Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভারতের লোকসভা নির্বাচন

তৃতীয় দফার ভোটে হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ

তৃতীয় দফার ভোটে হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ
ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিভিন্ন দলের চার হেভিওয়েট প্রার্থী, (ওপরে বাম থেকে) বিজেপির অমিত শাহ ও কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী। (নিচে বাম থেকে) মুলায়ম সিং যাদব ও মেহবুবা মুফতি/ ছবি: সংগৃহীত
খুররম জামান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের নয়াদিল্লি থেকে: কড়া নিরাপত্তার মধ্যে চলছে ভারতে লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ। ভারতের ১৫টি রাজ্যের ১১৭টি আসনে বিক্ষিপ্ত দুই একটি ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ চলছে শান্তিপূর্ণভাবেই।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সবচেয়ে বেশি আসনে ভোট হচ্ছে। এই ধাপের ভোটে যে সকল হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে তারা হলেন- বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, তিনি গুজরাটের গান্ধীনগর থেকে লড়ছেন।

কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী কেরালার ওয়ানাডার প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দুটি আসনে লড়ছেন। তার অন্য আসনটি হল উত্তর প্রদেশের আমেথি। গান্ধী পরিবারের আরেক সন্তান বরুণ গান্ধী বিজেপি প্রার্থী হয়ে উত্তর প্রদেশের পিলিভিউ আসন থেকে লড়ছেন।

মুলায়ম সিং যাদব সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রার্থী হয়ে উত্তর প্রদেশের মৈনপুর আসন থেকে লড়ছেন। তিনি উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। কংগ্রেস প্রার্থী শশী থারুর কেরালার তিরুঅনন্তপুরম থেকে লড়ছেন।

মেহবুবা মুফতি তার দল পিডিপি-র পক্ষে অনন্ত নাগ আসনে জম্মু-কাশ্মীর থেকে লড়ছেন। শরদ যাদব আরজেডির পক্ষে বিহারের মধেপুরা থেকে লড়ছেন। বিজেপি প্রার্থী জয়াপ্রদা উত্তর প্রদেশের রামপুর থেকে লড়ছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এসপি-র আজম খান।

আরও পড়ুন: তৃতীয় দফায় লড়ছেন অমিত-রাহুলের মত ভিভিআইপি প্রার্থী

আপনার মতামত লিখুন :

চীনা ছাত্রী হত্যাকারী মার্কিন যুবকের যাবজ্জীবন

চীনা ছাত্রী হত্যাকারী মার্কিন যুবকের যাবজ্জীবন
চীনা ছাত্রী জাং জিনজিয়াং/ ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চীনা ছাত্রীকে অপহরণ ও হত্যার অপরাধে এক মার্কিন পিএইচডি শিক্ষার্থীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালত।

আসামি ব্রেন্ডট ক্রিস্টেনসেনকে মৃতুদণ্ড দেওয়া হবে কিনা এই সিদ্ধান্তে একমত হতে পারেনি বিচারকদের জুরি বোর্ড। পরে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালের জুনে ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চীনা শিক্ষার্থী জাং জিনজিয়াংকে অপহরণ করে ক্রিস্টেনসেন। পরে জাং জিনজিয়াংকে বেসবলের ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে ক্রিস্টেনসেন এবং জাং জিনজিয়াংয়ের মাথা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলে। শরীরের আলাদা করা অংশ আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

শিকাগোর দক্ষিণ-পশ্চিমের পিউরিয়ায় অনুষ্ঠিত পাঁচ সপ্তাহব্যাপী বিচার কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জাং জিনজিয়াংয়ের বাবা-মা ও বাগদত্তা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563537807568.gif
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মার্কিন যুবক ক্রিস্টেনসেন/ ছবি: সংগৃহীত

 

চীনা কর্মকর্তাদের সামনেই এই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। রায়ে ক্রিস্টেনসেনকে মৃতুদণ্ড না দেওয়ায় চীনজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ক্রিস্টেনসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জজ জেমস শহিদ বলেন, ‘ক্রিস্টেনসেনের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড বর্ণনা করার মতো না।’ রায় অনুযায়ী ক্রিস্টেনসেনের কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বিচারক আরও বলেন যে, জাংয়ের শরীরের অবশিষ্ট অংশ কোথায় আছে তা হয়তো তার পরিবার আর নাও জানতে পারে।

রায় ঘোষণার সময় ক্রিস্টেনসেন কোনো কথা বলেনি। এদিকে জাংয়ের বাবা বঙ্গাও জাং গণমাধ্যমকে বলেন যে, জাংয়ের দেহাবশেষ ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত তার পরিবার শান্তি পাবে না।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
নেতাকর্মীদের নিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তরপ্রদেশে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১০ জন খুন হওয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার পথে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রা গ্রামে জমি নিয়ে সংঘর্ষের জেরে ১০ জন নিহত হয়। তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে যাচ্ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু মাঝপথে তাকে আটক করা হয়। উত্তরপ্রদেশে অপরাধ বৃদ্ধি ও আইনের শাসন নেই বলে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করেন প্রিয়াঙ্কা।

আটকের পর মির্জাপুরে এসে রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। তার সঙ্গে থাকা অন্য কংগ্রেসের কর্মীরাও বসে পড়েন। তাদের ঘিরে থাকেন প্রিয়াঙ্কার নিরাপত্তারক্ষীরা। সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে আটক করে সরকারি গাড়িতে তোলা হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রিয়াঙ্কা বলেন, 'যাদেরকে নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়েছে আমি শুধু তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। আমার ছেলের বয়সী একটি ছেলেকেও গুলি করা হয়েছে এবং সে এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। আমাকে বলুন, কোন আইনে আমাকে এভাবে আটকে দেয়া হল।'

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রিয়াঙ্কা সেখানে যাওয়ার সোনভদ্রায় যেকোনো ধরনের সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

প্রিয়াঙ্কার দাবি, তাকে বলা হয়েছে তিনি গাড়ি করে বারানসি থেকে সোনভদ্রা যেতে পারবেন না। সরকারি গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, 'আমি জানি না তারা আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমরা যেকোনো জায়গায় যেতে রাজি।'

শুক্রবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা আসন বারানসিতে পৌঁছান প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সেখান থেকে তিনি সোনভদ্রা কাণ্ডে আহতদের দেখতে স্থানীয় হাসপাতালে যান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র