Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সিঙ্গাপুরে প্রকৃতির সান্নিধ্যে বাংলা নববর্ষ বরণ

সিঙ্গাপুরে প্রকৃতির সান্নিধ্যে বাংলা নববর্ষ বরণ
সিঙ্গাপুরে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বাঙালিরা/ছবি: বাংলাদেশ হাই কমিশন, সিঙ্গাপুর
নিউজ ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রকৃতির সান্নিধ্যে ভিন্ন আবহে বাংলা নববর্ষকে বরণ করলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাঙালিরা। পহেলা বৈশাখ সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশ হাই কমিশনের আয়োজনে ল্যাবরাডর নেচার রিজার্ভ পার্কের উন্মুক্ত মঞ্চে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

নববর্ষকে স্বাগত জানাতে অনুষ্ঠানস্থল আলপনা ও নকশা আঁকা বোর্ড দিয়ে সাজানো হয়। সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। দুই শতাধিক অতিথির অংশগ্রহণ এবং উৎসবের আমেজ পার্কে ভ্রমণ করতে আসা বিদেশি দর্শকদের বাংলা সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী করে তোলে। তারা এ আয়োজন নিয়ে নিজেদের ভালোলাগার কথা জানান।

হাই কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং তার স্ত্রী মিসেস তানজিনা বিনতে আলমগীর অতিথিদের স্বাগত জানান এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। হাই কমিশনার তার সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্যে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ইউনেস্কো বাংলা নববর্ষ উদযাপনের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ কে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলা সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে উঁচু স্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/15/1555306441978.gif
সিঙ্গাপুরে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে পিঠাপুলির সমাহার/ছবি: বাংলাদেশ হাই কমিশন, সিঙ্গাপুর

স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার করে অনুষ্ঠানে লোকগীতি, দেশাত্ববোধক গান ও জাগরণী সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। বাংলাদেশি খাবারে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। খাবারের তালিকায় ছিল পান্তাভাত, খিচুড়ি, রুই মাছ, বিভিন্ন পদের মাংস, ভর্তা, ভাজি, রকমারি পিঠা, পায়েস, মিষ্টান্ন, খই, মোয়া, জিলাপী, পান-সুপারিসহ আরও অনেক কিছু।

আপনার মতামত লিখুন :

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপদাহ, আক্রান্ত হচ্ছে কানাডাও

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপদাহ, আক্রান্ত হচ্ছে কানাডাও
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে তীব্র তাপদাহ ছড়িয়ে পড়েছে। আহাওয়াবিদরা বলছেন, কিছু কিছু জায়গায় তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাবে। কানাডার কিছু অংশ এই তাপদাহে আক্রান্ত হতে পারে। 

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, তীব্র তাপদাহে যুক্তরাষ্ট্র ও আশে পাশের দেশের ২০০ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, বস্টনের পূর্ব উপকূলে। চলতি মাসে, যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় আর্কটিক সার্কেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তাপদাহ কলোরাডো এবং কানসাস থেকে প্রসারিত হয়ে দেশজুড়ে আরো তীব্র আকার ধারণ করবে।

ইতোমধ্যে পূর্ব উপকূলের বেশিরভাগ এলাকায় তাপমাত্রা বেড়েছে। দেশটির আবহাওয়া অফিস (এনডব্লিউএসএস) তাপদাহে আক্রান্ত এলাকাগুলোর মানচিত্র প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, "সপ্তাহজুড়েই তাপদাহ থাকবে, তাই সবাইকে সতর্ক ও সাবধানে থাকতে হবে।"

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও তীব্র তাপদাহের কারণে স্থানীয় জরুরি অবস্থা জারি করেন। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, গরমের তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। এটি খুবই গুরুতর বিষয়। শুক্রবার তাপমাত্রা বেড়েছে, শনিবার আরও বাড়বে, রোববার তা তীব্র আকার ধারণ করবে।

এই অবস্থায় নিউইয়র্কবাসীকে গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়ে বিল ডি ব্লাসিও বলেন, ঠান্ডা স্থানে থাকুন এবং বাইরে গরম জায়গায় যাবেন না। নিউইয়র্কে ৫০০ "শীতল কেন্দ্র" খেলা হয়েছে। অন্যান্য শহরেও এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে তীব্র তাপদাহে কানাডার কুইবেক, অন্টারিও এবং নোভা স্কটিয়া প্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার টরোন্টোতে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অফিস।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তাপমাত্রার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকার আটক করেছে ইরান

ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকার আটক করেছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ একটি তেলের ট্যাংকার আটক করেছে ইরান। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের প্রতি সম্মান না দেখানোয় তেলের ট্যাংকারটি আটক করা হয়েছে। 

শনিবার (২০ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে বলে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন লঙ্ঘন করার দায়ে ব্রিটিশ ট্যাংকার 'স্টেনা ইমরো' আটক করা হয়েছে। ট্যাংকারটিতে তল্লাশি চালানো হবে বলেও জানা গেছে।

এদিকে তেলের ট্যাংকার আটকের ঘটনায় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট বলেন, 'তেলের ট্যাংকার ফেরত না পাঠালে ইরানকে ভয়াবহ মাশুল গুনতে হবে।'

'স্টেনা ইমরো' জাহাজের মালিক কর্তৃপক্ষ জানায়, 'তারা তাদের জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না। জাহাজে ২৩ জন সদস্য ছিলো এবং এটি ইরানের হরমুজ প্রণালির উত্তর দিকে যাচ্ছিল।' 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র