Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

হজের দ্বিতীয় দিনে আরাফাত ময়দানে বজ্রঝড়

হজের দ্বিতীয় দিনে আরাফাত ময়দানে বজ্রঝড়
প্রার্থনারত হাজীরা হঠাৎ বজ্রঝড়ের মুখে পড়েন/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে হজের দ্বিতীয় দিনে বজ্রঝড়ের কবলে পড়েছেন হাজীরা। ঝড় ও বজ্রপাতে পুরো আরাফাত শহর আক্রান্ত হয়।

শনিবার (১০ আগস্ট) হজের দ্বিতীয় দিন বিকাল আড়াইটা পর্যন্ত আরাফাত ময়দানে তীব্র গরম ছিল এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল বেশি।

হঠাৎ করে কালো মেঘ পুরো আরাফাতের আকাশ ঢেকে ফেলে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রবল বর্ষণ শুরু হয়। এ সময় হাজীরা বৃষ্টির জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিলেন না।

বজ্রঝড় থেকে বাঁচার জন্য হাজীরা আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে থাকেন। এ সময় আরাফাত ময়দানের হঠাৎ প্রবল বৃষ্টির মুখে পড়েন অনেক হাজী।

আরাফাত ময়দানে হাজীরা যখন দোয়া ও অনুশোচনা প্রার্থনারত, ঠিক তখন এই ঝড় ও বজ্রপাতের কবলে পড়েন তারা।

আরও পড়ুন: আজ হজ: বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আরাফাত ময়দানে

আপনার মতামত লিখুন :

ঘূর্ণিঝড়কেও বোমা মারতে চান ট্রাম্প

ঘূর্ণিঝড়কেও বোমা মারতে চান ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানার আগে ঘূর্ণিঝড় হারিকেনকে নিউক্লিয়ার বোমা মারার পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ঘূর্ণিঝড় হারিকেন নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, যদি সম্ভব হতো, তাহলে আফ্রিকা সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় হারিকেনকে চূর্ণ বিচূর্ণ করার জন্যও নিউক্লিয়ার বোমা মারা হতো।

সোমবার (২৬ আগস্ট) ফ্রান্সভিত্তিক বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়।

তবে এটাই প্রথমবার নয় এর আগে ২০১৭ সালেও বোমার মাধ্যমে হারিকেনের কার্য ক্ষমতা নিষ্পন্ন করার পরামর্শ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যাতে এই ঘূর্ণিঝড় আমেরিকাতে কোনো ভূমিধস করতে না পারে।

হোয়াইট হাউজ এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে এক সিনিয়র কর্মকর্তা বিষয়টি ‘মন্দ নয়’ বলে উল্লেখ করেন।

কিন্তু ট্রাম্পের এমন ধারণা নতুন কিছু নয়। ১৯৫০ সালে মার্কিন এক বিজ্ঞানী ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা পেতে এই ধারণা দেন। তৎকালীন সময়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন- ডুইট আইজেনহওয়ার।

নিউজিল্যান্ডে আত্মহত্যার নতুন রেকর্ড

নিউজিল্যান্ডে আত্মহত্যার নতুন রেকর্ড
ছবি প্রতীকী

নিউজিল্যান্ডে দিনে দিনে বাড়ছে আত্মহত্যা। গত এক বছরে দেশটিতে আত্মহত্যার সংখ্যা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

গত বছরের জুন থেকে এ বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডে ৬৮৫ জন আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার (২৬ আগস্ট) দেশটির প্রধান বিচারপতি দেবরাহ মার্শাল এ সম্পর্কিত এক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় এবছর মৃতের সংখ্যা ১৭ জন বেড়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ২.৫ শতাংশ বেশি।

কিশোর (১৫-১৯ বছর) ও বয়স্কদের ৫৩ থেকে ৭৩ বছর বয়সী মানুষদের মাঝেও নিজেদের জীবন কেড়ে নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। তবে ২০-২৪ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের মাঝে আত্মহত্যার হার বেশি বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধান বিচারপতি।

এদিকে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে দেশটির মাওরি ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের আদিবাসীদের মাঝে।

আগেরবারের তুলনায় এ বছর মাউরি সম্প্রদায়ের ২৬ জন বেশি প্রাণ দিয়েছেন। গতবার যে সংখ্যা ছিল ১৪২ এবার তা এসে দাঁড়িয়েছে ১৬৯-এ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের আদিবাসীদের মাঝে স্ব-প্রণোদিত হয়ে মৃতের সংখ্যা ২৩ থেকে বেড়ে ৩৪-এ দাঁড়িয়েছে।

দেবরাহ মার্শাল বলেন, মানুষ নানা সমস্যার কারণে, 'প্রাথমিক জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা (বাড়ি এবং স্কুলে), চাকরি জনিত সমস্যা, মানসিক অবস্থা, অর্থনৈতিক ও শারীরিক অবস্থার কারণে এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।' এছাড়া তিনি নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি শোক জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র