Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

৬৬ বছর পর নখ কাটলেন শ্রীধর!

৬৬ বছর পর নখ কাটলেন শ্রীধর!
  ঊর্মি মাহবুব
 সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
 বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: অভ্যাস ও চরিত্রের কারণে প্রত্যেক মানুষ আলাদা স্বভাবের। সেই স্বভাবের সূত্রে মানুষের মাঝে বাসা বাঁধে বিচিত্র কিছু শখ। মানুষের বিচিত্র শখের কোনো শেষ নেই। তাইতো বলা হয়- শখের তোলা আশি টাকা। শখের বসে এক-দুই বছর নয় টানা ৬৬ বছর বাম হাতের নখ কাটেননি ৮২ বছর বয়সের শ্রীধর চিল্লার। নখ না কাটার কারণে তার ওই নখের দৈর্ঘ্য হয়েছে ৩২ ফুট। নাম উঠেছে গিনেস বুকে।

১৯৫২ সাল থেকে বাম হাতের নখ কাটা বন্ধ করেন শ্রীধর চিল্লাল। এই ৬৬ বছরের যাত্রাটি খুব একটা সুখকর ছিলো না তার জন্য। অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়েছে তাকে।

ভারতের পুনে শহরে জন্ম গিনেস বুকের সবচেয়ে বড় নখের অধিকারী শ্রীধর চিল্লালের। অস্বাভাবিক লম্বা নখের কারণে শ্রীধর চিল্লালের হারাতে হয়েছে বাম কানের শ্রবণ শক্তি, বিকৃত হয়েছে বাম হাতের নখ। 

ঘটনার সূত্রপাত হয় শ্রীধর চিল্লালের ১৪ বছর বয়সে। সে সময় তার এক স্কুল শিক্ষকের হাতের নখ বেশ বড় ছিলো। কিন্তু কোনো একদিন এক ঘটনায় ভেঙে যায় সেই শিক্ষকের নখ। শোনা যায়, শিক্ষকের নখ ভাঙার ঘটনায় জড়িত ছিলো শ্রীধর নিজে। আর তাই তখনই নিজের নখ বড় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবচেয়ে বড় নখের অধিকারী মানুষ হিসেবে নিজেকে দেখার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। 

/uploads/files/iyvAMSuneYYwyIdv89TtAQTL0EAARjEgnHF2CtDK.jpeg

তারপর শুরু হয় সেই অধ্যবসায়। নখ যাতে ভেঙে না যায়। এ এক কঠিন তপস্যা। নখ রক্ষা করতে শ্রীধরকে খেলাধুলা বন্ধ করে দিতে হয়। কারণ, খেলতে গেলে নখ ভেঙে যেতে পারে, তাই নখ বাঁচাতে খেলাধুলা এড়িয়ে চলা শুরু করেন শ্রীধর।

নখ যতো বাড়তে থাকে, ততো বাধা আসতে থাকে তার। এক পর্যায়ে নিজের খুটিনাটি কাজ করার জন্যও অন্যের সহযোগিতা নিতে হতো শ্রীধরকে। কিন্তু ধৈর্য্য হারাননি তিনি। নানা বাধা-বিপত্তি পায়ে ঠেলে এগিয়ে যান তিনি। নখ যখন কয়েক ফুট লম্বা হয়ে যায় তখন বাইরে কাজ করতেও সামাজিক নানা সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাকে।

এই লম্বা নখ নিয়ে শ্রীধর চিল্লাল চলতি মাসের ১১ জুলাই যান নিউইয়র্কে। অবশেষে ১২ জুলাই নিউইয়র্কের অভিজ্ঞ ডাক্তারের সহায়তায় কাটা হয় শ্রীধর চিল্লালের নখ।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ এই নখগুলোর দেখা মিলবে নিউইয়র্কের রিপ্লেস বিলিভ ইট অর নট এর সংগ্রহশালায়।

আপনার মতামত লিখুন :

মোদীকে 'অর্ডার অফ জায়েদ' সম্মাননায় ভূষিত

মোদীকে 'অর্ডার অফ জায়েদ' সম্মাননায় ভূষিত
ছবি: সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'অর্ডার অব জায়েদ'-এ ভূষিত করা হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে।

শনিবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবির এক অনুষ্ঠানে মোদীর গলায় সোনার মেডালটি পরিয়ে দেন যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে মোদীকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের নামে এ সম্মাননার নামকরণ করা হয়েছে। তার জন্মের শতবর্ষ উপলক্ষে মোদীকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। এ বছর এপ্রিলে মোদীকে এ সম্মাননায় ভূষিত করার কথা ঘোষণা করা হয়।

সৌদি আরব সরকার কর্তৃক এ সম্মাননা বিশ্বের খুব কম নেতাকে দেওয়া হয়েছে। এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শিং জিংপিয়ের মতো নেতাদেরকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।

কাশ্মীরের বিতর্কিত ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ করার ঘোষণা দেওয়ার পরও সৌদি সরকার তাকে এই সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সম্প্রতি ভারত সরকার ৩৭০ ধারা বাতিলের পরও কাশ্মীরের নিরাপত্তার স্বার্থে এই মুহূর্তে সেখানে প্রবেশাধিকারের নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে। 

কাশ্মীর থেকে ফেরত পাঠালো রাহুল গান্ধীকে

কাশ্মীর থেকে ফেরত পাঠালো রাহুল গান্ধীকে
সাবেক কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, ছবি: সংগৃহীত

ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আজ শনিবার (২৪ আগস্ট) কাশ্মীর যান সাবেক কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ও বিরোধী দলের ১১ নেতা। কিন্তু শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকে তাদেরকে দিল্লিতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। 

শনিবার (২৪ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। 

আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কাশ্মীর যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী

৩৭০ ধারা বাতিলের পরও কাশ্মীরের নিরাপত্তার স্বার্থে এই মুহূর্তে সেখানে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। 

এদিকে বিরোধী নেতাদের কাশ্মীর সফরের সিদ্ধান্তের খবরে আপত্তি জানায় জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। জম্মু-কাশ্মীরের তথ্য ও জনসংযোগ দফতরের বরাতে  এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, সীমান্তে সন্ত্রাস ও জঙ্গিদের হাত থেকে যখন জম্মু-কাশ্মীরবাসীকে রক্ষা করার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার, সেই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতাদের এসে বিড়ম্বনা না বাড়ানো উচিত। রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আর্জি, দয়া করে সহযোগিতা করুন। শ্রীনগরে আসবেন না। আপনাদের বোঝা উচিত, এই মুহূর্তে প্রধান দায়িত্ব হল শান্তি বজায় রাখা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র