Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

ইবোলা প্রতিকারযোগ্য ওষুধ আবিষ্কার

ইবোলা প্রতিকারযোগ্য ওষুধ আবিষ্কার
২০১৮ সালে কঙ্গোতে প্রায় দুই হাজার মানুষ ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণের শঙ্কায় থাকা মানুষদের জন্য সুখবর দিয়েছেন একদল গবেষক। সামনের কিছুদিনের মধ্যেই ইবোলা প্রতিকারযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য রোগে পরিণত হবে বলে জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে গবেষণারত একদল বিজ্ঞানী।

ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া কঙ্গোর ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তদের মাঝে চার ধরনের ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ঘটান গবেষকরা। এর মধ্যে দুই ধরনের ওষুধের মোটামুটি কার্যকরিতা পাওয়া যায়, যা ইবোলা প্রতিরোধে সক্ষম।

কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন থেকে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে গবেষকদের উদ্ভাবিত ওষুধ ব্যবহার করা হবে।

ইবোলা আক্রান্তদের মাঝে ওষুধ পরীক্ষায় পৃষ্ঠপোষকতা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এলার্জি এন্ড ইনফেকশাস ডিজিস। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নতুন উদ্ভাবিত এই ওষুধ ইবোলা নিরাময়ের জন্য খুব ভালো খবর।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/13/1565673079129.gif

গবেষকদের উদ্ভাবিত ইবোলার ওষুধগুলোর নাম- রেন-ইবি৩ (REGN-EB3) ও এমএবি১১৪ (mAb114)। গবেষকরা জানান, এই ওষুধ দুটি অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে ইবোলা ভাইরাসকে আক্রমণ করে এবং মানবদেহে ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এলার্জি এন্ড ইনফেকশাস ডিজিস-এর পরিচালক ড. অ্যান্থনি ফসি বলেন, ‘ইবোলা আক্রান্ত রোগীদের বাঁচানোর জন্য এই ওষুধগুলোই প্রথম, যেগুলো গবেষণাগারে আশানুরূপ ভালো ফল দিয়েছে।’

গত বছর গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে প্রায় দুই হাজারের মতো মানুষ ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হওয়াদের শরীরে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি ব্যবহার করে রেন-ইবি৩ ও এমএবি১১৪ তৈরি করা হয়েছে।

পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ অন্য দুই প্রকার ওষুধ হলো জেডমেপ (ZMapp) ও রেমদেসিভির (Remdesivir)। এ ওষুধ দুটির কার্যকারিতা তুলনামূলক কম ছিল।

আপনার মতামত লিখুন :

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কাশ্মীর যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কাশ্মীর যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী
রাহুল গান্ধী, ছবি: সংগৃহীত

ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কাশ্মীর যাচ্ছেন সাবেক কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। ৩৭০ ধারা বাতিলের পরও কাশ্মীরের নিরাপত্তার স্বার্থে এই মূহুর্তে সেখানে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন । 

শনিবার (২৪ আগস্ট) কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে রাহুল গান্ধী ও বিরোধীদলীয় ৮ নেতা বিমানবন্দর ত্যাগ করেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিরোধী দলীয় আট নেতা- কংগ্রেসের আনন্দ শর্মা, কে সি বেণুগোপাল, সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিআই নেতা ডি রাজা, ডিএমকের তিরুচি শিবা, এলজেডির শরদ যাদব, তৃণমূলের দীনেশ ত্রিবেদী, এনসিপির মাজিদ মেমন, আরজেডির মনোজ ঝা, জেডিএসের ডি কে রেড্ডি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কাশ্মীর যাচ্ছেন।

এদিকে বিরোধী নেতাদের কাশ্মীর সফরের সিদ্ধান্তের খবরে আপত্তি জানায় জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। জম্মু-কাশ্মীরের তথ্য ও জনসংযোগ দফতরের বরাতে  এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, সীমান্তে সন্ত্রাস ও জঙ্গিদের হাত থেকে যখন জম্মু-কাশ্মীরবাসীকে রক্ষা করার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার, সেই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতাদের এসে বিড়ম্বনা না দেওয়ায় উচিত। রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আর্জি, দয়া করে সহযোগিতা করুন। শ্রীনগরে আসবেন না। আপনাদের বোঝা উচিত, এই মুহূর্তে প্রধান দায়িত্ব হল শান্তি বজায় রাখা।

মূল্যবান বন্ধুকে হারালাম: মোদি

মূল্যবান বন্ধুকে হারালাম: মোদি
বাঁ থেকে প্রয়াত বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী ও দেশটির ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রভাবশালী নেতা অরুণ জেটলির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে এক টুইট বার্তায় মোদি লিখেন, ‘অরুণ জেটলির মৃত্যুতে আমি একজন মূল্যবান বন্ধুকে হারালাম, যাকে আমি কয়েক দশক ধরে জানার সম্মান পেয়েছি। বিভিন্ন ইস্যুর বিষয়ে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি এবং বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে বুঝতে তিনি কখনোই কালক্ষেপন করতেন না। তিনি আমাদের জীবনকে অজস্র সুখের স্মৃতি দিয়ে গেছে। আমরা তাকে মিস করব!’

আরও পড়ুন: জরুরি অবস্থার সময় তিহার জেলে বন্দী ছিলেন জেটলি

তিনি আরও লিখেন, ‘বিজেপি এবং অরুণ জেটলি একটি অটুট বন্ধন ছিল। জ্বলন্ত ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি জরুরি অবস্থার সময় আমাদের গণতন্ত্র রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি আমাদের পার্টির অনেক জনপ্রিয় মুখ হয়েছিলেন, যিনি পার্টির কর্মসূচি এবং আদর্শকে সমাজের বিস্তৃত অঞ্চলে প্রকাশ করতে পারতেন। জীবনের পূর্ণতা, বুদ্ধিদীপ্ত আর্শিবাদ, দুর্দান্ত রসিকতা এবং ক্যারিশমাটিক ব্যাক্তিত্ব দিয়ে অরুণ জেটলি সমাজের সমস্ত অংশের মানুষ দ্বারা প্রশংসিত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক জ্ঞানের আধার, ভারতীয় সংবিধানের ওপর ছিল অনবদ্য দক্ষতা। ইতিহাস, গণতন্ত্র, পরিচালনা ও প্রশাসন সম্পর্কে এক অসীম জ্ঞানের ভান্ডার ছিলেন।’

আরও পড়ুন: অরুণ জেটলি মারা গেছেন

উল্লেখ্য, শনিবার দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে এআইআইএমএস হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা অরুণ জেটলি।

গত ৯ অগাস্ট থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে এআইআইএমএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর আগে ২০১৮ সালে কিডনি প্রতিস্থাপন হয় জেটলির। সে সময় শারীরিক অসুস্থতার কারণে জেটলির অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন পীযূষ গোয়েল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি অরুণ জেটলি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র