Alexa

দিক পরিবর্তন করল ঘূর্ণিঝড় বায়ু

দিক পরিবর্তন করল ঘূর্ণিঝড় বায়ু

ছবি: সংগৃহীত

গুজরাট থেকে ক্রমশ অভিমুখ বদলে সমুদ্রের দিকে সরে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় বায়ু। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরেই গুজরাট উপকূলের পোরবন্দর এবং মাহুবায় বায়ুর আছড়ে পড়ার কথা ছিল। ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে গুজরাটের জুনাগাধের উপকূলবর্তী বঙ্গোপসাগরের রয়েছে। ফলে তাণ্ডবের হাত থেকে কিছুটা রক্ষা পেল রাজ্যটি।

আবহাওয়া অধিদফতরের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যম জানায়, বায়ু গতিপথ পরিবর্তন করলেও মারাত্মক ঝড়ো হাওয়া বইবে ও সমুদ্রের অবস্থা প্রতিকূল থাকবে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সমুদ্র উপকূলে ঘণ্টায় ১৩৫ থেকে ১৪৫ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এদিকে, কচ্ছ থেকে শুরু করে দক্ষিণ গুজরাটের বিস্তীর্ণ এলাকা ও সমুদ্র উপকূলে চূড়ান্ত সর্তকতা জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও উপকূল রক্ষী বাহিনীকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/13/1560418269613.PNG

বুধবার (১২ জুন) দিবাগত রাত থেকে পোরবন্দর, দিউ, ভাবনগর, কেশড, কান্দলায় বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। ৭০টি ট্রেন বাতিল হয়েছে, ২৮টি ট্রেনের সময়ের বদল ঘটেছে। প্রায় তিন লক্ষ মানুষকে নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

গুজরাট প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়, বিএসএফকেও উদ্ধার কাজে ব্যবহার করা হবে। ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ঝড়ো বাতাসে মুম্বাইয়ে ৬৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ মে সকাল ৯টার দিকে ওড়িশার পুরীতে ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে ফণী। এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। এতে উপড়ে পড়ে গাছপালা ও ঘরবাড়ি। ফণির তাণ্ডবে ওড়িশায় আটজন নিহত হয় এবং আহত হয় অনেকে। ঘূর্ণিঝড়টি অনেকটা শক্তি হারিয়ে কলকাতা হয়ে বাংলাদেশের আঘাত হানে। এরপর দূর্বল হয়ে যায় ফণি।

আপনার মতামত লিখুন :