Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি

অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি
ইতালির রোমে অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক স‌ম্মেলন/ ছবি: সংগৃহীত
নাঈম হাসান পাভেল


  • Font increase
  • Font Decrease

ইতালি (রোম) থেকে: ইউরোপে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের (আয়েবাপিসি) দ্বি-বার্ষিক স‌ম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয় সময় রাত ৮টায় ইতালির রাজধানী রোমের বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেল প্রেসিডেন্টের কনফারেন্স হলে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অল ইউরো‌পিয়ান বাংলা প্রেসক্লা‌বের সভাপ‌তি ম‌নিরুজ্জামা‌ন ম‌নিরের সভাপ‌তি‌ত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আল আমি‌নের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ইতা‌লি‌তে নিযুক্ত বাংলা‌দেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবহান সিকদার।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এন‌টি‌ভি ইউকে'র প‌রিচালক মোস্তফা সা‌রোয়ার বাবু। অনুষ্ঠানে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা ছাড়াও বিভিন্ন সামা‌জিক ও রা‌জনৈ‌তিক সংগঠ‌নের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার বলেন, ‘সাংবাদিকতাকে মহান পেশা জেনে দেশপ্রেম জাগ্রত রে‌খে জনকল্যাণে এগি‌য়ে যে‌তে হ‌বে। সত্যিকার অর্থে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।’

সম্মেলনে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনিত হয়েছেন যথাক্রমে মনিরুজ্জামান মনির (ইতালি) ও হা‌বিবুর রহমান হেলাল (জার্মানি)।

এছাড়া আবু তাহির দুলাল (ফ্রান্স), জাকির হোসেন সুমন (ইতালি), লাবণ্য চৌধুরী (ইতালি), এমদাদুল হক (ইতালি), রনি হায়দার (স্পেন), এনায়েত হোসেন সোহেল (ফ্রান্স), সেলিম আলম (স্পেন), এম মাসুদ, তারিকুল হাসান আশিক (পর্তুগাল), এস কে মনোয়ার নাহিদ (পর্তুগাল)-কে সহ-সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

নতুন কমিটিতে বকুল খানকে (স্পেন) সাধারণ সম্পাদক এবং মোহাম্মদ আল আমিন ও পলি আক্তারকে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মনোনিত করা হয়।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নাঈম হাসান পাভেল (পর্তুগাল) ও হাসান তামিম (অস্ট্রিয়া), দপ্তর সম্পাদক আল আমিন (ইতালি), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সোহেল চৌধুরী (অস্ট্রিয়া), নুরুল আলম জনি (ইতালি), প্রচার সম্পাদক হুমায়ুন কবির, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পলি আক্তার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো: ওয়াসি উদ্দিনের নাম ঘোষনা করা হয়।

এছাড়াও সদস্য পদে আছেন হাসান মাহমুদ, শাওন আহমেদ, সেলিম উদ্দিন, মঈনুল আবেদিন, মহিউদ্দিন হাবীব প্রমুখ।

কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আছেন ইতালির প্রবীণ কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব লুৎফুর রহমান, অস্ট্রিয়ার প্রবীণ কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মাহবুবুর রহমান ও আনিছুজ্জামান।

এর আগে অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাব, বাংলা প্রেসক্লাব ইতালি ও বাংলাদেশ কমিউনিটি রোমের যৌথ উদ্যোগে বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, অল ইউরো‌পিয়ান বাংলা প্রেসক্লা‌ব ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ইউরোপে।

আপনার মতামত লিখুন :

গণতন্ত্র ছাড়া কাশ্মীর ইস্যুর সমাধান নেই: অমর্ত্য সেন

গণতন্ত্র ছাড়া কাশ্মীর ইস্যুর সমাধান নেই: অমর্ত্য সেন
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. অমর্ত্য সেন

কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকারের সমালোচনা করে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. অমর্ত্য সেন বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার উপর জোর দিয়ে মানুষের অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। আমার মনে হয় না গণতন্ত্রের চর্চা ছাড়া কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব।

সোমবার (১৯ আগস্ট) ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

৮৫ বছর বয়সী এই নোবেল বিজয়ী বলেন, ভারত গণতন্ত্রের আর্দশ মানছে না। আমি একজন ভারতীয় হিসেবে এখন আর আমি গর্ব করি না। একটা সময় ছিলো পাশ্চাত্যের দেশগুলোর বাইরে একমাত্র ভারতে গণতন্ত্রের চর্চা হতো। ভারত এখন গণতন্ত্রের সেই পথ হারিয়েছে।

সম্প্রতি ভারত সরকার সংবিধানে কাশ্মীরকে দেওয়া মর্যাদা বাতিল করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে জম্মু কাশ্মীর থেকে লাদাখকে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের ফলে জম্মু কাশ্মীরের জমি ভারতের অন্য রাজ্যের মানুষও কিনতে পারবেন। এই অধিকার কেবল কাশ্মীরের জনগণেরই ছিলো। 

কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল ও জমি ক্রয় প্রসঙ্গে অমর্ত্য সেন বলেন, কাশ্মীরের জনগণের উপরই এই সিদ্ধান্ত নেবার অধিকার দেওয়া উচিত। তারাই ঠিক করবে জমি ক্রয় বিক্রয় বিষয়ে, এই জমি তাদের অধিকার। 

কাশ্মীরের নেতাদের গ্রেফতারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমি মনে করি না, মানুষকে ভয় দেখিয়ে কণ্ঠস্বর রোধ করে ভালো কিছু পাওয়া যায়। নেতাদের গ্রেফতার করে, আটকে রেখে গণতন্ত্র দমন করে অতীতেও ভালো ফল পাওয়া যায়নি। 

কড়া নিরাপত্তায় মোড়ানো কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এটা হচ্ছে জম্মু কাশ্মীরের উপর উপনিবেশিক অত্যাচার। ঠিক এভাবেই ২০০ বছর বিট্রিশরা আমাদের শাসন করেছিলো।

মিয়ানমারে সেনা এবং বিদ্রোহী জোটের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ছে

মিয়ানমারে সেনা এবং বিদ্রোহী জোটের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ছে
মিয়ানমারে সেনা এবং বিদ্রোহী জোটের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ছে

মিয়ানমারে ভিন্ন ভিন্ন বিদ্রোহী জোট একজোট হয়ে হামলা চালানোর পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সঙ্গে লড়াই বিস্তার লাভ করেছে। আরাকান আর্মি (এএ), মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি এবং তাআং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এক জোট হয়ে এ হামলা চালায়।

তবে জোটের চতুর্থ সদস্য, কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি কোনও আক্রমণে অংশ নিয়েছে তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

এ সশস্ত্র জোটটি ১৫ আগস্ট আর্মি একাডেমিসহ ছয়টি স্থানে সমন্বিত হামলা চালায়। এর ফলে ১৫ জন নিহত হয়। এর পরেই চার দিন ধরে লাগাতার সেনা ও বিদ্রোহী জোটের আরো সংঘর্ষের খবর মিয়ানমার মিডিয়া জানিয়েছে।

শান স্টেটের ন্যাংচো জনপদের নিকটে পাইয়ন ওও লুইন অঞ্চলে ডিফেন্স সার্ভিসেস টেকনোলজিকাল একাডেমিসহ বিদ্রোহী জোটটি ছয়টি ভিন্ন এলাকায় হামলা পরিচালনা করার পর এ সংঘর্ষ বেড়েই চলেছে। এ সংঘর্ষে একজন অ্যাম্বুল্যান্স ড্রাইভার মারা গেছেন বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন যে তারা নাম হাটপাট কার ও কুতকাইয়ের মাঝামাঝি নান্ট কুট গ্রামের কাছে বন্দুকের গুলির শব্দ শুনতে পেয়েছে।

গত চারদিন ধরে শানের লাসিও, কুতকাই, কিউকমে, থেইনি এবং মিউজি শহরতলীতে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) মিয়ানমারের কমান্ডার-ইন-চিফের অফিসের থেকে বিবৃতিতে, জানানো হয়েছে ইউ টুন মিন্ট নামে একজন ৫৮ বছর বয়সী স্বেচ্ছাসেবক অ্যাম্বুলেন্স চালক, অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। লশিওয়ের কাছে এ সংঘর্ষের পর নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। বিদ্রোহীরা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র এবং একটি রকেট চালিত গ্রেনেড দিয়ে তার গাড়িতে গুলি চালায়। আহত হয়েছেন আরও পাঁচ জন।

সামরিক বাহিনীর জানায়, বিদ্রোহী জোটটি হালকা এবং ভারী উভয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে। এ জোটের আক্রমণগুলিতে ১০৭ মিলিমিটার রকেট ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে।

সামরিক বাহিনী দাবি করছে, যে শান ও রাখাইন রাজ্যে জুলাই ও আগস্টে ২১০ কোটি মিয়ানমার মুদ্রার সমমূল্যের মাদক জব্দ করার কারণে আরাকান আর্মি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়  এই হামলা চালাচ্ছে।

এদিকে বিদেশি পর্যটকদের মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি এ অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে স্বদেশি নাগরিকদের এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উত্তরাঞ্চলীয় শান স্টেটে সশস্ত্র বিদ্রোহী জোটের হামলার পরে বিদেশিদের জন্য পাইয়ন ওও লুইন, ন্যাংচো এবং থিবাবের ভ্রমণ বাতিল করতে ট্র্যাভেল এজেন্সিগুলোকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র