Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কংগ্রেস-এএপির জোট গড়তে আলোচনা

কংগ্রেস-এএপির জোট গড়তে আলোচনা
ছবি: সংগৃহীত
খুররম জামান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নয়াদিল্লি থেকে: কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দিল্লিতে আম আদমি পার্টির (এএপি) সঙ্গে জোট গড়ার প্রস্তাব দেওয়ার পর তা লুফে নিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও এএপি প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) টুইটারে এএপিকে বার্তা দিয়ে রাহুল বলেন, আমাদের দরজা খোলা আছে। প্রয়োজনে দিল্লির চারটি আসন ছেড়ে দিয়ে এএপির সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতায় যেতে রাজি কংগ্রেস।

রাহুল আরো বলেন, এখন এএপির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এএপি ও কংগ্রেসের ভোট একত্রিত হলেই দিল্লি থেকে বিজেপিকে মুছে ফেলা সম্ভব।

এরপর মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল থেকেই দিল্লিতে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে যে এ প্রস্তাবে কেজরিওয়াল রাজি।

কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ার কথা উল্লেখ করে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, তার দল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির প্রধান আমিত শাহের কাছ থেকে ‘দেশ বাঁচাতে’ সব কিছু করবে। ১২ মে লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ পর্যায়ে ভোট হবে দিল্লিতে। ফলাফল ২৩ মে ঘোষণা করা হবে।

জোট করা নিয়ে কংগ্রেস নেতা আহমেদ প্যাটেল বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ার সিদ্ধান্ত তাদের (এএপি) নিতে হবে।

জানা গেছে, বুধবার আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেসের মধ্যে নতুন আলোচনা হবে। এ বৈঠকে আম আদমি পার্টি দিল্লি, হরিয়ানা ও চন্ডিগড়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে। এতে রাজধানীতে ৫:২ অনুপাতে আসন ভাগ করার প্রস্তাব দিতে পারে দলটি। এর আগেও আম আদমি পার্টি একাধিক রাজ্যে জোটের প্রস্তাব দিয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন :

রাখাইনে সামরিক হত্যা বন্ধের প্রতিবাদে সুচির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

রাখাইনে সামরিক হত্যা বন্ধের প্রতিবাদে সুচির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
সুচির সামনেই ছাত্রদের বিক্ষোভ, ছবি: সংগৃহীত

রাখাইন রাজ্যে সামরিক বাহিনীর দ্বারা অব্যাহত হত্যার প্রতিবাদে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে দেশটির ছাত্ররা।

শনিবার (২০ জুলাই) ইয়াংগুন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কাউট নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে ছাত্র বিক্ষোভের সম্মুখীন হন সুচি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কান্তকো গার্ডেনের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে অপেক্ষারত ছাত্ররা সরকারের বিভিন্ন কাজের বিরুদ্ধে প্ল্যাকার্ড দেখায় ও স্লোগান দেয়। ছাত্ররা দেশটির একটি বিশেষ অঞ্চলে সিমেন্ট ফ্যাক্টরি নির্মাণের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেয়।

তারা বিক্ষোভের সময় বলেছিল, 'ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক। সাংবিধানিক অধিকার ৭.৭.৬২ ভুলে যাবেন না। রাখাইনে সামরিক হত্যা বন্ধ কর'।

এর আগে গত ৭ জুলাই একটি মিছিল করার জন্য কিছু তরুণ ছাত্রকে আটক করে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।

ইয়াংগুন বিশ্ববিদ্যালয়ে সুচির সামনে বিক্ষোভরত ছাত্ররা আটক ছাত্রদের মুক্তির দাবি ছাড়াও ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অবসানের দাবি জানায়। এছাড়া রাখাইন রাজ্যে সামরিক বাহিনীর দ্বারা অব্যাহত হত্যা বন্ধের দাবি জানায়।

আং সান সু চি ছাত্রদের দেখানো প্ল্যাকার্ডগুলো পড়ার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে বলেন, 'ছাত্রদের যদি অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়, তবে তারা মুক্তি পাবেন'।

সু চি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাওয়ার পর, ইয়াংগুনের মুখ্যমন্ত্রী ইউ ফায় মিন থিন ৭ জুলাই গ্রেফতার ছাত্রদের নিয়ে আলোচনা করেন।

তিনি বলেন, 'এ দেশে আপনি যদি বিক্ষোভ বা মিছিল করতে চান, তবে আগেই প্রশাসনের অফিসকে জানাতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক দেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের আইন মানতে হবে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য মিয়ানমারের আর্টিকেল ১৯ এর অধীনে আটজন শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়।'

হংকংয়ে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ

হংকংয়ে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ
ছবি: সংগৃহীত

হংকংয়ে সাত সপ্তাহ ধরে চলতে থাকা প্রত্যার্পণ বিলের প্রতিবাদ বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস ছুঁড়ে।

সোমবার (২২ জুলাই) আন্তজার্তিক সংবাদমাধ্যম জানায়, রোববার (২১ জুলাই) দিবাগত রাতে সাদা টি শার্ট ও কালো মাস্ক পরে বিক্ষোভকারীরা হংকং শহরের ইউয়েন লং স্টেশনে ভিড় করতে থাকে। সেখানে বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর করলে পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়। পরে সারারাত ধরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563775603094.jpg
প্রত্যার্পণ বিলের প্রতিবাদে গত ৩ জুলাই থেকে হংকংয়ের সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ শুরু করে 

 

হংকং ইনফরমেশন সার্ভিস বিভাগের মতে, সহিংসতায় আহত ৪৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং ৫/৬ জনের অবস্থা সংকটপূর্ণ।

এদিকে, প্রত্যার্পণ বিলের প্রতিবাদে গত ৩ জুলাই থেকে হংকংয়ের সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষোভ চলাকালীন সময়ে পুলিশের সঙ্গে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে গতকালের সংঘর্ষ ছিলো আগের থেকে অনেক বেশি ভয়াবহ। এর আগে সকালে বিক্ষোভকারীরা কালো পোষাকে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। 

আরও পড়ুন:

হংকংয়ে পার্লামেন্ট ভবন ভাঙচুর

গণবিক্ষোভের মুখে হংকংয়ে সরকারি দফতর বন্ধ ঘোষণা

চীনের প্রত্যর্পণ বিলের প্রতিবাদে নতুন ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র