Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নিয়ামকের ভূমিকায় গুজরাটের উপজাতিদের ভোট

নিয়ামকের ভূমিকায় গুজরাটের উপজাতিদের ভোট
আহমেদাবাদের কয়েকজন উপজাতি লোক/ছবি: বার্তা২৪.কম
খুররম জামান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আহমেদাবাদ, গুজরাট থেকে: গুজরাটের ২৬ লোকসভা আসনের মধ্যে বেশ কয়েকটিতে উপজাতিদের ভোট বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। গুজরাটের রাজনীতিতে উপজাতিরা যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে থাকে। রাজ্যে মোট জনসংখ্যার ১৫ শতাংশই উপজাতি।

এর মধ্যে ছোট উদয়পুর, দহোদ, বর্ধোলি ও ভালসাদ এ চারটি লোকসভা আসনের ভোটের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করে উপজাতিরাই।

এসব আসন ছাড়াও ভেরুচ, সাবর্কাঁত, বানসংশাথা এবং পঞ্চমহল লোকসভা আসনেও উপজাতি ভোটারদের কার্যকরী ভূমিকা রাখতে দেখা যায়।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সারা দেশের মত মোদি ঝড়ে এ উপজাতি সংখ্যাধিক্য কেন্দ্রগুলো চলতি স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়েছিল। বিজেপি ২৬টি আসনই জেতে।

কিন্তু গত পাঁচ বছরে প্রেক্ষাপট বদলে গেছে। এর আগে ২০০৯ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস বেশ কয়েকটি সিটে ভালো করেছিল। অন্যদিকে ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস আদিবাসী অঞ্চলে ফিরে আসে। ২৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১৫টি কংগ্রেস এবং বিজেপি নয়টি জেতে। ভারতীয় উপজাতীয় দল (বিটিপি) দু’টি জিতেছে এবং মোর্ভা হাদফের আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হন।

বিধানসভা নির্বাচনের প্রায় ১৮ মাস পর, ক্ষমতাসীন বিজেপি উপজাতি প্রধন এলাকায় আবারও পরীক্ষায় পড়তে পারে। দলটি তিনটি উপজাতি অঞ্চলের পুরনো সংসদ সদস্যকে টিকিট দিয়েছে। দহোদে জাসওয়ান সিং, ভালসাদে কে সি প্যাটেল এবং বর্ধোলিতে প্রভূ বসু বিজেপির প্রার্থী।

ক্ষমতাসীন এমপি রামসিংহ রাথওয়াকে ছোট উদয়পুর আসন থেকে বাদ দিয়ে গীতা রাথওয়াকে প্রার্থী করা হয়েছে।

কংগ্রেস ভলসাদ থেকে তাদের এমএলএ জিতু চৌধুরী, বারদোলির সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তুষার চৌধুরী, দহোদের সাবেক বিজেপি এমপি বাবু কাতারা এবং ছোট উদয়পুরের রঞ্জিত রাথওয়াকে প্রার্থী করেছে।

উপজাতীয় জনসংখ্যা উত্তর বনকান্তা থেকে পূর্ব দহদ জেলা ও পঞ্চমহল পর্যন্ত বিস্তৃত। দক্ষিণে উদয়পুর থেকে নর্মদা, ভালসাদ, টেপি এবং দাঙ্গ থেকে শুরু করে দক্ষিণ জেলাগুলিতে বিস্তৃত।

এ উপজাতিদের জমি অধিকারের জন্য আন্দোলন করতে হয়। এছাড়াও এখানে উপজাতি সম্প্রদায়গুলোর প্রধান চাহিদা হচ্ছে চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বনভূমির অধিকার ও সেচ সুবিধা। এলাকায় তেমন কর্মসংস্থান নেই। তাই বাধ্য হয়ে বাড়ি ছেড়ে আট মাস ধরে শহরে গিয়ে কাজ করছে এক লাখেরও বেশি উপজাতি। এতে তাদের মধ্যে ক্ষোভ পুঞ্জিভূত হচ্ছে।

২৩ এপ্রিল নির্বাচনের তৃতীয় পর্যায়ে গুজরাটের ২৬টি আসনে ভোট হবে। গুজরাটের লোকসভা কেন্দ্রগুলো হল কচু, বনকান্তা, পাটান, মহেশনা, সাবারকাঁটা, গান্ধীনগর, আহমেদাবাদ পূর্ব, আহমেদাবাদ পশ্চিম, সুরেন্দ্রনগর, রাজকোট, পোড়বন্দর, জামানগর, জুনাগড়, আমরেলি, ভবন নগর, আনন্দ, ক্ষেত, পঞ্চমহাল, দহোদ, ছোট উদয়পুর,বড্ডো, ভদ্র, বর্ধোলি, সুরত, নবসারী, এবং ভালসাদ।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
নেতাকর্মীদের নিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তরপ্রদেশে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১০ জন খুন হওয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার পথে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রা গ্রামে জমি নিয়ে সংঘর্ষের জেরে ১০ জন নিহত হয়। তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে যাচ্ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু মাঝপথে তাকে আটক করা হয়। উত্তরপ্রদেশে অপরাধ বৃদ্ধি ও আইনের শাসন নেই বলে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করেন প্রিয়াঙ্কা।

আটকের পর মির্জাপুরে এসে রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। তার সঙ্গে থাকা অন্য কংগ্রেসের কর্মীরাও বসে পড়েন। তাদের ঘিরে থাকেন প্রিয়াঙ্কার নিরাপত্তারক্ষীরা। সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে আটক করে সরকারি গাড়িতে তোলা হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রিয়াঙ্কা বলেন, 'যাদেরকে নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়েছে আমি শুধু তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। আমার ছেলের বয়সী একটি ছেলেকেও গুলি করা হয়েছে এবং সে এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। আমাকে বলুন, কোন আইনে আমাকে এভাবে আটকে দেয়া হল।'

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রিয়াঙ্কা সেখানে যাওয়ার সোনভদ্রায় যেকোনো ধরনের সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

প্রিয়াঙ্কার দাবি, তাকে বলা হয়েছে তিনি গাড়ি করে বারানসি থেকে সোনভদ্রা যেতে পারবেন না। সরকারি গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, 'আমি জানি না তারা আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমরা যেকোনো জায়গায় যেতে রাজি।'

শুক্রবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা আসন বারানসিতে পৌঁছান প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সেখান থেকে তিনি সোনভদ্রা কাণ্ডে আহতদের দেখতে স্থানীয় হাসপাতালে যান।

ইরানি ড্রোন ধ্বংস করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানি ড্রোন ধ্বংস করল যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে ইরানের একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ওই ড্রোনটি মার্কিন জাহাজের এক হাজার গজের মধ্যে চলে আসার পর যুদ্ধ জাহাজ ইউএসএস বক্সার প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ড্রোনটি বেশ কয়েক বার হুঁশিয়ারি এবং থামার নির্দেশ উপেক্ষা করে জাহাজ এবং ক্রুদের নিরাপত্তার প্রতি হুমতি তৈরি করায় এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ড্রোনটি সাথে সাথেই ধ্বংস করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন: ইরান-ইয়েমেন জলসীমায় সেনা মোতায়েন

তবে ইরান দাবি করেছে, ড্রোন ধ্বংস হওয়ার কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। গত জুনে ওই একই এলাকায় ইরান একটি মার্কিন সামরিক ড্রোন ধ্বংস করেছিল।

এর আগে তেহরান জানিয়েছিল, উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি চোরাচালানের অভিযোগে রোববার (১৪ জুলাই) বিদেশি একটি ট্যাঙ্কার এবং এর ১২ জন ক্রুকে আটক করা হয়েছে।

গত মে মাস থেকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচল এলাকায় ইরানের বিরুদ্ধে ট্যাঙ্কারে হামলার অভিযোগ করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এসব অভিযোগ নাকোচ করেছে ইরান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র