Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে'র পদত্যাগ

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে'র পদত্যাগ
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন থেরেসা মে, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রেক্সিট নিয়ে টানাপোড়েনের পর আর ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারলেন না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে।

শুক্রবার (২৪ মে) তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও আগামী ৭ জুন থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে।

আগামী ৭ জুন কনজাভেটিভ দলের দলের পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়াবেন বলে ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে দলটিতে তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন এই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে'র পদত্যাগ

ঘোষণাকালে মে বলেন, ‘আমি পেছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছি। আমি কিছু সুবিধাভোগীর জন্য নয় পুরো ব্রিটিশের নাগরিকের জন্য কাজ করতে সংগ্রাম করেছি। আমি গণভোটের যে রায় আমার পক্ষে ছিল সেটা সম্মান জানাই।‘

তিনি বলেন, 'বেক্সিট সফল করতে আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। কিন্তু পর পর তিনবার ব্যর্থ হয়েছি।' এর আগে গত মে মাসে টোরি এমপিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মের এক বৈঠকের পরই পদত্যাগের বিষয়ে সম্মতি জানান তিনি। পরবর্তী নির্বাচনের সময়সীমাও জানিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের রাজনীতি কিছুটা চাপে রয়েছে। কিন্তু এখানে অনেক ভালো কিছু রয়েছে।‘ এ সময় তিনি বিদ্বেষ নিয়ে পদত্যাগ করছেন না বলেও মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, ব্রিটেনের দ্বিতীয় নারী হিসেবে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গত ৩ বছর ধরে ব্রেক্সিট নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়েন মে। এই নিয়ে দেশটির পার্লামেন্টে বেশ কয়েকবাড় ভোটাভুটিও হয়েছে। এতে কয়েকবার মের পক্ষে রায় গেলেও পার্লামেন্টে নিয়মিত তোপের মুখে ছিলেন তিনি। এতে অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন যেকোনো সময়ই পদত্যাগ করতে পারেন মে।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র