Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

পরের ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘ভায়ু’

পরের ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘ভায়ু’
ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়ের নামকরণ করে আটটি এশীয় দেশ/ ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আঞ্চলিক কমিটি ঝড়ের নামকরণ করে থাকে। ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়গুলোর নামকরণ করে থাকে আটটি দেশের একটি প্যানেল। দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ওমান। যাদের বলা হয়- World Meteorological Organisation (WMO)/ Economic and Social Cooperation for Asia and the Pacific (ESCAP). ফণীর পরে ভারত মহাসাগরে যে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্ট হবে তার নাম হবে ‘ভায়ু’।

বিশ্ব আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে এটি যখন যাত্রা শুরু করে তখন শুরুতে এ আঞ্চলিক সংস্থার সদস্য দেশের সংখ্যা ছিল ছয়টি। সেগুলো হলো, বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে মালদ্বীপ, ১৯৯৭ সালে ওমান, ২০১৬ সালে ইয়ামেন এবং ২০১৮ সালে ইরান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এর অন্তর্ভুক্ত হয়।

২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আটটি দেশের প্যানেল ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করে। প্রত্যেকটি দেশ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য আটটি করে মোট ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে। এরপর থেকে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে ঐসব নাম ব্যবহার করা হয়।

ফণীর আগে সৃষ্ট ঘুর্ণিঝড়ের নামকরণে ইতোমধ্যে ৫৬টি নাম ব্যবহৃত হয়েছে। প্রত্যেকটি দেশের একটি করে নাম বাকি ছিল। বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘুর্ণিঝড়ের ‘ফণী’ নামকরণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দেওয়া ৮টি নামই ব্যবহৃত হলো। এখনও সাতটি নাম বাকি রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী এর পরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘ভায়ু’। এটি ভারতের দেওয়া নাম। বাকি ছয়টি নাম হলো হিক্কা, কায়ার, মাহা, বুলবুল, পাউয়ান ও আম্ফান।

কোনো নিম্নচাপ প্রতিঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার গতিবেগে ধাবিত হলে ঐসব ঝড়ের নামকরণ করা হয়। এর কম গতি হলে সেগুলোর নামকরণ হয় না। আবার নামকরণ করা হলেও অধিকাংশ ঘূর্ণিঝড় সমুদ্রে সৃষ্ট হয়ে সমুদ্রেই মিলিয়ে যায়। সিডর, নার্গিস, আইলা, মহাসেনের মতো যেসব ঘূর্ণিঝড় স্থলে আঘাত হানে, সাধারণ মানুষ শুধু সেসব ঘূর্ণিঝড়ের নাম শুনে থাকেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম গ্রেফতার

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম গ্রেফতার
পি চিদাম্বরম

ভারতের সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমকে আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় গ্রেফতার করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) সিবিআই।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে নয়াদিল্লিতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। চিদাম্বরমের বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে সিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেফতার করেন।

এর আগে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট চিদাম্বরমের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ভারতের সাবেক এই অর্থমন্ত্রী। কিন্তু মামলাটি প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে পাঠানোয় গ্রেফতারি এড়াতে পারেননি তিনি।

পি চিদাম্বরম ২০০৭ সালে ভারতের অর্থমন্ত্রী থাকাকালে ‘ফরেন ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন বোর্ড’ (এফআইপিবি)-এর কাছে বিদেশি লগ্নির আবেদন করেছিল আইএনএক্স মিডিয়া। লগ্নির অর্থ সহযোগী সংস্থাগুলোতেও বিনিয়োগের অনুমতি চেয়েছিল তারা।

তবে লগ্নি অনুমোদন করলেও সেই অর্থ সহযোগী সংস্থায় বিনিয়োগে সায় দেয়নি এফআইপিবি। ওই নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করায় আইএনএক্স মিডিয়ার বিপক্ষে দাঁড়ায় ভারতীয় আয়কর দফতর।

এরপর আইএনএক্স মিডিয়ার যুগ্ম প্রতিষ্ঠাতা পিটার ইন্দ্রাণী ও অনান্যরা চিদাম্বরমের ছেলে কার্তি চিদাম্বরমের কোম্পানির দ্বারস্থ হন। সেই সময় অর্থের বিনিময়ে আইএনএক্স মিডিয়াকে ছাড়পত্র পাইয়ে দিয়েছিলেন কার্তি। পি চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ছেলের সংস্থার হয়ে আইএনএক্সকে অন্যায় সুবিধা দিয়েছিলেন।

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চীন ও জাপানের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পেরে এখন বিপাকে মিয়ানমার। এই দুই দেশ ছাড়াও আরও প্রায় ২০টি দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে দেশটি।

যৌথ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছে।

কমিটি বলেছে স্বরাষ্ট্র, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচ; পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শিল্প এসব খাতে ১০.২ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার।

এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে এ বছর ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ যা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্য অর্থ।

২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে যা দেশটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচখাতে ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমার জাপানের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার যোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার। এ সুদের হার ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ। উচ্চতর সুদের হার ও মিয়ানমারে নিম্নমূল্যের মুদ্রা দেশের উপর একটি ভারী বোঝা সৃষ্টি করেছে। এই জাতীয় ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চতর সুদের হার, দুর্বল কায়াত এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে সরকারী অর্থায়নে ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বেশ কিছু ব্যর্থ প্রকল্প রয়েছে যারা ঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সেচের জন্য বিতরণের পরে কর্পোরেট প্রশাসনকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটি না করার ফলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র