Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

নরেন্দ্র মোদি একজন ঘৃণা ভরা মানুষ: রাহুল

নরেন্দ্র মোদি একজন ঘৃণা ভরা মানুষ: রাহুল
নরেন্দ্র মোদি ও রাহুল গান্ধী, ছবি: সংগৃহীত
খুররম জামান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

নরেন্দ্র মোদি ব্যক্তিগতভাবে একজন ঘৃণা ভরা মানুষ। আমি যখনই তার সঙ্গে জনসম্মুখে দেখা করেছি, তখন ভালবেসে করেছি। সম্মানের সঙ্গে করেছি। কিন্তু তিনি এটির প্রতিক্রিয়া সঠিকভাবে দেন না, ঘৃণা ভরে দেন।

কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী শনিবার (১১ মে) মধ্যপ্রদেশে এক জনসভা শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।

রাহুল বলেন, যে বিচারধারা ভারতের মধ্যে ঘৃণা ছড়াচ্ছে, আমরা তার বিরুদ্ধে লড়ছি। আরএসএসের বিচারধারা হল-একটি মাত্র সংগঠন এ দেশ চালাবে। আমরা এর বিরুদ্ধে লড়াই করছি। আজ দেশে সব প্রগতিশীল ও মুক্তমনা দল একত্রিত হয়েছে বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে।

উদাহরণ স্বরূপ বলতে পারি, উত্তর প্রদেশে মায়াবতী ও অখিলেশের জোটে আমরা নেই। কিন্তু সবাই আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ে নেমেছি, যোগ করেন রাহুল।

তিনি বলেন, এ দেশ প্রেমের দেশ। এ দেশের প্রেমের আদর্শই জয়ী হয়েছে। এ দেশে যা অর্জন হয়েছে তা প্রেমের মাধ্যমেই হয়েছে। রাজিব গান্ধী, ইন্দিরা গান্ধী ও নেহেরুজি সম্পর্কে নেতিবাচক কথা বলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু আমি তাদের সত্য জানি। তাই কেউ  উল্টাপাল্টা কথা বললে তাতে আমার কিছুই যায় আসে না।

কংগ্রেস সভাপতি বলেন, পাঁচ বছর আগে নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে বলা হচ্ছিল, তাকে কেউ হারাতে পারবে না। কিন্তু আজ তা বদলে গেছে। আর এ বদলের জন্য লড়াই করেছে কংগ্রেস। তাই কথায় কথায় কংগ্রেসকে আক্রমণ করছে মোদি। মোদির বিরুদ্ধে কংগ্রেস লড়াই করেছে বলেই এটা হচ্ছে। এটি সহজ ছিল না, কিন্তু আমরা এক ইঞ্চিও পিছু হটিনি। আমরা সংসদে, গ্রামে, শহরে লড়াই করেছি। ২৩ মে লোকসভা নির্বাচনের ফল হবে। জনতা দেশের মালিক। তারা যে রায় দেবে, তাই আমি মেনে নেব।

রাহুল বলেন, ১৯৯০ সালে যে অর্থনৈতিক মডেল কংগ্রেস সরকার দিয়েছিল, তা আবার আমরা ২০০৪ সালে কংগ্রেস ক্ষমতায় এসে প্রয়োগ করি। ২০০৯ সালেও তাই ভালভাবে চলেছে। কিন্তু আমাদের দেওয়া মডেলই ২০১২ সালে আর চলছিল না। কারণ, বিশ্ব তখন অনেক বদলে গেছে। এটি নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংহের সঙ্গে আমার কথা হয়। মজার কথা হল- যেটি ২০১২ সালে চলছিল না, ২০১৪ সালে মোদি এসে সেটিই পিক করেছেন।

নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না বলে অভিযোগ করেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদি যা খুশি বলতে পারেন, কিন্তু একই কথা অন্য কেউ বললে তাকে শাস্তি পেতে হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারতে ভারী বৃষ্টিতে নিহত ৩০

ভারতে ভারী বৃষ্টিতে নিহত ৩০
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখন্ড ও পাঞ্জাব রাজ্যে ভারী বৃষ্টিতে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ২২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, রোববার (১৮ আগস্ট) সারদিন ভারী বৃষ্টিপাতের পর যমুনাসহ অন্যান্য নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হওয়ায় দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশে আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাজ্যটির শিমলা, সোলান, কুল্লু ও বিলাসপুর জেলার সব স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় ভূমিধসের ঘটনায় কালকা ও শিমলার মধ্যে ট্রেন ও বাস চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

এদিকে হিমাচল প্রদেশে বৃষ্টিতে এখনও পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যু ও ৯ জন আহত হয়েছেন। মৃত দুজন নেপালি নাগরিক বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।  

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) প্রবল বৃষ্টিতে হিমাচল প্রদেশে বিদেশি পর্যটকসহ  ২৫ জন   আটকে পড়েন। দুই দিন খাবার ও আশ্রয়বিহীন অবস্থায় আটকে থাকার পর রোববার তাদের উদ্ধার করা হয়। 

রাজ্যে সরকারের কর্মকর্তারা জানান, উত্তরকাশী জেলার মোরি ব্লকে হড়কা বানে কয়েকটি গ্রামের বেশ কিছু বাড়ি ভেসে যায়। দেরাদুন জেলায় গাড়ি নদীতে পড়ে এক নারী ভেসে গেছে ও পাঞ্জাবে বাড়ির ছাদ ধসে ৩ জন নিহত হন।

ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাঞ্জাব ও হরিয়ানায়বন্যা দেখা দিয়েছে। ফলে  কর্তৃপক্ষ এখানে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।

হংকংয়ে লক্ষাধিক বিক্ষোভকারীর সমাবেশ

হংকংয়ে লক্ষাধিক বিক্ষোভকারীর সমাবেশ
হংকংয়ের রাস্তায় বিক্ষোভকারীরা, ছবি: সংগৃহীত

হংকংয়ের রাস্তায় এক লাখেরও বেশি বিক্ষোভকারী শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করেছে। রোববার (১৮ আগস্ট) বৃহৎ এ সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে অঙ্গীকার করে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ৯ জুন থেকে চীনের প্রত্যর্পণ বিলের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভে হংকংয়ের ছাত্র-শিক্ষক, ব্যবসায়ী, আইনজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। ১১ সপ্তাহ ধরে চলমান এ বিক্ষোভে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলে হতাহতের ঘটনাও ঘটে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, হংকংয়ের গণতন্ত্র সংস্কার ও তাদের সঙ্গে পুলিশের করা বর্বরতার বিচারের দাবি নিয়ে তারা উপস্থিত হয়েছেন।

এদিকে, বিক্ষোভকারী সংগঠন দাবি করেন রোববারের এ সমাবেশে ১৭ লাখের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। যেখানে হংকং সরকার বলছে এক লাখ ২৮ হাজারের মতো মানুষ সমবেত হয়।   

আরও পড়ুন: হংকংয়ে পার্লামেন্ট ভবন ভাঙচুর

গতসপ্তাহে ৯ আগস্ট বিক্ষোভকারীরা হংকংয়ের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থান নেওয়ার ফলে বাতিল করা হয় হংকং থেকে ছেড়ে যাওয়া সবকটি ফ্লাইট। এরই পরিপ্রেক্ষিতে চীন সরকার এ বিক্ষোভকে সন্ত্রাসের নামান্তর বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: হংকং বিমানবন্দরের ফ্লাইট বাতিল

উল্লেখ্য, চীনের প্রস্তাবিত প্রত্যর্পণ বিলের বিরুদ্ধে হংকংয়ের সাধারণ মানুষ রাস্তায় সমবেত হয়। দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলমান এ বিক্ষোভ ক্রমশ আরও বড় আকার ধারণ করে। বিক্ষোভকারীরা হংকংয়ে চীনা শাসনের ২২তম বর্ষপূর্তিতে পার্লামেন্ট ভাঙচুর করে। বিক্ষোভ অন্যদিকে মোড় নিলে হংকং সরকার বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল স্থগিত করে। এমনকি হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম প্রত্যর্পণ বিলকে 'মৃত' বলে ঘোষণা দেন। বর্তমানে এ বিক্ষোভ হংকং সরকার বিরোধী আন্দোলন হিসেবে রূপ নিয়েছে। 

আরও পড়ুন: হংকংয়ে বিক্ষোভ: ক্যারি ল্যামের পদত্যাগ দাবি

গণবিক্ষোভের মুখে হংকংয়ে সরকারি দফতর বন্ধ ঘোষণা

চীনের প্রত্যর্পণ বিলের প্রতিবাদে নতুন ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র