Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বুদ্ধ পূর্ণিমায় সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গে নিরাপত্তা জোরদার

বুদ্ধ পূর্ণিমায় সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গে নিরাপত্তা জোরদার
ভারতের পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা করছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বুদ্ধ পূর্ণিমায় (১২ মে, রোববার) ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে- ভারতীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থার এমন আশঙ্কার পর রাজ্যটিতে উচ্চ পর্যায়ের সতকর্তা জারি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস এর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়।

আগামীকাল রোববার (১২ মে) ভারতের চলমান লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) বিবৃতিতে বলা হয়, জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) অথবা ইসলামিক স্টেট (আইএস) দ্বারা এ জিহাদি হামলার সম্ভাবনা রয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থা আইবি জানায়, গর্ভবতী মহিলার বেশ ধরে অবিভক্ত বাংলার হিন্দু অথবা বৌদ্ধদের মন্দিরে এ হামলা হতে পারে। অবিভক্ত বাংলা বলতে ভারতের পশ্চিম বাংলা ও বাংলাদেশকে বোঝানো হয়েছে।

সূত্র জানায়, শুক্রবার (১০ মে) বিকালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে একটি সতর্ক বার্তা পেয়েছে। সতর্ক বার্তা পরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ হিন্দু ও বৌদ্ধদের মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়িয়েছে।

ভারতীয় জি নিউজের প্রতিবেদনেও বলা হয়, এই হামলা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অথবা বাংলাদেশে হতে পারে।

এদিকে গত ২৭ এপ্রিল আইএস একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে বাংলায় লেখা ‘শীঘ্রই আসছে….’ একটি পোস্টার প্রকাশ করে। এই পোস্টার প্রকাশিত হওয়ার পরও বাংলা ভাষী এলাকায় আইএস-এর হামলার আশঙ্কা করা হয়।

পরবর্তীতে, বাংলাদেশের জঙ্গি দমন নিয়ে কাজ করা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের পক্ষ থেকে বলা হয়, আইএস যদি হামলার কথা বলেও থাকে, এটা নতুন কিছু না। এর আগেও এ ধরণের হামলার কথা বলেছেন। তবে বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি হামলার হুমকি নেই।

আরও পড়ুন: ‘শীঘ্রই আসছে' আইএস'র গান, নাকি হামলা?

আপনার মতামত লিখুন :

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম গ্রেফতার

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম গ্রেফতার
পি চিদাম্বরম

ভারতের সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমকে আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় গ্রেফতার করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) সিবিআই।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে নয়াদিল্লিতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। চিদাম্বরমের বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে সিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেফতার করেন।

এর আগে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট চিদাম্বরমের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ভারতের সাবেক এই অর্থমন্ত্রী। কিন্তু মামলাটি প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে পাঠানোয় গ্রেফতারি এড়াতে পারেননি তিনি।

পি চিদাম্বরম ২০০৭ সালে ভারতের অর্থমন্ত্রী থাকাকালে ‘ফরেন ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন বোর্ড’ (এফআইপিবি)-এর কাছে বিদেশি লগ্নির আবেদন করেছিল আইএনএক্স মিডিয়া। লগ্নির অর্থ সহযোগী সংস্থাগুলোতেও বিনিয়োগের অনুমতি চেয়েছিল তারা।

তবে লগ্নি অনুমোদন করলেও সেই অর্থ সহযোগী সংস্থায় বিনিয়োগে সায় দেয়নি এফআইপিবি। ওই নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করায় আইএনএক্স মিডিয়ার বিপক্ষে দাঁড়ায় ভারতীয় আয়কর দফতর।

এরপর আইএনএক্স মিডিয়ার যুগ্ম প্রতিষ্ঠাতা পিটার ইন্দ্রাণী ও অনান্যরা চিদাম্বরমের ছেলে কার্তি চিদাম্বরমের কোম্পানির দ্বারস্থ হন। সেই সময় অর্থের বিনিময়ে আইএনএক্স মিডিয়াকে ছাড়পত্র পাইয়ে দিয়েছিলেন কার্তি। পি চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ছেলের সংস্থার হয়ে আইএনএক্সকে অন্যায় সুবিধা দিয়েছিলেন।

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চীন ও জাপানের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পেরে এখন বিপাকে মিয়ানমার। এই দুই দেশ ছাড়াও আরও প্রায় ২০টি দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে দেশটি।

যৌথ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছে।

কমিটি বলেছে স্বরাষ্ট্র, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচ; পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শিল্প এসব খাতে ১০.২ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার।

এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে এ বছর ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ যা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্য অর্থ।

২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে যা দেশটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচখাতে ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমার জাপানের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার যোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার। এ সুদের হার ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ। উচ্চতর সুদের হার ও মিয়ানমারে নিম্নমূল্যের মুদ্রা দেশের উপর একটি ভারী বোঝা সৃষ্টি করেছে। এই জাতীয় ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চতর সুদের হার, দুর্বল কায়াত এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে সরকারী অর্থায়নে ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বেশ কিছু ব্যর্থ প্রকল্প রয়েছে যারা ঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সেচের জন্য বিতরণের পরে কর্পোরেট প্রশাসনকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটি না করার ফলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র