Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

কালের সাক্ষী ফরাসিদের ভালোবাসার ‘নটর-ডেম’

কালের সাক্ষী ফরাসিদের ভালোবাসার ‘নটর-ডেম’
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চোখের সামনে আগুনের লেলিহান শিখা ক্রমশ গ্রাস করে নিচ্ছে নটর-ডেম গির্জাকে। হাজারো মানুষ দেখছেন, কাঁদছে, বিলাপ করছে। চেষ্টা করা হচ্ছে শত বছরের পুরনো এই গির্জাকে যতটুকু সম্ভব আগুনের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু আগুন যেন ততোধিক তেজে ছড়িয়ে পড়ছে পুরো গির্জা জুড়ে। ক্রমে আগুনের ভয়াবহতার কাছে হার মেনে ধসে পড়ে গির্জার ছাদ। ভস্ম হয়ে যায় গির্জার আদল।

এভাবেই ভয়ানক অগ্নিকান্ডে সোমবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে ফ্রান্স হারালো তার ৮৫০ বছরের পুরনো ও ঐতিহ্যমন্ডিত নটর-ডেম গির্জা।

বলা হচ্ছে, ফরাসিদের কাছে এর চাইতে হৃদয় বিদারক ঘটনা আর হতেই পারে না। নটর-ডেম গির্জার পাশাপাশি আরো যে ঐতিহাসিক নিদর্শনটি রয়েছে প্যারিসে, সেটা হলো আইফেল টাওয়ার। তবে ৮৫০ বছরের হাজারো ইতিহাস, ঐতিহ্য, সময়-কাল ও ঘটনার সাক্ষীর কাছে প্রায় শত বছরের আইফেল টাওয়ার নিতান্তই শিশু। সত্যি বলতে, এ দুটোর মাঝে তুলনা চলে না একেবারেই।

শতবর্ষের ‘সাহিত্যের মাস্টারপিস’ বলা হয়ে থাকে ধসে পড়া এই নটর-ডেম গির্জাকে। কালজয়ী লেখক ভিক্টর হুগ লিখেছেন উপন্যাস ‘হাঞ্চব্যাক অফ নটর-ডেম’ যা ফরাসি ভাষায় ‘নটর ডেম দে প্যারিস’।

এই অগ্নিকাণ্ডের আগে নটর-ডেম শেষ এমন বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছিল ফরাসি বিপ্লবের সময়। সে সময়ে গির্জার মূর্তি বিক্ষোভকারীদের দ্বারা লুণ্ঠিত হয়েছিল।

এছাড়া গির্জার বিল্ডিংটি ১৮৭১ সালের বিদ্রোহ এবং দুইটি বিশ্বযুদ্ধের সাক্ষী বহন করে চলছিল।

স্বাভাবিকভাবেই এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, দেশটির নাগরিকের কাছে এটা বড় ধরনের একটি বিপর্যয়। এমন ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়ার বিষয়টি তাই খুবই স্পর্শকাতর।

অন্যতম চমৎকার এই গির্জাটিতে খুব বেশি মানুষের ভিড় না থাকলেও, স্থানীয় ও বাইরের দেশের দর্শনার্থীদের আনাগোনা থাকতো পুরো বছর জুড়েই।

শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত নটর-ডেম প্রার্থনার স্থানের চাইতেও, সবার গর্বের ও ভালোবাসার একটি স্থাপনা ছিল। তাইতো দেশটির রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মারকন অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনাটিকে পুরো রাষ্ট্রের জন্য শোকের বিষয় বলে আখ্যা দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

মেসিডোনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

মেসিডোনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
ছবি: সংগৃহীত

উত্তর মেসিডোনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক অভিবাসী বাংলাদেশি যুবক (২০) নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ১২ জন আহত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নিহত বাংলাদেশির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

সংবাদের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাতে ১৩ জন অভিবাসী নিয়ে একটি ভ্যান মালবাহী ট্রাকের পিছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আগুন লেগে যায়।

আহতদের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি ও ১০ জন পাকিস্তানি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। গুরুতর অসুস্থ চার জনকে মেসিডোনিয়ার রাজধানীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ধারণা করা হচ্ছে, গ্রীস থেকে অবৈধভাবে দালালচক্রের মাধ্যমে তাদেরকে পাচার করা হচ্ছিল। তারা সাইবেরিয়া হয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।

হংকংয়ে ২৯ বিক্ষোভকারী আটক

হংকংয়ে ২৯ বিক্ষোভকারী আটক
ছবি: সংগৃহীত

হংকংয়ে চলমান বিক্ষোভে আবারও পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সহিংসতা এড়াতে হংকং পুলিশ ২৯ বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে।

রোববার (২৪ আগস্ট) হংকং পুলিশ কর্তৃপক্ষের বরাতে বলা হয়, সরকারবিরোধী আন্দোলনকে দমন করতে বিক্ষোভকারীদের উপর টিয়ারশেল ছোঁড়া হয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, শনিবার (২৩ আগস্ট) চীন ভূখণ্ডের ঘনবসতিপূর্ণ কুন থং নামে এক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অঞ্চলে বিক্ষোভকারীরা পেট্রোল বোমা এবং ইট নিক্ষেপ করে। বিক্ষোভের মুখে চারটি এমটিআর সাবওয়ে স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:  হংকং ইস্যু: ইউটিউবের ২১০ চ্যানেল বন্ধ ঘোষণা

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মুখে বিক্ষোভাকারীরা ইট, বাঁশ এবং ককটেল ছুঁড়ে মারে। এরই জেরে পুলিশ ১৯ পুরুষ ও ১০ নারী বিক্ষোভকারীকে আটক করে।

পুলিশের দেওয়া বরাতে আরও জানানো হয়, রোববার (২৪ আগস্ট) বিক্ষোভকারীদের টিসুয়েন ওয়ান শহরে বিক্ষোভের পরিকল্পনা ছিলো। যেখানে শহরের সকল কলেজ-ইউনিভার্সিটি গুলোকে বন্ধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি করার পরিকল্পনা করে।

আরও পড়ুন: হংকংয়ে পার্লামেন্ট ভবন ভাঙচুর

উল্লেখ্য, চীনের প্রস্তাবিত প্রত্যর্পণ বিলের বিরুদ্ধে হংকংয়ে গত ৯ জুন থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। হংকংয়ের সর্বস্তরের মানুষ এ বিক্ষোভে সমবেত হতে দেখা যায়। এখনও পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষ এ বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনায় দেশটির বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা এ বিক্ষোভকে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ হিসেবে দেখছে হংকং প্রশাসন। 

আরও পড়ুন: হংকংয়ে বিক্ষোভ: ক্যারি ল্যামের পদত্যাগ দাবি

গণবিক্ষোভের মুখে হংকংয়ে সরকারি দফতর বন্ধ ঘোষণা

চীনের প্রত্যর্পণ বিলের প্রতিবাদে নতুন ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র