Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভারত ও পাকিস্তানের ১১ বিমানবন্দর বন্ধ

ভারত ও পাকিস্তানের ১১ বিমানবন্দর বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পাক-ভারত সীমান্তে বাজছে যুদ্ধের দামামা। গত দুই দিন থেকেই উত্তপ্ত দুই দেশের সীমান্ত অঞ্চল। এতদিন কথার যুদ্ধে লিপ্ত থাকলেও, মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে অস্ত্রের ঝনঝনানি শুরু হয়েছে। অর্ধশতাব্দী ধরে চলতে থাকা বিরোধপূর্ণ কাশ্মীর নিয়ে আবারও মুখোমুখি হয়েছে পরমাণু শক্তিধর দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান।

এ অবস্থায় হামলার শঙ্কায় বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুই দেশই তাদের প্রধান বিমানবন্দরগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসর বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়েছে। অমৃতসর পাকিস্তান সীমান্তের খুব কাছে হওয়ায় সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ভারতীয় সৈন্যবাহিনী।

অমৃতসর বিমানবন্দরের পরিচালক এপি আচার্য বলেন, চলমান অভিযানে অমৃতসরের আকাশসীমা ব্যবহারের প্রয়োজনে এই বিমানবন্দর এখন থেকে বন্ধ। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের বাণিজ্যিক বিমান ফ্লাইট অমৃতসরে আসবে না। এখান থেকেও কোনো বিমান যাবে না।

এর আগে সকালে ভারতের দেরাদুন, শ্রীনগর, জম্মু ও লেহ বিমানবন্দরও বন্ধ করা হয়। হামলার কথা চিন্তা করে বন্ধ হতে পারে দেশটির আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর।

অন্যদিকে পাকিস্তানও তাদের মুলতান, লাহোর, ফয়সালাবাদ, শিয়ালকোট ও ইসলামাবাদ বিমানবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধ রেখেছে। পেশোয়ার বিমানবন্দরটি যুদ্ধের জন্য সেনাবাহিনীকে ছেড়ে দিয়েছে পাক সরকার।

দুই দেশের এসব বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই দুই দেশের আকাশসীমা ব্যবহারকারী আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো। বুধবার কিছু ফ্লাইট উড্ডয়ন করলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে আবারো ফিরে আসতে হয়েছে। কিছু ফ্লাইট বিকল্প রুট ব্যবহার করে পাক-ভারত সীমা থেকে বেরিয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, সকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের দুইটি বিমান ভূপাতিত করে। এ সময় এক বৈমানিককে অক্ষত অবস্থায় আটক করা হয়। নিহত হয় দুইজন। এর কিছুক্ষণ পরই পাকিস্তানের একটি বিমান ধ্বংস করে ভারত।

সূত্র: এনডিটিভি, এএনআই

আপনার মতামত লিখুন :

মিয়ানমার সেনাবাহিনী বিশাল বাজেট চেয়েছে

মিয়ানমার সেনাবাহিনী বিশাল বাজেট চেয়েছে
মিয়ানমার সেনাবাহিনী

মিয়ানমারের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় দেশটির সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে বিশাল বাজেট দেওয়ার অনুরোধ করেছে।

সোমবার (২২ জুলাই) নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় দেশটির সংসদের কাছে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের জন্য ৩.৩৭ ট্রিলিয়ন মিয়ানমার মুদ্রা ( কিয়াত) বা ২২২ কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের বাজেট চেয়েছে। যা গত অর্থ বছরের চেয়ে ১০০ কোটি কিয়াত বেশি। মিয়ানমারে ১ অক্টোবর থেকে অর্থ বছর শুরু হয়।

মিয়ানমারের প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী মেজর জেনারেল মিন্ট ন সোমবার সংসদে নিরাপত্তা বাজেট গত বছরের চেয়ে ১২২. ৪১ বিলিয়ন কিয়াত বাড়াতে অনুরোধ করেন। গত বছরে এ খাতে বাজেট ছিলো ৩.২৪ ট্রিলিয়ন কিয়াত।

মেজর জেনারেল মিন্ট ন বলেন, মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীকে তিনটি জাতীয় উদ্দেশ্য নিয়ে একটি শক্তিশালী, যোগ্যতাসম্পন্ন, আধুনিক, দেশপ্রেমিক সামরিক বাহিনী  গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যে সেনাবাহিনী দেশকে বিচ্ছিন্নকরণ ঠেকানো, জাতীয় সংহতি রক্ষা করা এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব চিরস্থায়ী করবে। আর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য বাড়তি বাজেট প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে বেতন খরচ, সামরিক খরচ ছাড়াও কর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের খরচ, পরিবহন, প্রকৌশলী, নিরাপত্তা খরচ, অস্ত্র, কারখানা, ভবন নির্মাণ, জরুরি তহবিল, সুদ, যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য খরচ প্রদান করার কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু, তিনি সঠিক পরিসংখ্যান প্রদান করেননি। এছাড়াও কী ধরনের সামরিক সরঞ্জাম কেনা হবে- এ সম্পর্কিত কোনো তথ্য দেননি।

অন্যদিকে, প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ সংরক্ষণ মন্ত্রণালয় ৩৩.৮৬ বিলিয়ন; শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয় ১৯৯.১০ বিলিয়ন; শিল্প মন্ত্রণালয় ৪৩৬.৩৮ বিলিয়ন; বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২৩.৫৪ বিলিয়ন; বিনিয়োগ ও বৈদেশিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক মন্ত্রণালয় ৬.৪৮ বিলিয়ন; স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ১.১৮ ট্রিলিয়ন কিয়াত প্রস্তাবিত বাজেটে দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে সামরিক বাজেটে প্রতি বছর জাতীয় বাজেটের ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ রাখা হয়।

মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় বাজেট খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় স্তরের বিভাগ এবং সংস্থাগুলি ২৫.৩১ ট্রিলিয়ন কিয়াত আয় করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৩২.৩৪ ট্রিলিয়ন কিয়াত হতে পারে।  অর্থ্যাৎ ৭.০৩ ট্রিলিয়ন কিয়াত  প্রত্যাশিত বাজেটে ঘাটতি রাখা হচ্ছে।

৫১ বছর পর উদ্ধার ফ্রান্সের নিখোঁজ ডুবোজাহাজ

৫১ বছর পর উদ্ধার ফ্রান্সের নিখোঁজ ডুবোজাহাজ
সাবমেরিন মিনেরভি, ছবি: সংগৃহীত

প্রায় ৫১ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ফ্রান্সের ডুবোজাহাজটি খুঁজে পেল উদ্ধারকারী দল। ওই ডুবোজাহাজের নাম মিনেরভি। এটি প্রথম কোনো ডুবোজাহাজ যেটি সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার পর খুঁজে পাওয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুলাই) ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এক ঘোষণায় জানান, ডুবো জাহাজটি উদ্ধার হয়েছে। এটি উদ্ধার ও প্রযুক্তিগত দলের একটি সফলতা।

১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে ৫২ নাবিক সহ ফ্রান্সের তুলন সমুদ্রবন্দর এলাকা থেকে জাহাজটি তলিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকে।

৫১ বছর পর উদ্ধার ফ্রান্সের নিখোঁজ ডুবোজাহাজ

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এমএস পার্লি জানান, জাহাজে থাকা নাবিকদের পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে এ উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। পরিবারগুলো এমন সময়ের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিল।

হারিয়ে যাওয়া এই ডুবোজাহাজ তুলন থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে ও সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাত হাজার ৮০০ ফুট গভীরে পাওয়া গেছে বলে এএফপির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত জাহাজটি ডুবে নিখোঁজের কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি উদ্ধারকারী দল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র