Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রবীন্দ্রনাথের উক্তি অন্যের নামে চালিয়ে সমালোচিত ইমরান খান

রবীন্দ্রনাথের উক্তি অন্যের নামে চালিয়ে সমালোচিত ইমরান খান
টুইটারে দেওয়া পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে নেটিজেনদের আক্রমণের শিকার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। হওয়ারই কথা, উপমহাদেশের প্রখ্যাত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তিকে তিনি অন্যের নামে যে চালিয়ে দিয়েছেন।

বুধবার (১৯ জুন) ইমরান তার ভেরিফায়েড টুইটারে অণুপ্রেরণামূলক একটি উক্তি পোস্ট করেন। ইংরেজি ভাষায় লেখা উক্তির বাংলা করলে দাঁড়ায়, ‘আমি ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখলাম, জীবন শুধুই আনন্দে পরিপূর্ণ। আমি জেগে উঠলাম আর দেখলাম জীবন কাজে পরিপূর্ণ। আমি কাজ করলাম এবং দেখলাম কাজই আনন্দ।’

কিন্তু বিপত্তি বাঁধে অন্যখানে। উক্তিটাকে লেবাননের বিখ্যাত কবি কাহলিল জিবরানের বলে পাক প্রধানমন্ত্রী জানালেও সেটা আসলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। ইমরান লেখেন, ‘যারা জিবরানের জ্ঞানকে বুঝতে চান তারা নিচের উক্তিটা দেখতে পারেন, তৃপ্তির জীবনধারণ হয়তো একেই বলে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561028460864.jpg

ইমরানের টুইটার পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। পাক প্রধানমন্ত্রীর ‘জ্ঞানের গভীরতা’ দেখে খানিকপরেই টুইটারের সমালোচনা শুরু করেন নেটিজেনরা।

পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ইমরানের টুইটের প্রতিউত্তরে লেখেন,‘ প্রধানমন্ত্রী, আমার ধারণা কথাগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।’

অপরজন মন্তব্য করেন, ‘তিনি কি আসলেই প্রধানমন্ত্রী, নাকি অন্যকিছু। দার্শনিক উক্তি পোস্ট করার আগে যাচাই করারও প্রয়োজনবোধ করেন না, আদৌ উক্তিটা কার?’

কেউ কেউ ইমরান খানকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘খান সাহেব, এটা ঠাকুরের উক্তি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপর জানাশোনা ও শিক্ষিত একটি টিম আপনার খুব দরকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

 

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র