Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

আমি জুভেন্টাসকে চ্যাম্পিয়ন করতে এসেছি

আমি জুভেন্টাসকে চ্যাম্পিয়ন করতে এসেছি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পর্তুগালের কিংবদন্তী ও রিয়েল মাদ্রিদের সাবেক খেলোয়াড় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বলেছেন,‘আমি জুভেন্টাসে এসেছি ক্লাবটিকে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয়ী করাতে’। রাশিয়া টুডের খবরে বলা হয়, রোনাল্ডো প্রায় ২০ বছর ধরে অধরা থাকা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিটা ইতালীর ক্লাবে আনার জন্য এসেছেন বলে সাংবাদিক সম্মেলনে একাধিকবার জানান।

গত সপ্তাহে ১০০ মিলিয়ন ইউরো বা ১১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে জুভেন্টাসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তির পর পর একাধিকবার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জানান, আমি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ট্রফি জেতাকে কোন ঘোর লাগা ভাবনা হিসেবে দেখিনা। ক্লাবের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এটা কোন ঘোর না, এটা তাদের স্বপ্ন। আমি জুভেন্টাসে এসেছি এই স্বপ্নকে সত্য করতে।

১৯৯৬ সালে সর্বশেষ সিরি এ লীগের জুভেন্টাস চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ট্রফি বিজয় করে ইতালী নিয়ে আসে। চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সর্বশেষ পাঁচটি ফাইনালে জুভেন্টাস পরাজিত হয়। ২০১৭ সালে রিয়েল মাদ্রিদ জুভেন্টাস ম্যাচে রোনালদো ২ গোল করে ইতালীর ক্লাবটিকে পরাজিত করে।

‘আমি সম্মানীত বোধ করেছি যে জুভেন্টাস আমার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে’ বলেন ৩৩ বছর বয়সী পাঁচবারের ব্যালন ডি অর জয়ী রোনালদো।

রোনালদো বলেন, এটা আমার জন্য পিছনে ফিরে যাওয়া ঘটনা নয়। জুভেন্টাস আমার জন্য সামনে যাওয়ার নতুন ধাপ। আমি জুভেন্টাসকে চ্যাম্পিয়ন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো স্প্যানিশ ক্লাব রিয়েল মাদ্রিদের হয়ে ৯ বছরে ৪৫১ টি গোল করেন এবং চারটি চ্যাম্পিয়ন্সক লীগ ট্রফি ও দুইট লা লীগা শিরোপা তার নেতৃত্বে রিয়েলের ঘরে আসে।

তাঁর একক নৈপুণ্যে ২০১৬ সালের ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করে পর্তুগাল।

২০১৮ বিশ্বকাপের মধ্যে তার রিয়েল মাদ্রিদ ছাড়ার গুঞ্জন ছড়ায়। গত সপ্তাহে জুভেন্টাস ও তার সমর্থকেরা অভ্যর্থনার মাধ্যমে রোনালদোকে গ্রহণ করে নেয়।

রোনালদো রিয়েল থেকে জুভেন্টাসে যাওয়ার কারণে রিয়েল মাদ্রিদ বিশ্বব্যাপী বিপুল সংখ্যক দর্শক হারাবে বলে ফুটবলপ্রেমীরা কানাঘুঁষা করছেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

গণতন্ত্র ছাড়া কাশ্মীর ইস্যুর সমাধান নেই: অমর্ত্য সেন

গণতন্ত্র ছাড়া কাশ্মীর ইস্যুর সমাধান নেই: অমর্ত্য সেন
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. অমর্ত্য সেন

কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকারের সমালোচনা করে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. অমর্ত্য সেন বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার উপর জোর দিয়ে মানুষের অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। আমার মনে হয় না গণতন্ত্রের চর্চা ছাড়া কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব।

সোমবার (১৯ আগস্ট) ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

৮৫ বছর বয়সী এই নোবেল বিজয়ী বলেন, ভারত গণতন্ত্রের আর্দশ মানছে না। আমি একজন ভারতীয় হিসেবে এখন আর আমি গর্ব করি না। একটা সময় ছিলো পাশ্চাত্যের দেশগুলোর বাইরে একমাত্র ভারতে গণতন্ত্রের চর্চা হতো। ভারত এখন গণতন্ত্রের সেই পথ হারিয়েছে।

সম্প্রতি ভারত সরকার সংবিধানে কাশ্মীরকে দেওয়া মর্যাদা বাতিল করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে জম্মু কাশ্মীর থেকে লাদাখকে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের ফলে জম্মু কাশ্মীরের জমি ভারতের অন্য রাজ্যের মানুষও কিনতে পারবেন। এই অধিকার কেবল কাশ্মীরের জনগণেরই ছিলো। 

কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল ও জমি ক্রয় প্রসঙ্গে অমর্ত্য সেন বলেন, কাশ্মীরের জনগণের উপরই এই সিদ্ধান্ত নেবার অধিকার দেওয়া উচিত। তারাই ঠিক করবে জমি ক্রয় বিক্রয় বিষয়ে, এই জমি তাদের অধিকার। 

কাশ্মীরের নেতাদের গ্রেফতারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমি মনে করি না, মানুষকে ভয় দেখিয়ে কণ্ঠস্বর রোধ করে ভালো কিছু পাওয়া যায়। নেতাদের গ্রেফতার করে, আটকে রেখে গণতন্ত্র দমন করে অতীতেও ভালো ফল পাওয়া যায়নি। 

কড়া নিরাপত্তায় মোড়ানো কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এটা হচ্ছে জম্মু কাশ্মীরের উপর উপনিবেশিক অত্যাচার। ঠিক এভাবেই ২০০ বছর বিট্রিশরা আমাদের শাসন করেছিলো।

মিয়ানমারে সেনা এবং বিদ্রোহী জোটের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ছে

মিয়ানমারে সেনা এবং বিদ্রোহী জোটের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ছে
মিয়ানমারে সেনা এবং বিদ্রোহী জোটের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ছে

মিয়ানমারে ভিন্ন ভিন্ন বিদ্রোহী জোট একজোট হয়ে হামলা চালানোর পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সঙ্গে লড়াই বিস্তার লাভ করেছে। আরাকান আর্মি (এএ), মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি এবং তাআং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এক জোট হয়ে এ হামলা চালায়।

তবে জোটের চতুর্থ সদস্য, কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি কোনও আক্রমণে অংশ নিয়েছে তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

এ সশস্ত্র জোটটি ১৫ আগস্ট আর্মি একাডেমিসহ ছয়টি স্থানে সমন্বিত হামলা চালায়। এর ফলে ১৫ জন নিহত হয়। এর পরেই চার দিন ধরে লাগাতার সেনা ও বিদ্রোহী জোটের আরো সংঘর্ষের খবর মিয়ানমার মিডিয়া জানিয়েছে।

শান স্টেটের ন্যাংচো জনপদের নিকটে পাইয়ন ওও লুইন অঞ্চলে ডিফেন্স সার্ভিসেস টেকনোলজিকাল একাডেমিসহ বিদ্রোহী জোটটি ছয়টি ভিন্ন এলাকায় হামলা পরিচালনা করার পর এ সংঘর্ষ বেড়েই চলেছে। এ সংঘর্ষে একজন অ্যাম্বুল্যান্স ড্রাইভার মারা গেছেন বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন যে তারা নাম হাটপাট কার ও কুতকাইয়ের মাঝামাঝি নান্ট কুট গ্রামের কাছে বন্দুকের গুলির শব্দ শুনতে পেয়েছে।

গত চারদিন ধরে শানের লাসিও, কুতকাই, কিউকমে, থেইনি এবং মিউজি শহরতলীতে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) মিয়ানমারের কমান্ডার-ইন-চিফের অফিসের থেকে বিবৃতিতে, জানানো হয়েছে ইউ টুন মিন্ট নামে একজন ৫৮ বছর বয়সী স্বেচ্ছাসেবক অ্যাম্বুলেন্স চালক, অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। লশিওয়ের কাছে এ সংঘর্ষের পর নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। বিদ্রোহীরা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র এবং একটি রকেট চালিত গ্রেনেড দিয়ে তার গাড়িতে গুলি চালায়। আহত হয়েছেন আরও পাঁচ জন।

সামরিক বাহিনীর জানায়, বিদ্রোহী জোটটি হালকা এবং ভারী উভয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে। এ জোটের আক্রমণগুলিতে ১০৭ মিলিমিটার রকেট ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে।

সামরিক বাহিনী দাবি করছে, যে শান ও রাখাইন রাজ্যে জুলাই ও আগস্টে ২১০ কোটি মিয়ানমার মুদ্রার সমমূল্যের মাদক জব্দ করার কারণে আরাকান আর্মি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়  এই হামলা চালাচ্ছে।

এদিকে বিদেশি পর্যটকদের মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি এ অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে স্বদেশি নাগরিকদের এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উত্তরাঞ্চলীয় শান স্টেটে সশস্ত্র বিদ্রোহী জোটের হামলার পরে বিদেশিদের জন্য পাইয়ন ওও লুইন, ন্যাংচো এবং থিবাবের ভ্রমণ বাতিল করতে ট্র্যাভেল এজেন্সিগুলোকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র