Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবক খুনের রহস্য উন্মোচন

মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবক খুনের রহস্য উন্মোচন
সংবাদ সম্মেলন করেছে মালদ্বীপ পুলিশ, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

গত এপ্রিলে উলিগান দ্বীপ থেকে লুৎফর নামে এক বাংলাদেশি নিখোঁজ হয়েছিলেন। এ মাসে কুরিমাগুতে পানির নিচে তার মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায়।

মালদ্বীপ পুলিশ জানিয়েছে, সহকর্মীকে সমকামিতার জন্য জোর করায় খুন হন লুৎফর।

কুরিমাগুতে একটি নৌকায় ওই ব্যক্তির সঙ্গে যে চারজন ছিলেন, তাদের আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) পুলিশের সুপারিনটেন্ডেন্ট হাসান শিফাউ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, লুৎফরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং মরদেহের সঙ্গে ভারী বস্তু বেঁধে সাগরে ফেলে দেওয়া হয়। সাগরের ২৭ মিটার গভীরে তার কঙ্কাল পাওয়া যায়। পাথর বোঝাই ব্যাগ এবং বেধে রাখার দড়িও পাওয়া যায়।

পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের প্রধান সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সামিহ বলেন, আটক তিনজনই খুন করার কথা স্বীকার করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা আদালতকে হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।

Lutfar
লুৎফরের কঙ্কাল, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

লুৎফর মালদ্বীপে শেফ হিসেবে কাজ করতেন। গত ২২ এপ্রিল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এরপর সন্দেনভাজন হিসেবে আলামিন এবং নূরুল ইসলাম নামে দু’জনকে আটক করা হয়। এরপর আতহার ও হানিফ নামে দুই সহোদরকেও আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা জানান, লুৎফর তাদের সঙ্গে যৌন সর্ম্পক করতে চাওয়ায় তারা তাকে হত্যা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গোটা দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী একজন

গোটা দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী একজন
গোটা দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী একজন, ছবি: প্রতীকী

আবদেল আদহিম হাসান রোববার (২৩ জুন) সুদানের মোবাইল অপারেটর ‘জেইন সুদানের’ বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ায় সফল হন। ফলে দেশটিতে শুধুমাত্র তিনিই একজন ব্যক্তি যিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন।

তিনি জানান, এই মামলার রায় শুধু তার জন্য ফলপ্রসূ হয়েছে। কেননা এখন শুধু মাত্র তিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন। পেশায় একজন আইনজীবি হওয়ায় তিনি নিজ উদ্যোগেই মামলাটি দায়ের করেছেন। তবে আগামী মঙ্গলবার তিনি দেশের সব জনগণের ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে আদালতে যাবেন।

এর আগে নিরাপত্তা ইস্যুতে সুদানে বিক্ষুব্ধ জনতাকে প্রতিরোধ করতে সামরিক বাহিনী ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয়।

গত এপ্রিল মাসে দীর্ঘ সময় ধরে সুদানের ক্ষমতায় থাকা নেতা ওমর আল-বাশিরের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের পর সামরিক শাসন ক্ষমতা দখল করে। কিন্তু দেশটির মানুষ চায় একটি গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা।

তিনি আশা প্রকাশ করে বিবিসে জানান, আরও দুইদিন আদালতে শুনানি আছে। আশা করি এ সপ্তাহের মধ্যে আরও এক মিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট সেবা পাবেন।

সুদানের সামরিক বাহিনীর নির্দেশে নিরাপত্তা ইস্যুতে দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তিন সপ্তাহ ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার ফলে দেশটির অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং আফ্রিকার প্রায় ৪০ মিলিয়ন মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত ঘটেছে।

সূত্র: বিবিসি

ইস্তাম্বুলের জয় এক নতুন সূচনা

ইস্তাম্বুলের জয় এক নতুন সূচনা
ইস্তাম্বুলের জয়, এক নতুন সূচনা, ছবি: সংগৃহীত

ইস্তাম্বুলের জয়, এক নতুন সূচনা; এটাই ছিলো ইস্তাম্বুলের নবাগত মেয়র ইকরাম ইমামোগলুর প্রতিশ্রুতি। নবনির্বাচিত মেয়র ইমামোগলুর স্লোগান 'এভরিথিং উইল বি গ্রেট' -এখন তুরস্কের ইস্তাম্বুলের  প্রত্যেক মানুষের মুখে মুখে।

গত ৩১ মে'র নির্বাচনে ইকরাম ইমামোগলুর জয়ের জন্য ক্ষমতাসীন একে পার্টি মোটেও প্রস্তুত ছিলো না। সেই নির্বাচনকে প্রত্যাহার করে, পুনরায় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া ছিলো চূড়ান্ত বোকামি।
গত রোববার (২৩ জুন) পুনরায় মেয়র নির্বাচনের ফলাফল এমনটাই প্রমাণ করে। যেখানে সাত লাখেরও বেশি ভোটের বিরাট ব্যবধানের ইমামোগলুর জয় ইস্তাম্বুলের সাধারণ মানুষের জন্য ছিল এক নতুন দিগন্তের সূচনা।

ইমামোগলুর জয়ের পুনরাবৃত্তিতে বিরোধীদল শুধু আশাহত নয়, নিজেদের অবস্থানও নড়বড় হয়েছে। ইস্তাম্বুলের নির্বাচন তুরস্কের গণতন্ত্রের জন্য ছিলো প্রাণবন্ত এক নিঃশ্বাসের মতো, যেখানে ব্যালট বাক্সের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিলো। পুনরায় দেওয়া নির্বাচনে ব্যালট বক্সের স্বাধীনতা বেঁচে থাকবে কিনা সেটা নিয়ে সবাই ছিল উদ্বেগ। গণতন্ত্র রক্ষার্থে মানুষের প্রার্থনা করা ব্যতিত আর কিছুই করার ছিলো না। কিন্তু এই নির্বাচন শুধুমাত্র ব্যালট বাক্সের স্বচ্ছতা প্রকাশ করেনি, একই সঙ্গে একটি সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছে  ইস্তাম্বুলের স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধার করে।

এরদোয়ান তার ১৬ বছরের ক্ষমতায় তুরস্কের রাজনীতিতে একটি ছায়া এঁকে দিয়েছেন। তার করা অগণিত ভুলকে যেন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। যা আর জন্ম দিয়েছে ব্যাপক সমালোচনার।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এক ব্যক্তির শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুর্নীতিকে ইস্তাম্বুলের সাধারণ  মানুষ প্রশয় দিতে নারাজ সেটার অকট্য প্রমাণ এই নির্বাচন। একই সঙ্গে এরদোয়ানের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো এই জয় প্রতিরোধ করা অসম্ভব। শুধু তাই নয় এরদোয়ানের দলের জন্যও এ ভোট পূর্ব সতর্কবার্তা।   

এরদোয়ান নিজে এই নির্বাচনে প্রতিযোগী না হলেও, তার প্রার্থীর এই পরাজয় পক্ষান্তরে তার দলকেই বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে। তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্থ গণতন্ত্র ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকেই ইঙ্গিত করেছে ইস্তাম্বুলের মানুষ।

ইস্তাম্বুল এরদোয়ানের জন্ম শহর। ইস্তাম্বুলেই তার রাজনৈতিক এবং কর্মজীবন শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতাই তার করা এক মন্তব্যে নিজেই ফেঁসে গিয়েছেন। তার মন্তব্যেটি ছিলো 'যে ইস্তাম্বুল জয়ী হবেন, সেই তুর্কি জয়ী হবেন'। এরদোয়ান শুধুমাত্র তুরস্কের প্রতিনিধিত্ব করে না, নিজের জন্মস্থান ইস্তাম্বুলেরেও প্রতিনিধিত্ব করেন। সেখানে নিজের নিয়ন্ত্রণ হারানো অর্থাৎ তুরস্কের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠানকেই হারিয়ে ফেলার ইঙ্গিত দেয়।

ইমামোগলুর জন্যও ছিল এটি একটি অনেক বড় সুযোগ যেখানে সে তার প্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে তার জবাব দিয়েছেন। এই নির্বাচনে ছিলো তার নিরব প্রচারণা আর আশাবাদী  মনোভাব। যা বিকল্প ধারার নির্বাচনের জন্ম দিয়েছে।

ইস্তাম্বুল জুড়ে চলছে বিরোধীদলের জয়ের উৎসব উদযাপন। ইমামোগলু তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, অবশ্যই আমরা অনেক খুশি হয়েছি কিন্তু খুশি হওয়ার মানে এই নয় যে কারো মন ভেঙে আমরা খুশি হয়েছি। এটা কোন জয় নয়। এটা কেবল একটা নতুন শুরুর সূচনা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র