Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য ১০ নাম

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য ১০ নাম
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য চূড়ান্ত ১০ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির কনজারভেটিভ পার্টি। গত শুক্রবার (৭ জুন) থেরেসা মে আনুষ্ঠানিকভাবে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।

মঙ্গলবার (১১ জুন) আন্তজার্তিক সংবাদমাধ্যমে কনজারভেটিভ পার্টির পদ থেকে আসন্ন নির্বাচনের জন্য ১০ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সোমবার (১০ জুন) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল।

কনজারভেটিভ পার্টির সংসদ সদস্যরা (এমপি) এই দশ জনের মধ্যে থেকে চূড়ান্তভাবে দুই জনকে মনোনীত করতে ভোট দেবেন। এরপর মনোনীত দুই জনের মধ্যে থেকে চূড়ান্ত ভোটাভুটির মাধ্যমে নির্বাচিত করা হবে ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীকে।

মনোনীত দশ জন হলেন- পরিবেশ সচিব মাইকেল গভ, স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক, সাবেক চিফ হুইফ মার্ক হারপার, পররাষ্ট্র সচিব জেরেমি হান্ট, স্বরাষ্ট্র সচিব সাজিদ জাবিদ, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব বরিস জনসন, সাবেক লিডার অফ হাউজ আন্দ্রয়া লিডসম, সাবেক শ্রম ও ভাতা সচিব এস্টার ম্যাকভে, সাবেক ব্রেক্সিট সেক্রেটারি ডোমিনিক র‍্যাব এবং পররাষ্ট্র উন্নয়ন সচিব ররি স্টুওয়ার্ট।

এদিকে জেরেমিক হান্ট, ডোমিনিক রাব, ম্যাট হ্যানকক ও মাইকেল গভ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগেই তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছিলেন। যদিও তারা প্রত্যেকেই চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন।

আগামী ১৩, ১৮, ১৯ ও ২০ জুন সংসদে এমপিরা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দেবেন। পরবর্তীতে ২২ জুলাই বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে পদত্যাগের ঘোষণা দেন থেরেসা মে। একই সাথে তিনি এই পদত্যাগের কারণ হিসেবে ব্রেক্সিট ইস্যুতে নিজের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেন। ২৯ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল যুক্তরাজ্যের। এই চুক্তি অনুমোদনে ব্যর্থ হলে তিনি এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তার স্থলাভিষেক নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

আপনার মতামত লিখুন :

রাখাইনে সামরিক হত্যা বন্ধের প্রতিবাদে সুচির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

রাখাইনে সামরিক হত্যা বন্ধের প্রতিবাদে সুচির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
সুচির সামনেই ছাত্রদের বিক্ষোভ, ছবি: সংগৃহীত

রাখাইন রাজ্যে সামরিক বাহিনীর দ্বারা অব্যাহত হত্যার প্রতিবাদে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে দেশটির ছাত্ররা।

শনিবার (২০ জুলাই) ইয়াংগুন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কাউট নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে ছাত্র বিক্ষোভের সম্মুখীন হন সুচি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কান্তকো গার্ডেনের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে অপেক্ষারত ছাত্ররা সরকারের বিভিন্ন কাজের বিরুদ্ধে প্ল্যাকার্ড দেখায় ও স্লোগান দেয়। ছাত্ররা দেশটির একটি বিশেষ অঞ্চলে সিমেন্ট ফ্যাক্টরি নির্মাণের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেয়।

তারা বিক্ষোভের সময় বলেছিল, 'ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক। সাংবিধানিক অধিকার ৭.৭.৬২ ভুলে যাবেন না। রাখাইনে সামরিক হত্যা বন্ধ কর'।

এর আগে গত ৭ জুলাই একটি মিছিল করার জন্য কিছু তরুণ ছাত্রকে আটক করে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।

ইয়াংগুন বিশ্ববিদ্যালয়ে সুচির সামনে বিক্ষোভরত ছাত্ররা আটক ছাত্রদের মুক্তির দাবি ছাড়াও ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অবসানের দাবি জানায়। এছাড়া রাখাইন রাজ্যে সামরিক বাহিনীর দ্বারা অব্যাহত হত্যা বন্ধের দাবি জানায়।

আং সান সু চি ছাত্রদের দেখানো প্ল্যাকার্ডগুলো পড়ার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে বলেন, 'ছাত্রদের যদি অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়, তবে তারা মুক্তি পাবেন'।

সু চি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাওয়ার পর, ইয়াংগুনের মুখ্যমন্ত্রী ইউ ফায় মিন থিন ৭ জুলাই গ্রেফতার ছাত্রদের নিয়ে আলোচনা করেন।

তিনি বলেন, 'এ দেশে আপনি যদি বিক্ষোভ বা মিছিল করতে চান, তবে আগেই প্রশাসনের অফিসকে জানাতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক দেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের আইন মানতে হবে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য মিয়ানমারের আর্টিকেল ১৯ এর অধীনে আটজন শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়।'

হংকংয়ে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ

হংকংয়ে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ
ছবি: সংগৃহীত

হংকংয়ে সাত সপ্তাহ ধরে চলতে থাকা প্রত্যার্পণ বিলের প্রতিবাদ বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস ছুঁড়ে।

সোমবার (২২ জুলাই) আন্তজার্তিক সংবাদমাধ্যম জানায়, রোববার (২১ জুলাই) দিবাগত রাতে সাদা টি শার্ট ও কালো মাস্ক পরে বিক্ষোভকারীরা হংকং শহরের ইউয়েন লং স্টেশনে ভিড় করতে থাকে। সেখানে বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর করলে পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়। পরে সারারাত ধরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563775603094.jpg
প্রত্যার্পণ বিলের প্রতিবাদে গত ৩ জুলাই থেকে হংকংয়ের সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ শুরু করে 

 

হংকং ইনফরমেশন সার্ভিস বিভাগের মতে, সহিংসতায় আহত ৪৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং ৫/৬ জনের অবস্থা সংকটপূর্ণ।

এদিকে, প্রত্যার্পণ বিলের প্রতিবাদে গত ৩ জুলাই থেকে হংকংয়ের সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষোভ চলাকালীন সময়ে পুলিশের সঙ্গে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে গতকালের সংঘর্ষ ছিলো আগের থেকে অনেক বেশি ভয়াবহ। এর আগে সকালে বিক্ষোভকারীরা কালো পোষাকে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। 

আরও পড়ুন:

হংকংয়ে পার্লামেন্ট ভবন ভাঙচুর

গণবিক্ষোভের মুখে হংকংয়ে সরকারি দফতর বন্ধ ঘোষণা

চীনের প্রত্যর্পণ বিলের প্রতিবাদে নতুন ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র