Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভারত, চীন ও রাশিয়া জলবায়ু দূষণ নিয়ে সচেতন না: ট্রাম্প

ভারত, চীন ও রাশিয়া জলবায়ু দূষণ নিয়ে সচেতন না: ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্র্যাম্প, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের জন্য চীন, রাশিয়া ও ভারতকে দায়ী করেছেন।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম আইটিভি’র দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বায়ু ও পানি দূষণ রোধে এই দেশগুলো সচেতন নয় বলে মন্তব্য করেন।

ট্রাম্পের যুক্তরাজ্যে সফর ও যুবরাজ প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তার সাক্ষাৎকার বিষয়ে জিজ্ঞাসা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

যুবরাজের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টার এই সাক্ষাৎকারে বেশিরভাগ সময় জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কথা হয় বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ু দূষণ রোধে সচেতন এবং এটির সচেতনতা  আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।

ট্রাম্প বলেন ভারত, চীন ও রাশিয়ার মতো দেশগুলো দূষণ ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতন না। পাশাপাশি পানি, বায়ু ও পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কাজ করার তাগিদও তারা অনুভব করে না। 

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি নাম উল্লেখ না করেই বলছি, আপনি যদি এইসব দেশের শহরগুলোতে যান তাহলে আপনি নিঃশ্বাস পর্যন্ত নিতে পারবেন না। এমনকি তারা দায়িক্ত পালনেও উদাসীন।’

যুক্তরাজ্যে ট্রাম্পের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সোমবার রানি এলিজাবেথ এবং যুবরাজ চার্লসের সাথে দেখা করেন তিনি।

সেখানে যুবরাজের সঙ্গে জলবায়ু দূষণ রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা ও প্রতিকার নিয়েও কথা বলেন। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্যারিস চুক্তিতে দ্বিমত পোষণ করে বলেন, ‘এটি নিয়ে পুনরায় আলোচনার প্রয়োজনীয়তা তিনি দেখেন না।’

প্যারিস চুক্তি ছিল ২০১১ সালে ইউএনএফের ১৮৬টি দেশ নিয়ে বৈশ্বিক জলবায়ু সচেতনতা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি রোধে একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিপত্র।

সূত্রঃ এনডিটিভি

 

 

 

 

 

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

মিয়ানমারে কফি শিল্পে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা

মিয়ানমারে কফি শিল্পে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা
বিদেশি ক্রেতা ও মিয়ানমারের কফি সংস্থার মাঝে আলোচনা অনুষ্ঠান, ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের কফি উৎপাদন ও বিশ্ববাজারে বিক্রি করতে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা (ইউএসএআইডি) মিয়ানমারে কফি অ্যাসোসিয়েশনের (এমসিএ) সঙ্গে অংশীদারিত্ব ঘোষণা করেছে।

এর ফলে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১০ লাখ ডলার ঋণ অনুদান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

মিয়ানমারে ইউএসএআইডি মিশন ডিরেক্টর তেরেসা ম্যাকগি বুধবার (১৭ জুলাই) ইয়াংগুনে এক হোটেলে এ ঘোষণা দেন। সেখানে ৩০টির বেশি বিদেশি ক্রেতা ও মিয়ানমারের ১১টি কফি সংস্থার মাঝে আলোচনা হয়।

ম্যাকগি বলেন, 'ইউএসএআইডি এবং আমেরিকাবাসী হিসেবে কফি সেক্টরে বিশেষ করে মিয়ানমারের ব্যক্তিগত সেক্টরে অবদান রাখার জন্য গর্বিত। যেহেতু এই বেসরকারি উদ্যোগগুলো বাড়ছে, অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও বেশি মানুষ উপকৃত হবে। মিয়ানমারের অর্থনীতি আরও বেশি বলিষ্ঠ হবে।'

কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড: পাকিস্তানকে রায় পুনর্বিবেচনার নির্দেশ

কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড: পাকিস্তানকে রায় পুনর্বিবেচনার নির্দেশ
ভারতের সাবেক নৌসেনা কুলভূষণ যাদব

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ভারতের সাবেক নৌসেনা কুলভূষণ যাদবকে পাকিস্তানের সামরিক আদালতে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা করতে বলেছে আন্তর্জাতিক আদালত।

বুধবার (১৭ জুলাই) হেগের এই আদালতের ১৬ বিচারকের প্যানেল সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতামতের ভিত্তিতে এ রায় ঘোষণা করে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, রায় পুনর্বিবেচনা না করা পর্যন্ত কুলভূষণ যাদবের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত থাকবে। পাশাপাশি তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে ভারতীয় কূটনীতিকদের।

ভারতের অভিযোগের সঙ্গে একমত হয়ে আন্তর্জাতিক আদালত জানায়, সামরিক আদালতে সাজাপ্রাপ্ত নৌসেনাকে কনস্যুলার অ্যাক্সেস না দিয়ে ভিয়েনা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান।

রায়ে আরও বলা হয়, কুলভূষণ যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ করা, আটক আবস্থায় তার সঙ্গে দেখা করা এবং তার জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার থেকে ভারতকে বঞ্চিত করেছে পাকিস্তান।

মোট ১৬ জনের রায়ের মধ্যে ৫ জনের রায়ই ভারতের পক্ষে যায়। মাত্র একজন বিচারপতি ছিলেন পাকিস্তানের। এমনকি, চীনের বিচারপতিও ভারতের পক্ষেই রায় দেন।

ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কুলভূষণকে ২০১৬ সালের মার্চ মাসে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। বেলুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহে মদদ দেওয়া এবং ভারতের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।

ভারতের দাবি, কুলভূষণ তার ব্যবসার কাজে ইরানে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাকে অপহরণ করে পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়।

পাকিস্তানের সামরিক আদালত ২০১৭ সালের এপ্রিলে কুলভূষণকে মৃত্যুদণ্ড দিলে সেই রায়ের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে যায় ভারত।

সূত্র: এনডিটিভি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র