Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গোলান নিয়ে মার্কিন স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান আরব লিগের

গোলান নিয়ে মার্কিন স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান আরব লিগের
সংবাদ সম্মেলন করে আরব লিগ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গোলান মালভূমিকে ইসরায়েলের ভূখণ্ড হিসেবে দেওয়া মার্কিন স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে আরব লিগের নেতারা।

রোববার (৩১ মার্চ) তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে অনুষ্ঠিত আরব লিগের সম্মেলনে মার্কিন এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করা হয়।
সম্মেলনে আরব লিগ নেতারা বলেন, গোলান সিরিয়ার অংশ। কয়েক দশক ধরে চলা ইসরায়েল প্যালেস্তাইন দ্বন্দ্ব নিরসন না হলে এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা আসবে না।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ওপরই মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে বলে মত দেন আরব লিগের নেতারা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও আলজাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সম্মেলন শেষে আরব লিগের নেতারা সিরিয়ার উপর পূর্ণসমর্থন ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, সিরিয়ার কাছ থেকে দখল করে নেওয়া গোলান মালভূমির উপর সিরিয়ার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাবে আরব লিগ।

সম্মেলনে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টিও উঠে এসেছে। উপসাগরীয় বিরোধী, ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব, ইয়েমেন যুদ্ধ, আলজেরিয়া ও সুদানের বিক্ষোভ নিয়ে সম্মেলনে মত-পার্থক্য নিয়ে আলোচনা হয়। এদিকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির সম্মেলন থেকে আকস্মিক চলে যান।

তিউনিসিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খেমাইস ঝিনাউয়ি আরব লিগের ৩০তম সামিটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তুলে ধরেন। এতে তিনি বলেন, ‘আরব অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে চলমান বিরোধ গ্রহণযোগ্য নয়। এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আরব দেশেগুলোর এক হতে হবে। এটি এ অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’

সম্মেলনে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়ার সার্বভৌমত্বকে প্রভাবিত করে এমন যে কোনো পদক্ষেপ একেবারে প্রত্যাখ্যান করে সৌদি আরব।’

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় সিরীয় ভূখণ্ড গোলান মালভূমি দখল করে নেয় ইসরায়েল। ১৯৬৭ সালে ইসরায়েল জায়গাটি দখল করার পর এখানকার সিরিয়ান আরব বাসিন্দারা অধিকাংশই পালিয়ে যায়। এরপর ১৯৭৩ সালের যুদ্ধে সিরিয়া এটি পুনর্দখলের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ১৯৮১ সালে ইসরায়েল গোলানকে নিজের অংশ করে নেয় একতরফাভাবে। তবে ইসরায়েলের এই দখলদারিত্বের স্বীকৃতি দেয়নি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

২০১৯ সালের ২৫ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলি দখলদারিত্বের স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

আপনার মতামত লিখুন :

যদি মোজো করতে চাও, স্মার্টলি করো

যদি মোজো করতে চাও, স্মার্টলি করো
ছবি. কানালায়উই ওয়ায়েক্লায়হং

মোবাইল জার্নালিজম এখন এক বাস্তবতা। তবে একজন সাংবাদিক হিসেবে এই আলোচনাও হতে পারে, মোবাইল জার্নালিজম কি আমাদের জন্য সুযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন করছে? মোবাইল জার্নালিজম কি আমাদের ভবিষ্যত নিউজরুম অথবা আমাদের ক্যারিয়ারের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছে?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563273807946.png

এসব প্রশ্নের মধ্যে প্রথমটির উত্তর আমি পেয়েছি সম্প্রতি ব্যাংককে অনুষ্ঠিত মোবাইল জার্নালিজম কনফারেন্স ২০১৯-এ। যাকে বলা হচ্ছে #মোজোএশিয়া২০১৯।

মোজোএশিয়া২০১৯-এর আয়োজক ছিল কর্নাড এডেনয়ার স্টিফটাং (কেএএস) নামক প্রতিষ্ঠান। সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে কেএএস-এর পরিচালক ক্রিস্টোফ গ্রাবিটজ বলেন, এশিয়ার দেশগুলোতে যখন স্বাধীন সাংবাদিকতা রুদ্ধ হয়ে এসেছে, তখন মোবাইল সাংবাদিকতা হতে পারে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার একটি বড় উপায়।

এই সম্মেলনে ৩৩টি দেশ থেকে পেশাদার সাংবাদিক, সংবাদ প্রযোজক এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা যোগ দেন। এখানে যেমন মোবাইল জার্নালিজমের ওপর কর্মশালা পরিচালিত হয়, তেমনি অনেকেই নিজেদের ধারণা এবং মোবাইল সাংবাদিকতার উদাহরণ উপস্থাপন করেন।

শুধু সাংবাদিক নয় এখন প্রায় সকলের হাতেই রয়েছে স্মার্টফোন। মোবাইল ফোনের ব্যবহার এই ধারণাকেই বদলে দিয়েছে, যে সংবাদ শুধুমাত্র সাংবাদিকের কাছ থেকেই আসতে হবে৷ বরং যে কোনো স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর কাছ থেকেই আসতে পারে৷ আবার একজন সাংবাদিক মোবাইল ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত এবং ঘটনার আরো কাছে গিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে পারেন। তবে এখানে একটি প্রশ্ন আসছে যে, যদি মোবাইল ব্যবহারকারী দিনের ২৪ ঘণ্টাই প্রতিবেদন তৈরি করতে চায় বা বলতে চায়, সেটি পেশাদারিত্ব হবে কিনা?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563274071108.png
উদ্বোধনী বক্তব্যে কেএএস-এর পরিচালক ক্রিস্টোফ গ্রাবিটজ ◢

 

এই দুদিনের ওয়ার্কশপে কোনো প্রশিক্ষকই, কী পদ্ধতিতে মোবাইল ব্যবহার করে প্রতিবেদন তৈরি করা যায়, সেটি নিয়ে আলোচনা করেননি। তারা শুধুমাত্র বলে গিয়েছেন, মোবাইল তাদের কাজে কী ধরনের সুবিধা তৈরি করছে বা তাদের সম্পাদকীয় নীতিমালায় কিভাবে মোবাইল ব্যবহারের বিষয়গুলো এসেছে।

অন্যদিকে সামাজিক এবং কমিউনিটির উন্নতিতে মোজো বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সে বিষয়ে কিছু প্রকল্পের উদাহরণও দেখানো হয়েছে সম্মেলনে।

সম্মেলনের মধ্যে লেবাননের সাংবাদিক এবং সাংবাদিকতার প্রশিক্ষক সারাহ টেইটসের প্রকল্প উপস্থাপনা সত্যি আমার ভালো লেগেছে। সিরিয়া যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহের সময় মোজো কিভাবে তার কাজে সাহায্য করেছে, উপস্থাপন করেন তিনি৷

মোজো সাংবাদিকতার তিন ধারণা

তিনি বলেন, যুদ্ধাবস্থার এলাকাগুলো থেকে সাংবাদিকরা শুধু যুদ্ধের অবস্থা, ক্ষয়ক্ষতি, ধ্বংস এবং শরণার্থী বা ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে প্রতিবেদন করেন৷ তবে আরেকটি সত্যি হচ্ছে, এই খারাপ দিনগুলো থেকেও তারা একদিন সুখে থাকার স্বপ্ন দেখেন, জীবনে সমৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করেন। জীবনকে ছেড়ে দেন না।

সারাহ যুদ্ধকালীন সময়ে তিনটি শরণার্থী ক্যাম্পে মোজো প্রশিক্ষণ প্রদান করেন শরণার্থীদের। এবং তার এই উপস্থাপনায় এটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে মোজো শুধুমাত্র সাংবাদিকদের জন্য নয়, বরং সকলের জন্য।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563274315964.png
লেবাননের সাংবাদিক এবং সাংবাদিকতার প্রশিক্ষক সারাহ টেইটস ◢

 

এবার আসি পরের আলোচনায়। মোজো কি আমাদের পরবর্তী নিউজরুম? আসলে আমার মনে হয় না, এই প্রশ্নের উত্তর এখনই পাওয়া যাবে। তবে, ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ এবং থাইল্যান্ডের অনেক সাংবাদিকও এরই মধ্যে বলেছেন, সব দেশেই মোজোর ভিন্নতা রয়েছে এবং বর্তমান সময়ে প্রতিবেদন তৈরিতে মোজো খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তাই আমার মনে হয়, গণমাধ্যমের, নিউজরুমের খুব ভালোভাবে জানা প্রয়োজন কেন আমরা নিউজরুমে মোজোর ওপর গুরুত্ব দেব? উত্তর হচ্ছে, খরচ বাঁচানো, সবার প্রথমে সংবাদ পরিবেশন এবং স্থানীয়দের সংবাদ তৈরিতে উৎসাহ প্রদান করতে।

যাই হোক, যদিও মোজো সবার জন্য, প্রযুক্তির এই দুনিয়ায় যখন তথ্যের স্রোত বইছে, সেসময় মোজো কিন্তু ভুল সংবাদের উৎসও হয়ে উঠতে পারে। যা ঘৃণা ছড়াতে, ভুল তথ্য ছড়াতে বা বিভ্রান্ত করতে সহায়ক হতে পারে৷ তাই যখন মোজো করা হবে, সেখানে তথ্যের উৎস এবং সত্যতা সম্পর্কে আরো বেশি নিশ্চিত হতে হবে। এর মানে নিউজরুম, স্থানীয় গণমাধ্যম এমনকি নাগরিক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে মোজোতে আনতে হবে পেশাদারিত্ব।

সম্মেলনের একজন আলোচক বলেছিলেন, যদি তুমি মোজোকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে চাও, এটাকে নির্ভুল করো প্রথমে। সম্মেলনের এই বক্তব্যের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। শুধু আপনার হাতে ফোন আছে বলেই আপনি দায়িত্বহীনভাবে যা ইচ্ছে বলে যাবেন, সেটা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563274529956.png

মোজো সাংবাদিকতার তিন ধারণা

মোজো সাংবাদিকতার তিন ধারণা
ছবি. কানালায়উই ওয়ায়েক্লায়হং

সম্প্রতি থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল #মোজোএশিয়া২০১৯ বা মোবাইল জার্নালিজম কনফারেন্স এশিয়া ২০১৯। এই সম্মেলনের অংশগ্রহণ আমার জন্যে মোবাইল জার্নালিজমের নতুন কিছু দিক উন্মোচিত করে—কিভাবে বিভিন্ন প্লাটফর্মে মোবাইল ব্যবহার করে সাংবাদিকতা করা যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563272117653.png

এই সম্মেলনের একটি ছোট কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলাম আমি। সেখান থেকে মোজো কী করতে পারে, এমন তিনটি আইডিয়া বা ধারণা শেয়ার করছি।

প্রথম হচ্ছে ডকুমেন্টারি। কী, শুনতে ভালো লাগছে, তাই না! আমি প্রথমবারের মতো এটা শিখলাম যে, মোবাইল গুণগত ডকুমেন্ট সংগ্রহের জন্যে ভালো মাধ্যম হতে পারে।

আমি স্পেনের টেলিভিশন মোবাইল সাংবাদিক লিওনোর সুয়ারেজের মোজো কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলাম। তবে আমার জন্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল তার ৫০ মিনিটের ইতিহাসনির্ভর ডকুমেন্টারি। যার নাম ‘টাইম অব রিভেঞ্জ’ বা ‘সময়ের বদলা’।

ডকুমেন্টারি দেখেই বোঝা গিয়েছে লিওনোর এটি নির্মাণ করতে কঠিন পরিশ্রম করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই ডকুমেন্টারির ভিডিও করেছেন তিনি ৬ দিন ধরে এবং সম্পাদনা করেছেন প্রায় একমাস সময় নিয়ে। আইফোন৬এস এবং আরো কিছু অনুষঙ্গ ব্যবহার করেছেন তিনি ভিডিওর জন্যে। আর আইমুভি অ্যাপসেই করেছেন পুরো ভিডিওর সম্পাদনা।

যদি মোজো করতে চাও, স্মার্টলি করো

বিষয়টি হচ্ছে, যদি আমি এই কর্মশালার আগে তার এই ভিডিও ডকুমেন্টারিটি দেখতাম, আমার পক্ষে কখনোই বোঝা সম্ভব হতো না এটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা। কারণ তার ফ্রেম, কম্পোজ, অভিনয় এবং অন্য সবকিছুই ছিল খুবই নিখুঁত। এটা আমার নিজের প্রকল্প তৈরিতেও উৎসাহ যোগায়। যেখানে আমি মোবাইলে দীর্ঘ প্রতিবেদন তৈরি করতে পারব। এছাড়াও বড় বিষয় হচ্ছে, লিওনোর শুধু মোবাইল দিয়ে যে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছেন তা নয়, বরং তিনি সেই ডকুমেন্টারি থেকে আরো বিভিন্ন বিষয় এবং বিভিন্ন দিক নিয়ে তার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্যে কনটেন্ট তৈরি করেছেন। এটি আমাকে এই ধারণাও দিয়েছে যে, মোজোতে দক্ষ হলেই শুধু চলবে না, আসল বিষয় হচ্ছে কনটেন্ট নির্বাচন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563272152592.png
স্পেনের টেলিভিশন মোবাইল সাংবাদিক লিওনোর সুয়ারেজ ◢

 

তিনি শেষে আরো উল্লেখ করেন, যদিও মোজো তার নিজের কাজের জন্যে ব্যবহার করেন, পাশাপাশি এখনো তিনি টেলিভিশনের জন্যেও কাজ করছেন। আর মোজো নির্মাণে ১০টি ধাপের কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। তবে সেক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে ধৈর্য।

এই সম্মেলন থেকে আরেকটি বড় ধারণা পেয়েছে অডিও স্টোরি টেলিংয়ের। তবে এই কর্মশালা শুধু আমাদেরকে জানায়নি, কোন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে আমরা গুণগত মানের অডিও পেতে পারি বা সম্পাদনা করতে সুবিধা হয় স্মার্টফোনে।

কানাডার বক্তা কোরিনি পডজার এবং বাংলাদেশের জিএম মোর্তূজা, পোডবিনের মতো সহজ অ্যাপসগুলোর মাধ্যমে কিভাবে অডিও স্টোরি করা যায় সে বিষয়ে কিছু ধারণা দেন। তবে এরচেয়ে বড় কথা হলো তারা এও বলেছেন, যদি আমরা আমাদের শ্রোতা নির্ধারণ করতে পারি, তাহলে বুঝতে পারব পোডকাস্ট (অডিও প্রচার) কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং সেটা কোন সময়, কত সময়ের জন্য এবং কতবার প্রচার করা প্রয়োজন। এবং সেটা কি আলোচনা, সাক্ষাৎকার নাকি উভয় ফরম্যাটেই হতে পারে। আমাদের কি অতিরিক্ত মিউজিক বা ভয়েজ যোগ কারা প্রয়োজন রয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যই ‘বি অরিজিনাল’ বা ‘সঠিকটাই নেওয়া।

এবার আসি তৃতীয় ধারণার বিষয়ে। আমি সত্যি ভার্টিকাল ভিডিওর আইডিয়া পছন্দ করেছি। স্মার্টফোনের এই ফিল্মিং অসাধারণ সুন্দর অভিজ্ঞতা ভিডিও দেখতে। এই অধিবেশনে, আল জাজিরা ইংরেজি বিভাগের ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাট শাখার প্রধান কোনসটান্টিনোস অ্যান্টোনোপোউলাস আমাদেরকে জানান, টাইপো বাদ দিয়ে কিভাবে ক্রপিং, সম্পাদনা এবং ভিডিও করা যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563272216395.png
স্মার্টফোনে ভার্টিকাল ভিডিওর আইডিয়া ◢

 

আমার মনে হয় ভালো স্টোরির জন্যে এ কাজটি অবশ্যই জানা প্রয়োজন। কোনসটান্টিনোস আরো বলেছেন, অবশ্যই প্রথমে প্রতিবেদন, পরের বিবেচ্য বিষয় সেটি ভার্টিকাল হবে, নাকি হরিজোন্টাল! খুবই দৃঢ়ভাবে তিনি যে বিষয়ে খেয়াল রাখতে বলেছেন, সেটি হচ্ছে, যেই ফরম্যাটেই আমরা প্রতিবেদন করি না কেন, সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আমাদের দর্শক শ্রোতারা কোন ফরম্যাটের সঙ্গে পরিচিত এবং তাদের জন্যে কোনটা সহজ।’

যদিও এটা মাত্র দুই দিনের সম্মেলন ছিল, আমার মনে হয়েছে এখান থেকে স্মার্টফোনে প্রতিবেদন তৈরির বেশ কিছু সুযোগের কথা জানা গেল। তবে একটি ভালো প্রতিবেদন তৈরির আগে আমাকে প্রথমেই একটি আইডিয়া ঠিক করতে হবে। এরপর কোন পদ্ধতিতে করা যাবে, সেটি নিয়ে ভাবা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563272428613.png

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র