Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

এক নজরে স্টিফেন হকিং

এক নজরে স্টিফেন হকিং
সেন্ট্রাল ডেস্ক ৩


  • Font increase
  • Font Decrease
স্থানের সঙ্গে কালের কী সম্পর্ক? কোথা থেকেই বা সূচনা হয়েছে কালের? অনাদি অনন্তের গভীরে কি শূন্য বলে কিছু ছিল? জটিল এসব প্রশ্নই সহজ করে বুঝিয়েছিলেন স্টিফেন হকিং। ব্রহ্মাণ্ডের রহস্য নিয়ে গবেষণায় অন্যতম তারা স্টিফেন হকিং প্রয়াত। বুধবার কেমব্রিজে নিজের বাড়িতেই মৃত্যু হয়েছে তার। পরিবারের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে। বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। বিশেষ করে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণার জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি লাভ করেন হকিং। মহাজাগতিক পদার্থবিদ্যার ওপর তার বই 'ব্রিফ হিস্টোরি অব টাইম' ১ কোটির বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। কাকতালীয় হলেও, বিজ্ঞানী গ্যালিলেও গ্যালেলির মৃত্যুর ঠিক ৩০০ বছর পর ৮ জানুয়ারি ১৯৪২ সালে জন্ম হয়েছিল স্টিফেন হকিংয়ের। তার মৃত্যু হল বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের জন্মদিনে। এক নজরে দেখে নিন স্টিফেন হকিংয়ের জীবন ১. ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি ব্রিটেনের অক্সফোর্ডে জন্ম হয় স্টিফেন হকিংয়ের। ২. তার প্রাথমিকের পাঠ শেষ হয় লন্ডনে। পরে সেন্ট অ্যালবেন্সে চলে যায় তার পরিবার। ৩. ১৯৫২ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কলেজে ভর্তি হন তিনি। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন তার বাবাও। ৪. ছাত্র হিসাবে খুব মেধাবি ছিলেন না হকিং। বিভিন্ন সময় পড়াশুনোয় মনোনিবেশ করাতে তাকে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। ৫. গণিত নিয়ে পড়াশুনো করার ইচ্ছা থাকলেও অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কলেজে গণিত বিভাগ না থাকায় পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়াশুনো শুরু করেন তিনি। ৬. ১৯৬৫ সালে জিন বিল্ডের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। দম্পতির ৩টি সন্তান রয়েছে। ১৯৯৫ সালে বিল্ডের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় হকিংয়ের। ৭. ১৯৯৫ সালেই অ্যালেন মেসনকে বিয়ে করেন হকিং। ২০০৭ সাল পর্যন্ত এই বিয়ে টিকেছিল। বিয়ের পরই পূর্বপত্নীর বিরুদ্ধে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ তোলেন হকিং। যা নিয়ে বিস্তর জলঘোলাও হয়। ৮. ১৯৬২ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা শুরু করেন হকিং। ১৯৬৫ সালে তিনি গবেষণা শেষ করেন। ১৯৬৯ সালে ফেলো ফর ডিস্টিংশন ইন সায়েন্স হন তিনি। ৯. মহাজাগতিক পদার্থবিজ্ঞানে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বের অবতারণা করেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে হকিং রেডিয়েশন, প্যানরোজ - হকিং তত্ত্ব, বেকেনস্টাইন - হকিং ফরমুলা, হকিং এনার্জি, গিবসন - হকিং স্পেস ও গিবসন - হকিং এফেক্ট। ১০. ১৯৬৩ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে মোটর নিউরোন রোগে আক্রান্ত হন স্টিফেন হকিং। চিকিৎসক জানান, মাত্র ২ বছর আয়ু তার। কিন্তু পরে চিকিৎসকরা জানান ৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচতে পারেন তিনি। তবে সব অনুমানকেই মিথ্যে করে দিয়েছে তাঁর জীবনীশক্তি। ১১. আমৃত্যু কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরেটিক্যাল মহাজাগতিক পদার্থবিদ্যা বিভাগের ডিরেক্টর ছিলেন তিনি।
আপনার মতামত লিখুন :

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম গ্রেফতার

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম গ্রেফতার
পি চিদাম্বরম

ভারতের সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমকে আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় গ্রেফতার করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) সিবিআই।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে নয়াদিল্লিতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। চিদাম্বরমের বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে সিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেফতার করেন।

এর আগে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট চিদাম্বরমের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ভারতের সাবেক এই অর্থমন্ত্রী। কিন্তু মামলাটি প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে পাঠানোয় গ্রেফতারি এড়াতে পারেননি তিনি।

পি চিদাম্বরম ২০০৭ সালে ভারতের অর্থমন্ত্রী থাকাকালে ‘ফরেন ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন বোর্ড’ (এফআইপিবি)-এর কাছে বিদেশি লগ্নির আবেদন করেছিল আইএনএক্স মিডিয়া। লগ্নির অর্থ সহযোগী সংস্থাগুলোতেও বিনিয়োগের অনুমতি চেয়েছিল তারা।

তবে লগ্নি অনুমোদন করলেও সেই অর্থ সহযোগী সংস্থায় বিনিয়োগে সায় দেয়নি এফআইপিবি। ওই নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করায় আইএনএক্স মিডিয়ার বিপক্ষে দাঁড়ায় ভারতীয় আয়কর দফতর।

এরপর আইএনএক্স মিডিয়ার যুগ্ম প্রতিষ্ঠাতা পিটার ইন্দ্রাণী ও অনান্যরা চিদাম্বরমের ছেলে কার্তি চিদাম্বরমের কোম্পানির দ্বারস্থ হন। সেই সময় অর্থের বিনিময়ে আইএনএক্স মিডিয়াকে ছাড়পত্র পাইয়ে দিয়েছিলেন কার্তি। পি চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ছেলের সংস্থার হয়ে আইএনএক্সকে অন্যায় সুবিধা দিয়েছিলেন।

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চীন ও জাপানের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পেরে এখন বিপাকে মিয়ানমার। এই দুই দেশ ছাড়াও আরও প্রায় ২০টি দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে দেশটি।

যৌথ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছে।

কমিটি বলেছে স্বরাষ্ট্র, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচ; পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শিল্প এসব খাতে ১০.২ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার।

এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে এ বছর ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ যা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্য অর্থ।

২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে যা দেশটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচখাতে ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমার জাপানের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার যোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার। এ সুদের হার ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ। উচ্চতর সুদের হার ও মিয়ানমারে নিম্নমূল্যের মুদ্রা দেশের উপর একটি ভারী বোঝা সৃষ্টি করেছে। এই জাতীয় ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চতর সুদের হার, দুর্বল কায়াত এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে সরকারী অর্থায়নে ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বেশ কিছু ব্যর্থ প্রকল্প রয়েছে যারা ঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সেচের জন্য বিতরণের পরে কর্পোরেট প্রশাসনকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটি না করার ফলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র