Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আইএসের পরবর্তী লক্ষ্য ভারত-শ্রীলঙ্কা, গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা

আইএসের পরবর্তী লক্ষ্য ভারত-শ্রীলঙ্কা, গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা
গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে এনডিটিভি/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জঙ্গি সংগঠন আইএস (ইসলামিক স্টেট) তাদের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা ঠিক করেছে বলে সতর্কতাবার্তা পাঠিয়েছে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সিরিয়া ও ইরাকে দীর্ঘদিনের সক্রিয়তার পর সম্প্রতি ভারত মহাসাগরের দিকে নজর দিয়েছে সন্ত্রাসী এই জঙ্গি সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভি জানায়, রাষ্ট্রীয় তথ্য সরবরাহকারী কর্মকর্তারা কেরালার পুলিশকে ইতোমধ্য তিনটি সতর্কতা বার্তা পাঠিয়েছে।

ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ভারতের কোচিতে প্রধান একটি শপিংমলকে তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে আইএস। এছাড়া কেরালা, তামিল নাড়ু, অন্ধ প্রদেশ ও কাশ্মীরকে খুব সহজেই লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে আইএস।

সাধারণত আইএস মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বার্তা আদান প্রদান করলেও এখন নিজেদের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিগন্যাল, সাইলেন্ট টেক্সট, চ্যাটসিকিউরের মতো অ্যাপসগুলো ব্যবহার করছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আরও জানান, গত এক বছরে কেরালাতে কমপক্ষে ১০০ জন আইএস জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগদান করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে নজরদারি বড়ানো হয়েছে।

গত ২১ এপ্রিল শ্রীলঙ্কায় আইএসের বিস্ফোরণে ২৫০ জনেরও বেশি লোক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ৩০ জনেরও বেশি ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

এদিকে, মে মাস থেকে কেরালা উপকূলে আইএসের প্রবেশ রোধে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

হুয়াওয়েকে ‘সময় মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময় মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময় মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী বিশাল বাজেট চেয়েছে

মিয়ানমার সেনাবাহিনী বিশাল বাজেট চেয়েছে
মিয়ানমার সেনাবাহিনী

মিয়ানমারের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় দেশটির সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে বিশাল বাজেট দেওয়ার অনুরোধ করেছে।

সোমবার (২২ জুলাই) নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় দেশটির সংসদের কাছে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের জন্য ৩.৩৭ ট্রিলিয়ন মিয়ানমার মুদ্রা ( কিয়াত) বা ২২২ কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের বাজেট চেয়েছে। যা গত অর্থ বছরের চেয়ে ১০০ কোটি কিয়াত বেশি। মিয়ানমারে ১ অক্টোবর থেকে অর্থ বছর শুরু হয়।

মিয়ানমারের প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী মেজর জেনারেল মিন্ট ন সোমবার সংসদে নিরাপত্তা বাজেট গত বছরের চেয়ে ১২২. ৪১ বিলিয়ন কিয়াত বাড়াতে অনুরোধ করেন। গত বছরে এ খাতে বাজেট ছিলো ৩.২৪ ট্রিলিয়ন কিয়াত।

মেজর জেনারেল মিন্ট ন বলেন, মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীকে তিনটি জাতীয় উদ্দেশ্য নিয়ে একটি শক্তিশালী, যোগ্যতাসম্পন্ন, আধুনিক, দেশপ্রেমিক সামরিক বাহিনী  গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যে সেনাবাহিনী দেশকে বিচ্ছিন্নকরণ ঠেকানো, জাতীয় সংহতি রক্ষা করা এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব চিরস্থায়ী করবে। আর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য বাড়তি বাজেট প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে বেতন খরচ, সামরিক খরচ ছাড়াও কর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের খরচ, পরিবহন, প্রকৌশলী, নিরাপত্তা খরচ, অস্ত্র, কারখানা, ভবন নির্মাণ, জরুরি তহবিল, সুদ, যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য খরচ প্রদান করার কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু, তিনি সঠিক পরিসংখ্যান প্রদান করেননি। এছাড়াও কী ধরনের সামরিক সরঞ্জাম কেনা হবে- এ সম্পর্কিত কোনো তথ্য দেননি।

অন্যদিকে, প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ সংরক্ষণ মন্ত্রণালয় ৩৩.৮৬ বিলিয়ন; শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয় ১৯৯.১০ বিলিয়ন; শিল্প মন্ত্রণালয় ৪৩৬.৩৮ বিলিয়ন; বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২৩.৫৪ বিলিয়ন; বিনিয়োগ ও বৈদেশিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক মন্ত্রণালয় ৬.৪৮ বিলিয়ন; স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ১.১৮ ট্রিলিয়ন কিয়াত প্রস্তাবিত বাজেটে দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে সামরিক বাজেটে প্রতি বছর জাতীয় বাজেটের ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ রাখা হয়।

মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় বাজেট খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় স্তরের বিভাগ এবং সংস্থাগুলি ২৫.৩১ ট্রিলিয়ন কিয়াত আয় করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৩২.৩৪ ট্রিলিয়ন কিয়াত হতে পারে।  অর্থ্যাৎ ৭.০৩ ট্রিলিয়ন কিয়াত  প্রত্যাশিত বাজেটে ঘাটতি রাখা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র