভবনে এসে উঠলেন- নোয়াখালীর নুর মোহাম্মদ ভূইঁয়া।

১৯৯০ সাল। ইরাক আক্রমণ করে বসলো কুয়েতে। মধ্যপ্রাচ্যে টালমাটাল অবস্থা। এর মধ্যে প্রতিবেশী নুর মোহাম্মদ ভূইঁয়াসহ তিনজন মিলে শুরু করলাম আবাসিক হোটেল ব্যবসা। প্রথম পর্বে জনপ্রতি ৭ হাজার রিয়াল লাভ। তারপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে মক্কায় মসজিদুল হারামের পাশে হিলটনের হোটেলের পেছনে প্রাইম লোকেশনে বুরুজ আল সুলতান, আরিজ আল ফালাহ, নোয়ারাত আল সামস, রাওয়াবি শামেক নামের চারটি হোটেল পরিচালনা করছি। যেখানে আমরা ১ হাজার ৫৪৩ জনকে একসঙ্গে সার্ভিস দেই।

আমাদের কথা একটাই, এখানে যারা আসেন- সবাই আল্লাহর মেহমান। তাদের সন্তুষ্টিই আমাদের প্রেরণা। সব কর্মীকে বলা আছে, কোনো মেহমান যাতে মনে কষ্ট না পায়। আর সেটা ধরে রেখেছি বলেই, আল্লাহতায়ালা ইজ্জত ও সন্মানের সঙ্গে আমাদের টিকিয়ে রেখেছেন।

এইটুকু বলে বিরতি নেন কামাল উদ্দিন।

সততা, পরিশ্রম আর একগ্রতা থাকলে জীবনে সাফল্য যে সোনার হরিণ নয়, সেটা প্রমাণ করেছেন কামাল উদ্দিন। বিনয় আর ভালোবাসাটাই যেন তার মূলধন।

দেশেও মানুষের কল্যাণে গড়ে তুলেছেন মাতৃ ও শিশু কল্যাণ সংস্থা নামের ফাউন্ডেশন। যেখানে বিনামূল্যে প্রসূতি নারী ও শিশুদের দেওয়া হয় স্বাস্থ্যসেবা।

এছাড়া আধুনিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামে অংশীদারদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন ন্যাশনাল হসপিটাল ও পার্কভিউ হসপিটাল নামের দু’টি হাসপাতাল।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই। সেবা দিয়ে মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই- বলেন মক্বায় হোটেল ব্যবসার অগ্রপথিক কামাল উদ্দিন।

আপনার মতামত লিখুন :

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার
নবীর রওজার গিলাফের টুকরা দেখাচ্ছেন আমির খান, ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় ব্রিটিশ বক্সার আমির ইকবাল খান এক বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। তিনি জেদ্দায় অস্ট্রেলিয়ান বক্সার বিলি ডিবের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। সৌদি আরব যেয়ে তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় ওমরা পালন করেছেন। সেই সঙ্গে নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত গিলাফের একটি টুকরা পেয়েছেন উপহার হিসেবে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রিটেনের হয়ে অলিম্পিক পদকজয়ী এই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন স্ত্রী ফারিয়াল মাকদুমকে নিয়ে কাবা চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে ইহরাম পরিহিত ও রওজার গিলাফের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। গিলাফের ওই টুকরাটি সবুজ কাপড়ের। সেখানে সাদা রংয়ের ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা লেখা রয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289158690.jpg

আমির খান সম্মাননা পাওয়া রওজার গিলাফের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওজা শরিফের এক টুকরো কাপড় পেয়ে সম্মানিত ও খুব সৌভাগ্যবান। এটা আমার পুরো জীবনের জন্য উপভোগের বিষয়।’

প্রতি বছরই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা শরিফের গিলাফ এবং কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। পরে গিলাফের অংশ বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা হিসেবে উপঢৌকন দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মাদ আলীর পর মুসলিম বক্সার হিসেবে পরিচিত ও জনপ্রিয় মুষ্টিযোদ্ধা আমির ইকবাল খান এ উপহার পেলেন।

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো
কাবা প্রাঙ্গণে হজযাত্রীদের একাংশ, ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। জাতীয় হজ ও ওমরা নীতিমালা অনুযায়ী মৃত্যু বা মারাত্মক অসুস্থতাজনিত কারণে নিবন্ধিত কেউ হজে যেতে না পারলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে হজে পাঠানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমতি দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এজেন্সিকে ওই হজযাত্রীর অসুস্থতার পক্ষে চিকিৎসকের সনদপত্র অথবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সনদপত্র জমা দিতে হবে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

তবে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেই বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন, নীতিমালায় যাই থাকুক, রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোকে বাড়তি কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যেমন নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছরও ১০ শতাংশ হারে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তার পরও কিছু এজেন্সি দাবি করছেন আরও ৫ শতাংশ সুবিধার।

চলতি হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে এজেন্সিগুলোকে প্রতি ১০ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে তা নির্ধারিত সময়ের জন্য হওয়ার কারণে কিছু এজেন্সি তখন এই সুবিধা নিতে পারেনি। এখন এজেন্সিগুলো আরেক দফায় এই সুযোগ চায়। প্রতিস্থাপনের সুবধিা না পাওয়ার কারণে অনেক এজেন্সি এখনও সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করে তাসরিয়ার অনুমোদন নিতে পারছে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ও গত কয়েক দিন কয়েক দফায় এজেন্সিগুলোকে তলব করে তাদের সর্বশেষ অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ প্রায় ৪০টি এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ডেকেছিল।

এ বিষয়ে হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেছেন, আমরা শুরুতেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজযাত্রীকে রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েছি। মন্ত্রণালয় দুই দফায় আমাদের হজযাত্রীদের ১০ শতাংশ করে রিপ্লেমেন্টের সুযোগ দিয়েছে। এখন যারা হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যাপারে তথ্য দিতে পারছে না তাদেরকে ডেকে প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, রিপ্লেমেন্টের জন্য নতুন করে অনুরোধ করার কিছু নেই। আমরা আগেই অনুরোধ করে রেখেছি সেটি বিবেচনায় রেখে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা আশা করি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন এজেন্সি মালিক রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার বিষয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আসলে আগের বছর ১৫ শতাংশের বেশি রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হয়েছে তিন দফায়। এবারও দুই দফায় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময় নির্ধারিত থাকা কারণে পরে যাদের রিপ্লেসমেন্টের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আবার সুযোগ দেওয়া দরকার। এ ছাড়া দেখা গেছে, অনেকে শতকরা হারে সে সংখ্যায় রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা পেয়েছে তার প্রকৃত রিপ্লেসযোগ্য হজযাত্রীর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। ফলে সে আরেক দফায় সুবিধার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তাদের দাবি, যারা হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছেন তাদেরই তো রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হবে। এতে কোটা খালি থাকা বা সরকারের লাভ-লোকসানের কিছু নেই। বরং কোনো এজেন্সি তার হজযাত্রী পাঠাতে না পারলে তার বাড়ি ভাড়ার টাকা এমনকি বিমানের টিকিটের টাকাসহ ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আর ওই সব হজযাত্রীর কোটাও খালি যাবে। ফলে সব কিছু বিবেচনা করে সর্বশেষ রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়া উচিত।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য এবার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার কারণে হজ ফ্লাইট নিয়ে কোনো ঝামেলা এখন পর্যন্ত হয়নি। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের নামে বিমানের টিকিট নিশ্চিত করাসহ হজ অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসা নিশ্চিত করার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই দফায় দফায় এজেন্সিগুলোকে ডেকে তাদের সর্বশেষ তথ্য জানছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এখনও কিছু এজেন্সির সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া ও তাসরিয়ার ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তথ্য না থাকায় প্রকৃত অবস্থা জেনে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে।

উল্লেখ্য, সরকারি-বেসরকারি মিলে এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী যাওয়ার কথা। ৫৯৮টি বেসরকারি এজেন্সি এ বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের পরিবহন করছে। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজপালনের জন্য সৌদিতে যাওয়া বাংলাদেশি মধ্যে চার পুরুষ ও একজন নারী ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র