Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

অ্যাসাঞ্জের ৫০ সপ্তাহের কারাদণ্ডাদেশ

অ্যাসাঞ্জের ৫০ সপ্তাহের কারাদণ্ডাদেশ
উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে ৫০ সপ্তাহের (প্রায় এক বছর) কারাদণ্ড দিয়েছে ব্রিটেনের আদালত।

সাত বছর আগে সুইডেনের সাথে বন্দী বিনিময়ের বিষয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করে লন্ডনস্থ ইকুয়েডর অ্যাম্বাসিতে প্রবেশ করায় তাকে এই সাজা দেয়া হয়েছে বলে এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বুধবার (১ মে) লন্ডনের এক আদালত জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের এ কারাদণ্ডাদেশ দেন। এর আগে, গত ১১ এপ্রিল তাকে ইকুয়েডর অ্যাম্বাসি থেকে গ্রেফতার করে হয়। ইকুয়েডরের এই অ্যাম্বাসিতে তিনি প্রায় ৭ বছর ‘বন্দী’ ছিলেন।

সুইডেনে করা এক যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ মামলায় অ্যাসাঞ্জ ২০১২ সালে লন্ডনের একটি আদালতের মুখোমুখি হয়। তবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। সে সময় লন্ডনের আদালত অ্যাসাঞ্জকে সুইডেনে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। কিন্তু অ্যাসাঞ্জ সেটা উপেক্ষা করে ইকুয়েডরের অ্যাম্বাসিতে ঢুকে পড়েন। সেখানে তিনি প্রায় সাত বছর অবস্থান করেন।

মাঝের সময়টাতে অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলিয়া ও সুইডেনে যেতে অপারগতা দেখায়। কিন্তু ইকুয়েডর যেতে চাইলেও সেখানে শেষ পর্যন্ত যেতে পারেননি তিনি।

তবে এর পেছনের মূলত চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্রই নেড়েছে বলে অ্যাসাঞ্জ বরাবর অভিযোগ করে আসছে। এছাড়া সুইডেন গেলেই অ্যাসাঞ্জকে মেরে ফেলা হতে পারে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম গ্রেফতার

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম গ্রেফতার
পি চিদাম্বরম

ভারতের সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমকে আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় গ্রেফতার করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) সিবিআই।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে নয়াদিল্লিতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। চিদাম্বরমের বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে সিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেফতার করেন।

এর আগে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট চিদাম্বরমের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ভারতের সাবেক এই অর্থমন্ত্রী। কিন্তু মামলাটি প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে পাঠানোয় গ্রেফতারি এড়াতে পারেননি তিনি।

পি চিদাম্বরম ২০০৭ সালে ভারতের অর্থমন্ত্রী থাকাকালে ‘ফরেন ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন বোর্ড’ (এফআইপিবি)-এর কাছে বিদেশি লগ্নির আবেদন করেছিল আইএনএক্স মিডিয়া। লগ্নির অর্থ সহযোগী সংস্থাগুলোতেও বিনিয়োগের অনুমতি চেয়েছিল তারা।

তবে লগ্নি অনুমোদন করলেও সেই অর্থ সহযোগী সংস্থায় বিনিয়োগে সায় দেয়নি এফআইপিবি। ওই নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করায় আইএনএক্স মিডিয়ার বিপক্ষে দাঁড়ায় ভারতীয় আয়কর দফতর।

এরপর আইএনএক্স মিডিয়ার যুগ্ম প্রতিষ্ঠাতা পিটার ইন্দ্রাণী ও অনান্যরা চিদাম্বরমের ছেলে কার্তি চিদাম্বরমের কোম্পানির দ্বারস্থ হন। সেই সময় অর্থের বিনিময়ে আইএনএক্স মিডিয়াকে ছাড়পত্র পাইয়ে দিয়েছিলেন কার্তি। পি চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ছেলের সংস্থার হয়ে আইএনএক্সকে অন্যায় সুবিধা দিয়েছিলেন।

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চীন ও জাপানের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পেরে এখন বিপাকে মিয়ানমার। এই দুই দেশ ছাড়াও আরও প্রায় ২০টি দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে দেশটি।

যৌথ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছে।

কমিটি বলেছে স্বরাষ্ট্র, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচ; পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শিল্প এসব খাতে ১০.২ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার।

এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে এ বছর ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ যা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্য অর্থ।

২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে যা দেশটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচখাতে ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমার জাপানের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার যোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার। এ সুদের হার ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ। উচ্চতর সুদের হার ও মিয়ানমারে নিম্নমূল্যের মুদ্রা দেশের উপর একটি ভারী বোঝা সৃষ্টি করেছে। এই জাতীয় ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চতর সুদের হার, দুর্বল কায়াত এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে সরকারী অর্থায়নে ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বেশ কিছু ব্যর্থ প্রকল্প রয়েছে যারা ঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সেচের জন্য বিতরণের পরে কর্পোরেট প্রশাসনকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটি না করার ফলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র