Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসি মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত চায় জাতিসংঘ

সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসি মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত চায় জাতিসংঘ
সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির (৬৭) মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত চায় জাতিসংঘ।


মঙ্গলবার (১৮ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, মুরসি কারাদণ্ডে থাকাকালীন তাকে দেওয়া সকল প্রকার চিকিৎসার তদন্ত দাবি করেছে জাতিসংঘ।

এ বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার মুখপাত্র রুপার্ট কোলভিলে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মুরসিকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে কিনা এবং তার ব্যক্তিগত আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে দেখা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছে কিনা, তার সব কিছুই সুষ্ঠু তদন্তের আওয়াত নিয়ে আসা হবে।’

এই বিচার প্রক্রিয়ায় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়া মুরসির মৃত্যুর সঠিক কারণ খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন তিনি।

জানা গেছে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ এল-সিসির ক্ষমতা গ্রহণের আগে ২০১৩ সালের ৩ জুলাই মুরসিকে জোর করে ক্ষমতাচ্যুত করে কারাবন্দী করা হয়।

এদিকে মুরসির মৃত্যুর ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুরসি মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় মসজিদে শত শত মানুষ শোক প্রকাশ করেছে। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোগান মুরসির জানাজায় উপস্থিত ছিলেন। ওই সময় মুরসিকে তিনি ‘শহীদ’ আখ্যায়িত করেছেন। তিনি মনে করেন মুরসির স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। মুরসিকে কৌশলে দাফন করার জন্য মিশরীয় কর্তৃপক্ষকেও নিন্দা জানিয়েছেন তুর্কি এই প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য, সোমবার (১৮ জুন) মিসরের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি কায়রো আদালতে হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান। এর একদিন পর মঙ্গলবার সকালে পরিবারের কিছু সদস্যের উপস্থিতিতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

আরও পড়ুন:মুরসির মৃত্যুর দায় মিশরের অভ্যুত্থানকারী সরকারের

আপনার মতামত লিখুন :

চাঁদের পথে পাড়ি জমাল ভারতের চন্দ্রযান-২

চাঁদের পথে পাড়ি জমাল ভারতের চন্দ্রযান-২
উৎক্ষেপণের সময় চন্দ্রযান-২, ছবি: সংগৃহীত

প্রাযুক্তিক ত্রুটি কাটিয়ে অবশেষে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল ভারতের দ্বিতীয় উচ্চশক্তি সম্পন্ন কৃত্রিম উপগ্রহ চন্দ্রযান-২।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুর ২টা ৪৩ মিনিটে চেন্নাই থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান অন্তরীক্ষ কেন্দ্রের দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাড শ্রীহরিকোটা থেকে চন্দ্রযান-২ চাঁদের পথে উড়াল দেয়।

বাহুবলী নামক এ চন্দ্রযানটি সর্বোচ্চ শক্তিশালী রকেট জিএসএলবি-মার্ক III -এম-I -এর মাধ্যমে চাঁদে পাঠানো হয়। এ মিশনের জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ১০০০ কোটি টাকা।

1
জিএসএলভি এমকে -III

 

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই রওনা দেওয়ার কথা ছিল চন্দ্রযান-২ এর। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মাত্র ৫৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড আগে ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানীরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সে যাত্রায় ক্ষান্ত দেন। রকেটের একটি ভাল্ব থেকে লিক হচ্ছিল হিলিয়াম গ্যাস। তাই ঝুঁকি নিতে চাননি বিজ্ঞানীরা। শেষে চন্দ্রযানটির উৎক্ষেপণ বাতিল করা হয়।

ভয়াবহ দাবানলে জ্বলছে পর্তুগাল

ভয়াবহ দাবানলে জ্বলছে পর্তুগাল
ভয়াবহ দাবানলে জ্বলছে পর্তুগাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

টানা তৃতীয় দিনের মতো দাবানলে জ্বলছে পর্তুগাল। ভয়াবহ এই দাবানলে এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে প্রায় ১ হাজার ৮০০ দমকল বাহিনী, ১৯টি হেলিকপ্টার, ১০০টি অগ্নিনির্বাপক। প্রাথমিকভাবে সিগারেটের আগুন থেকে এর সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অগ্নিদগ্ধ একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাজধানী লিসবনে তাকে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া আটজন দমকল কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।

রাজধানী লিসবন থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে সংঘঠিত হয়েছে এই দাবানল। দাবানলে কাস্টেলো ব্রাঙ্কো এলাকার একটি জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সে এলাকার বাসিন্দাদের।

এদিকে, সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পর্তুগালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদুয়ার্দো কাবরিতা বলেন, ‘কাস্টেলো ব্রাঙ্কো অঞ্চলের দাবানল এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। তবে পূর্ব প্রস্তুতির পাশাপাশি আমরা দাবানল নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’

উদ্দেশ্যমূলকভাবে কেউ সেখানে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে কিনা কর্তৃপক্ষ সেটি খতিয়ে দেখছে বলেও জানান তিনি।

পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেইলো ডি সওজা এক বার্তায় বলেন, ‘বীরত্বের সঙ্গে যারা দাবানলের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছেন তাদের কাজের প্রতি সংহতি ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি।’

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ব্যাপক দাবানলে পর্তুগালে প্রাণ হারায় শতাধিক মানুষ। এরপর দাবানল নিয়ে সতর্ক অবস্থানে যায় পর্তুগাল। দুর্যোগ মোকাবিলায় নেওয়া হয় বেশ কিছু কার্যকরী উদ্যোগ। যার ফলে ২০১৮ সালেও ভয়াবহ দাবানল সংঘঠিত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
প্রতিবছর গ্রীষ্মকালীন সময়ে পর্তুগালের পার্বত্য বনাঞ্চলগুলোতে ধারাবাহিক দাবানল সংঘঠিত হয়ে থাকে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র