Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বিশ্ব শান্তি সূচকে ৮ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ

বিশ্ব শান্তি সূচকে ৮ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্ব শান্তি সূচকে (জিপিআই) ১৬৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০১তম। গত বছর এই অবস্থান ৯৩তম থাকলেও এবার আট ধাপ পিছিয়েছে দেশ। গত বছরও আট ধাপ পিছিয়েছিল বাংলাদেশ।

তবে এই সূচকে প্রতিবেশী ভারত (১৪১তম) ও পাকিস্তানের (১৫৩তম) চেয়ে ওপরে রয়েছে বাংলাদেশ। ভুটান, শ্রীলংকা ও নেপাল রয়েছে বাংলাদেশের ওপরে।

এবার ২ দশমিক ১২৮ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ ১০১তম। ২০১৮ সালে স্কোর ছিল ২ দশমিক ০৮৪। এর আগে ২০১৭ সালে ২ দশমিক ০৩৫ স্কোর নিয়ে দেশের অবস্থান ছিল ৮৪তম।

Global Peace Index

চীন, বাংলাদেশ, ভারতসহ এ অঞ্চল সম্পর্কে ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। এ অঞ্চলে ৩৯ কোটি ৩০ লাখ মানুষ এই ঝুঁকির আওতায় আছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশে সহিংসতার কারণে ব্যয় হয়েছে ২২ হাজার ২৯৬ মিলিয়ন ডলার, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তিন শতাংশ।

এ বছর সবচেয়ে শান্তির দেশ আইসল্যান্ড, যার স্কোর ১ দশমিক ০৭২। এছাড়া ১ দশমিক ২২১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে নিউজিল্যান্ড। এরপর রয়েছে অস্ট্রিয়া (তৃতীয়), পর্তুগাল (চতুর্থ) ও ডেনমার্ক (পঞ্চম)। দেশগুলোর স্কোর যথাক্রমে ১ দশমিক ২৭৪, ১ দশমিক ২৯১ ও ১ দশমিক ৩১৬।

অন্যদিকে সবচেয়ে অশান্তির দেশ এবার আফগানিস্তান। তার আগে রয়েছে সিরিয়া ১৬২তম, দক্ষিণ সুদান ১৬১তম, ইয়েমেন ১৬০তম ও ইরাক ১৫৯তম।

Global Peace Index

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) এই সূচক প্রকাশ করে। গত মঙ্গলবার (১১ জুন) যুক্তরাজ্যের লন্ডনে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ১৩তম বার্ষিক শান্তি সূচক প্রকাশ করে।

এই সূচকে বিবেচ্য বিষয় ধরা হয়- সহিংসতা, সংঘর্ষ ও সামরিকীকরণ জারি। বিশ্বের ৯৯.৭ শতাংশ মানুষ এই জরিপের আওতায় পড়ে।

আপনার মতামত লিখুন :

অস্ট্রেলিয়ায় আগুন লেগে এক বাড়ির তিন শিশুর মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ায় আগুন লেগে এক বাড়ির তিন শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি বাড়িতে আগুন লেগে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মৃত ছেলেটির বয়স ১১ বছর। আর মেয়ে দু’টির বয়স পাঁচ বছর। তবে মৃত শিশুদের নাম পরিচয় জানানো হয়নি। দমকল বাহিনীর কর্মীরা এসে ছেলেটির মরদেহ উদ্ধার করে। আর মেয়ে দু’টিকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়।

এ অগ্নিকাণ্ডে ওই বাড়ির এক নারী (৩১) ও আরেকটি মেয়েকে (৮) জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তারা দু’জনই ধোঁয়ায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এছাড়া ওই নারী কিছুটা দগ্ধও হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে সিডনি থেকে ২০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমের এলাকা সিঙ্গল্টনের ওই বাড়িতে দমকল বাহিনীকে ডাকা হয়।

নিউ সাউথ ওয়েলসের পুলিশ সুপার চ্যাড গিলি বলেন, আমাদের দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবেশীদের হোস পাইপ দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে দেখেন। পরে দমকল কর্মীরা প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় আগুন নেভায়।

অস্ট্রেলিয়ার নাইন নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশীরা বলছেন, ওই বাড়িতে চারটি শিশুসহ ছয়জনের বসবাস।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ওই বাড়ির সদস্যদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীদের ঘুম ভেঙে যায়। এটা ছিল ভয়ঙ্কর।

হান্টার ভ্যালিতে অবস্থিত সিঙ্গলটন একটি জনপ্রিয় ওয়াইন এবং পর্যটন এলাকা।

তবে আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ বলছে, বাড়িটি সম্পূণ নিরাপদ হলে কেন কীভাবে আগুন লাগলো তা অনুসন্ধান করবে পুলিশ এবং দমকল বাহিনী।

পুলিশ সুপার চ্যাড গিলি বলেন, ওই বাড়ি গরম রাখার পদ্ধতি ও ফায়ার প্লেস ব্যবস্থা কেমন ছিল তাও তদন্ত করে দেখা হবে।

সানফ্রান্সিসকোতে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ

সানফ্রান্সিসকোতে ই-সিগারেট      নিষিদ্ধ
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোর মধ্যে সানফ্রান্সিসকোই প্রথম ই-সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। স্বাস্থ্যের ওপর ই-সিগারেটের প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এর বিক্রি বন্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) শহরটির কর্তা ব্যক্তিরা সানফ্রান্সিসকো শহরের দোকানগুলোতে ই-সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধ করার পক্ষে ভোট দেন। সেই সঙ্গে অনলাইন দোকানগুলোও কোনো ঠিকানায় ই-সিগারেট সরবরাহ করতে পারবে না। ফলে এখন থেকে সানফ্রান্সিসকোতে এই ভ্যাপোরাইজার (ই-সিগারেট-বাষ্পকারক) বিক্রি সম্পূর্ণ বেআইনি।

ক্যালিফোর্নিয়ার জুলে ল্যাবস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় ই-সিগারেট উৎপাদনকারী।

এ ঘোষণার পর তিনি বলেন, এই পদক্ষেপে ধূমপায়ীদের আবার সিগারেটের দিকে ফিরিয়ে আনা হবে। সেই সঙ্গে এটি ই-সিগারেটের কালো বাজার তৈরি করবে।

সানফ্রান্সিসকোর মেয়র লন্ডন ব্রেডের হাতে আইনটি বাতিল করার জন্য ১০ দিন আছে, কিন্তু তিনি তা করবেন না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ১০ দিন পর থেকে আইনটি সাত মাসের জন্য কার্যকর করা শুরু হবে। তবে এর জন্য আইনি চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

ভ্যাপিং (বাষ্প সেবন) বিরোধীরা বলছেন, কোম্পানিগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে স্বাদ-গন্ধযুক্ত পণ্য সরবরাহ করে তরুণদের লক্ষ্যবস্তু বানায়। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের প্রভাবের প্রয়োজনে ই-সিগারেটের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান করলে চলবে না। এটাও দেখতে হবে যে শিশুরা এর মাধ্যমে সিগারেটের প্রতি ঝুঁকতে পারে।

এর আগে এ বছরের শুরুর দিকে মার্কিন খাদ্য ও ড্রাগ প্রশাসন (এফডিএ), জাতীয় নিয়ন্ত্রক, প্রস্তাবিত নির্দেশিকা জারি করে কোম্পানিগুলিকে তাদের ই-সিগারেট মূল্যায়ন করার জন্য ২০২১ সাল পর্যন্ত আবেদন করার সময় দেয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র