Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

'বার্মার বিন লাদেন'কে গ্রেফতারের নির্দেশ

'বার্মার বিন লাদেন'কে গ্রেফতারের নির্দেশ
মিয়ানমারের আলোচিত বৌদ্ধ ভিক্ষু অশ্বিন উয়িরাথু, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশদ্রোহিতার এক মামলায় মিয়ানমারের বৌদ্ধ ভিক্ষু অশ্বিন উয়িরাথু’র বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য আলোচিত কট্টর এই মুসলিম-বিদ্বেষী।

দেশটির রাজধানী ইয়াঙ্গুনের একটি আদালত বুধবার (২৯ মে) তাকে গ্রেফতারের আদেশ দেয়। দোষী সাব্যস্ত হলে অন্তত তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে তার।

সম্প্রতি মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির সরকারকে 'দুর্নীতিবাজ' বলে আখ্যায়িত করেন অশ্বিন উয়িরাথু। সুচি সেনাবাহিনীর ক্ষমতা খর্ব করতে চাইছেন বলেও মন্তব্য তার।

অশ্বিন উয়িরাথুর বিরুদ্ধে মুসলিম, বিশেষ করে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ আছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউবে এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি সরাসরি মুসলমানদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কথা বলতেন। এমনকি মুসলমানদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করার আহবানও জানিয়েছিলেন তিনি।

বহু আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ আছে। বিশেষ করে মুসলিমদের বিরুদ্ধে তিনি সর্বদাই সোচ্চার ছিলেন। ২০০১ সালে মুসলিম-বিরোধী এবং জাতীয়তাবাদী উগ্রপন্থী সংগঠন ‘৯৬৯ গ্রুপ’ গঠন করেন।

তার এহেন কর্মকাণ্ডের জেরে ২০০৩ সালে তাকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অন্যান্য রাজবন্দীর সাথে ২০১০ সালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

২০১২ সালে রাখাইন রাজ্যে মুসলমান ও বৌদ্ধদের মধ্যে দাঙ্গা শুরু হলে তিনি জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়ে তা উস্কে দেন। তখন থেকেই আলোচনায় আসে আশ্বিন উয়িরাথু।

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার কারণে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালে তাকে নিষিদ্ধ করে।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো- এই বৌদ্ধ ভিক্ষু নিজেকে 'বার্মার বিন লাদেন' হিসেবে স্বীকার করেছিলেন! তাকে নিয়ে ২০১৩ সালের ১ জুলাই টাইম ম্যাগাজিন ‘একজন বৌদ্ধ সন্ত্রাসীর প্রতিমূর্তি’ শিরোনামে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করে।

সূত্র: বিবিসি।

আপনার মতামত লিখুন :

ট্রাম্পকে 'বর্ণবাদী' বললেন থেরেসা মে

ট্রাম্পকে 'বর্ণবাদী' বললেন থেরেসা মে
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে, ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা এক টুইটের নিন্দা জানিয়ে তাকে 'বর্ণবাদী' বলে তিরস্কার করেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ট্রাম্পের করা টুইটে নারী সদস্যদের অবমাননা করার পরিপ্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেন থেরেসা মে। 

সূত্র জানায়, রোববার (১৪ জুলাই) ট্রাম্প তার এক টুইটে মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট দলের নারী সদস্যদের 'বিদেশি বংশোদ্ভূত' বলে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।

ট্রাম্প আরও বলেন, ডেমোক্র্যাট দলের নারী সদস্যদরা এমন দেশ থেকে এসেছেন যেখানে সবচেয়ে অযোগ্য ও দুর্নীতিবাজ সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এখন তারা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দেশে এসে বলছে আমাদের কিভাবে সরকার পরিচালনা করতে হবে। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563201679935.jpg
মার্কিন কংগ্রেসের বিদেশি বংশোদ্ভূত নারী সদস্যরা 

 

'তারা কেন ফিরে যাচ্ছে না এবং নিজেদের অপরাধ প্রবণ দেশগুলো ঠিক করার কাজ করছে না। ওখানে আপনাদের প্রয়োজন। যত দ্রুত সম্ভব চলে যান।'- বলেও তিনি তাগিদ দেন। 

মার্কিন কংগ্রেসের বিদেশি বংশোদ্ভূত নারী সদস্যদের কয়েকজন হলেন সোমালিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ইলহান ওমর, ফিলিস্তিন থেকে আসা রাশিদা তালিব এবং পোর্টোরিকো বংশোদ্ভূত আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাজিও কর্টেজ।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের এই টুইটের সমালোচনা শুরু হয়েছে।

হিমাচলে ভবন ধসে ১৩ সেনা নিহত

হিমাচলে ভবন ধসে  ১৩ সেনা নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের হিমাচল প্রদেশে একটি চারতলা ভবন ধসে ১৩ সেনাসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন স্থানীয় বাসিন্দা রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে হিমাচল প্রদেশের শিমলার সোলান এলাকায় এই ভবন ধসের এই ঘটনাটি ঘটে।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মুখ্যমন্ত্রী শোক প্রকাশ করে বলেন, 'ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবনটি নিয়ম মেনে নির্মাণ করা হয়নি।'

অঞ্চলটির উপ-কমিশনার কে সি চমন বলেন, 'নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।'

সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন ধরে ভারী বর্ষণের ফলে হিমাচল প্রদেশে ভূমি ধসের ঘটনা ঘটছে। রোববার বিকেলে কিছু ভারতীয় সেনা উত্তরাখণ্ডে যাওয়ার পথে খাবার খেতে ওই রেস্তোরাতে যান। এসময় হঠাৎ ভবনটি ধসে পড়ে। ভবনের নিচে কমপক্ষে ৪২ জন সেনা চাপা পড়েন। বর্তমানে সিআরপিএফের উদ্ধারকারী একটি দল উদ্ধার কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র