Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বিহারে ৪৮ ঘণ্টায় ৩৬ শিশুর মৃত্যু, অসুস্থ শতাধিক

বিহারে ৪৮ ঘণ্টায় ৩৬ শিশুর মৃত্যু, অসুস্থ শতাধিক
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের বিহারের মুজফফরপুরে গত ৪৮ ঘণ্টায় ৩৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১৩৩ জন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানানো হয়, কর্মকর্তারা বলছেন শিশুদের অসুস্থ হওয়ার কারণ হাইপোগ্লেসিমিয়া।

যদিও এর আগে মুজফফরপুরে জেলার শ্রী কৃষ্ণ মেডিক্যাল কলেজের সুপার এস কে সাহি বলেন, ‘এনকেফেলাইটিস (অতিরিক্ত রক্তচাপজনিত) সমস্যাই ছিল শিশু মৃত্যুর কারণ। প্রচণ্ড গরমে শিশুরা অসুস্থ হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে নানা রকম শারীরিক জটিলতা নিয়ে ভর্তি হচ্ছে। বেশিরভাগ শিশুর বয়স ১৫ বছরের নিচে।’

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি সন্তানদের খালি পেটে না রাখার মতো বিষয় মাথায় রাখলেই সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া যাবে। যদিও গত দু ‘বছরে শিশু মৃত্যুর হার কম থাকলেও এ বছরে তা বেড়ে গিয়েছে।’

এদিকে, তিনি জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করে সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে চান। ও শিশুদের বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি কথা বলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

নিজের শুক্রাণু দিয়ে ফেঁসে গেলেন ফার্টিলিটি চিকিৎসক  

নিজের শুক্রাণু দিয়ে ফেঁসে গেলেন ফার্টিলিটি চিকিৎসক   
ছবি: সংগৃহীত

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কৃত্রিমভাবে গর্ভধারণ করতে আসা নারীদের গর্ভে ভুল শুক্রাণু সরবরাহ করে আসছিলেন বার্নার্ড নর্মান বারউইন (৮০) নামে এক ফার্টিলিটি চিকিৎসক। এর মধ্যে কয়েক বার নিজের শুক্রাণুও ব্যবহার করেন তিনি। 

তার এমন আতঙ্কজনক এবং নিন্দনীয় কাজের কথা প্রকাশ হওয়ায় ফেঁসে গেছেন তিনি। এরই মধ্যে বাতিল করা হয়েছে তার চিকিৎসকের লাইসেন্স।

ওন্টারিও’র চিকিৎসক ও সার্জন কলেজের শাস্তিদায়ক প্যানেল তাকে ১০ হাজার কানাডিয়ান ডলার জরিমানা করেছে। মেডিকেল রেগুলেটরির পক্ষ থেকে ওই চিকিৎসকের উদ্দেশে বলা হয়েছে, আপনি রোগীদের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। আপনার এমন কাজে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তার পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যার প্রভাব তাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম বইতে হবে।

তবে এ শুনানিতে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তার আইনজীবীরা এতে অংশ নিলেও তার পক্ষে কোনো যুক্তি দেননি।

২০১৪ সালে তিন নারীর গর্ভে ভুল শুক্রাণু সঞ্চার করানোর অভিযোগে তিনি তার চিকিৎসকের লাইসেন্স ছেড়ে দেন। তদন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেরসহ বিভিন্ন জনের ভুল শুক্রাণু ব্যবহার করার বিষয়টি ধরা পড়ায় এখন তার লাইসেন্সই বাতিল করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি যাতে কাউকে কোনো চিকিৎসা দিতে না পারেন এবং প্রাকটিস করতে না পারেন সেজন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। যাতে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি অন্তত ৫০ থেকে ১০০ শিশুর জন্ম হয়েছে ভুল শুক্রাণুতে। এর মধ্যে ১১ বার তিনি নিজের শুক্রাণু ব্যবহার করেছেন।

কৃত্রিমভাবে গর্ভধারণের ফলে জন্ম নেওয়া একটি শিশুর জেনেটিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও বংশের বিস্তারিত তথ্য (ফ্যামিলি ট্রি) সম্পর্কে জানতে গিয়ে ওই পরিবারের কাছে এ জঘন্য বিষয়টি ধরা পড়ে। এছাড়া এভাবে জন্ম নেওয়া আরেকটি শিশুর সেলিয়াক রোগ ধরা পড়ে। বংশগত এ রোগ তার বাবা-মা কারোই নেই। এ দু’টি ঘটনার পর এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসে চিকিৎসকের অপকর্মের চিত্র।

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সীমান্ত কর্মকর্তা

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সীমান্ত কর্মকর্তা
সিবিপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জন স্যান্ডারস, ছবি: সংগৃহীত

অভিবাসন সঙ্কটের কারণে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সীমান্ত কর্মকর্তা জন স্যান্ডার্স।

দেশটির কাস্টমস ও সীমান্ত সুরক্ষা (সিবিপি) কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে সিবিপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জন স্যান্ডারস ৫ জুলাই দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ এই সীমান্ত কর্মকর্তা সিবিপিকে ইমেইল করে ৫ জুলাই দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

ইমেইলে তিনি লেখেন, আমি সফল কি না তা বিচারের ভার আপনাদের ওপর। কিন্তু সিবিপির অসাধারণ কর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া সাহায্য ও সমর্থন আমার ক্যারিয়ারের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

দেশটির সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মিস্টার স্যান্ডারের পরিবর্তে মার্ক মর্গানকে ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিইউ) ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে, স্থানান্তরের একদিন পর একশ’রও বেশি অভিবাসী শিশুকে টেক্সাস সীমান্ত স্টেশনে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সীমান্তের কর্মকর্তারা।

as
এখানে অন্তত ২৫০ শিশুকে ধরে রাখা হয়েছে, ছবি: সংগৃহীত

 

সম্প্রতি সীমান্তের সেন্টার ঘুরে এসে এক আইনজীবী বলেছেন, জনাকীর্ণ সেন্টারে থাকা শিশুরা গুরুতরভাবে অবহেলিত। এরপর সীমান্তের সেন্টার থেকে প্রায় ২৫০ শিশুকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

২০০৬ সালের পর থেকে এ বছরের মে মাসে অভিবাসীর সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সম্প্রতি এল পাসো নামে এক আইনজীবী টেক্সাসের ক্লিন্টে অবস্থিত ওই সেন্টার (যেখানে অভিবাসী শিশুদের রাখা হয়েছে) ঘুরে এসে বিবিসিকে বলেন, জনাকীর্ণ যে ঘরে শিশুদের আটকে রাখা হয়ে তার মাঝখানে রয়েছে খোলা টয়লেট। তার পাশেই শিশুরা খায় এবং ঘুমায়।

কেউ এসব শিশুর খেয়াল রাখে না। অনেক শিশু নিয়মিত গোসলও করে না বলে মন্তব্য করেছেন ওরেগনের উইলমেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওয়ারেন বিনফোর্ড।

তিনি বলেন, সেখানে জীবাণু সংক্রমণ ও ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাব রয়েছে। কোনও প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিই তাদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে নেই। শিশুদের বিচ্ছিন্ন অবস্থায় তালাবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে। অনেকে খুবই অসুস্থ। এখানকার শিশুরা মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে ঘুমায়।

ইলোরা মুখার্জি নামে আরেক আইনজীবী সেন্টারটি ঘুরে এসে বলেছেন, শিশুগুলো সীমান্ত অতিক্রম করার সময় যে পোশাকে ছিল, এখনও একই ময়লা পোশাকে দিন কাটাচ্ছে। যা অত্যন্ত হতাশাজনক এবং অমানবিক। আমেরিকায় এমন হওয়া উচিত না।

এরপর ঘিঞ্জি কমাতে সেখান থেকে একশ শিশুকে অন্যত্র পাঠানো হলেও পরদিনই তাদের আবার সেখানে ফেরত পাঠানো হয়। শিশুগুলো সেখানে সপ্তাহখানেক বন্দী ছিল।

তবে মার্কিন কাস্টমস এবং সীমান্ত সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ বলছে, আমরা সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও আমাদের হেফাজতে থাকা জনগণ, বিশেষ করে শিশুদের সর্বোত্তম সুবিধা দিয়ে থাকি। আমাদের শীর্ষ কর্মকর্তারা বার বার উল্লেখ করেছেন যে আমাদের স্বল্পমেয়াদী ধারণ ক্ষমতার মধ্যে দুর্বল জনগোষ্ঠীকে রাখা সম্ভব না। তাই এ সঙ্কট কাটাতে জরুরি ভিত্তিতে তহবিল প্রয়োজন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র