Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাঁচার আশায় শিক্ষার্থীরা ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে

বাঁচার আশায় শিক্ষার্থীরা ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে
ভারতে চারতলা ভবনে আগুন, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নরেন্দ্র মোদির রাজ্য গুজরাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগের বয়স ১৪-১৭ বছর। এ সময় বহু শিক্ষার্থী নিজেদের বাঁচাতে ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে।

শুক্রবার (২৪ মে) স্থানীয় সময় বিকাল ৩.৩০ মিনিটে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, চারতলা ওই ভবনের ওপরের তলায় একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা সেখানে কোচিং করত। ঘটনার সময় দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা তাদের বোর্ড পরীক্ষার জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

আগুন লাগার পরপরই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা দ্রুত বিল্ডিং থেকে ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ভয় ও আতঙ্কে কিছু শিক্ষার্থী ছাদে গিয়ে আশ্রয় নেয়। এ সময় নিজেদের বাঁচাতে অনেকেই ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে। নিহতদের বেশিরভাগ ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ার কারণে মৃত্যুবরণ করে।

আরও পড়ুন: গুজরাটে চারতলা ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৯

ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ার কয়েকটি ভিডিও দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

টাক্সিলা কমপ্লেক্স নামের ওই বিল্ডিংয়ের উপরের দুইটি তলায় আগুন লাগে। ধারণা করা হচ্ছে প্রথম একটি তালায় আগুন লাগে। পরে সেটা ওপরের তলায় ছড়িয়ে পড়ে।

সুরাতের এমপি দর্শনা জারদোশ জানান, আগুন লাগার পরপরই আশপাশের মানুষ উদ্ধার কাজে নেমে পড়েন। এ সময় তারা ছাদে আশ্রয় নেয়া শিক্ষার্থীদের নিচে ঝাপ দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তাদের কথায় আশ্বস্ত হয়ে অনেক শিক্ষার্থী ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে এবং নিচে থাকা জনতা তাদের উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে কিছু শিক্ষার্থীকে আশঙ্কা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক অবস্থায় আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। আগুন লাগার পরপরই বাড়ির মালিক পালিয়ে যায়।

রাজ্য সরকার প্রত্যেক নিহতের পরিবারকে ৪ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারতে ভারী বৃষ্টিতে নিহত ৩০

ভারতে ভারী বৃষ্টিতে নিহত ৩০
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখন্ড ও পাঞ্জাব রাজ্যে ভারী বৃষ্টিতে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ২২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, রোববার (১৮ আগস্ট) সারদিন ভারী বৃষ্টিপাতের পর যমুনাসহ অন্যান্য নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হওয়ায় দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশে আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাজ্যটির শিমলা, সোলান, কুল্লু ও বিলাসপুর জেলার সব স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় ভূমিধসের ঘটনায় কালকা ও শিমলার মধ্যে ট্রেন ও বাস চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

এদিকে হিমাচল প্রদেশে বৃষ্টিতে এখনও পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যু ও ৯ জন আহত হয়েছেন। মৃত দুজন নেপালি নাগরিক বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।  

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) প্রবল বৃষ্টিতে হিমাচল প্রদেশে বিদেশি পর্যটকসহ  ২৫ জন   আটকে পড়েন। দুই দিন খাবার ও আশ্রয়বিহীন অবস্থায় আটকে থাকার পর রোববার তাদের উদ্ধার করা হয়। 

রাজ্যে সরকারের কর্মকর্তারা জানান, উত্তরকাশী জেলার মোরি ব্লকে হড়কা বানে কয়েকটি গ্রামের বেশ কিছু বাড়ি ভেসে যায়। দেরাদুন জেলায় গাড়ি নদীতে পড়ে এক নারী ভেসে গেছে ও পাঞ্জাবে বাড়ির ছাদ ধসে ৩ জন নিহত হন।

ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাঞ্জাব ও হরিয়ানায়বন্যা দেখা দিয়েছে। ফলে  কর্তৃপক্ষ এখানে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।

হংকংয়ে লক্ষাধিক বিক্ষোভকারীর সমাবেশ

হংকংয়ে লক্ষাধিক বিক্ষোভকারীর সমাবেশ
হংকংয়ের রাস্তায় বিক্ষোভকারীরা, ছবি: সংগৃহীত

হংকংয়ের রাস্তায় এক লাখেরও বেশি বিক্ষোভকারী শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করেছে। রোববার (১৮ আগস্ট) বৃহৎ এ সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে অঙ্গীকার করে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ৯ জুন থেকে চীনের প্রত্যর্পণ বিলের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভে হংকংয়ের ছাত্র-শিক্ষক, ব্যবসায়ী, আইনজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। ১১ সপ্তাহ ধরে চলমান এ বিক্ষোভে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলে হতাহতের ঘটনাও ঘটে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, হংকংয়ের গণতন্ত্র সংস্কার ও তাদের সঙ্গে পুলিশের করা বর্বরতার বিচারের দাবি নিয়ে তারা উপস্থিত হয়েছেন।

এদিকে, বিক্ষোভকারী সংগঠন দাবি করেন রোববারের এ সমাবেশে ১৭ লাখের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। যেখানে হংকং সরকার বলছে এক লাখ ২৮ হাজারের মতো মানুষ সমবেত হয়।   

আরও পড়ুন: হংকংয়ে পার্লামেন্ট ভবন ভাঙচুর

গতসপ্তাহে ৯ আগস্ট বিক্ষোভকারীরা হংকংয়ের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থান নেওয়ার ফলে বাতিল করা হয় হংকং থেকে ছেড়ে যাওয়া সবকটি ফ্লাইট। এরই পরিপ্রেক্ষিতে চীন সরকার এ বিক্ষোভকে সন্ত্রাসের নামান্তর বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: হংকং বিমানবন্দরের ফ্লাইট বাতিল

উল্লেখ্য, চীনের প্রস্তাবিত প্রত্যর্পণ বিলের বিরুদ্ধে হংকংয়ের সাধারণ মানুষ রাস্তায় সমবেত হয়। দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলমান এ বিক্ষোভ ক্রমশ আরও বড় আকার ধারণ করে। বিক্ষোভকারীরা হংকংয়ে চীনা শাসনের ২২তম বর্ষপূর্তিতে পার্লামেন্ট ভাঙচুর করে। বিক্ষোভ অন্যদিকে মোড় নিলে হংকং সরকার বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল স্থগিত করে। এমনকি হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম প্রত্যর্পণ বিলকে 'মৃত' বলে ঘোষণা দেন। বর্তমানে এ বিক্ষোভ হংকং সরকার বিরোধী আন্দোলন হিসেবে রূপ নিয়েছে। 

আরও পড়ুন: হংকংয়ে বিক্ষোভ: ক্যারি ল্যামের পদত্যাগ দাবি

গণবিক্ষোভের মুখে হংকংয়ে সরকারি দফতর বন্ধ ঘোষণা

চীনের প্রত্যর্পণ বিলের প্রতিবাদে নতুন ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র