Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও আলোচিত চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ড

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও আলোচিত চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ড
ছবি: এএফপি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চকবাজারের চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি বেশ গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম গুলো। বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক এই ঘটনাটির সচিত্র প্রতিবেদন উঠে এসেছে সুপরিচিত সংবাদ মাধ্যম বিবিসি ও আল-জাজিরা সহ অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমগুলোতেও।

কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সংবাদ রেখেছেন তাদের ওয়েব সাইটের শীর্ষে। সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া শীর্ষ সংবাদটিতে শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘আমি আকস্মিক তীব্র শব্দ শুনতে পেলাম: ঢাকায় অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক প্রাণহানি’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550749443588.JPG

আল-জাজিরার বিস্তারিত সংবাদের শিরোনামে লিখেছে ‘বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে প্রচুর সংখ্যক মানুষ আগুনে পুড়ে মারা গেছে’। বিস্তারিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে ২০১০ সালের পুরনো ঢাকার অগ্নিকাণ্ডের কথাও। এছাড়াও আল-জাজিরা তাদের শীর্ষ সংবাদের সাথে উল্লেখ করেছে ইতোপূর্বে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া রানা প্লাজার মত বড় দুর্ঘটনার সংবাদও।

ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (বিবিসি) এর শীর্ষ সংবাদেও স্থান পেয়েছে এই দুর্ঘটনার সংবাদটি। তাদের শীর্ষ সংবাদের শিরোনাম হয়েছে ‘ঐতিহ্যবাহী ঢাকায় আগুনে মৃত ৭৮’। বিস্তারিত সংবাদের শিরোনামে লিখা হয়েছে ‘বাংলাদেশে অগ্নিকাণ্ড: ঐতিহ্যবাহী ঢাকায় আগুনে মৃত কয়েক ডজন মানুষ’। বিস্তারিত সংবাদের সাথে বিবিসি জুড়ে দিয়েছে একটি ডিজিটাল/ ভিডিও স্টোরিও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550749397659.JPG

বিবিসি এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটিকে পুনারাবৃত্তি উল্লেখ করে তুলে ধরেছে ২০১০ এর অগ্নিকাণ্ডের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ।

ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়াও বেশ গুরুত্বের সাথে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রচার করেছে। ২০১০ সালের অগ্নিকাণ্ডের কথা উল্লেখ না করলেও জার্মান ভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলে চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের সংবাদের সঙ্গে ২০১৩ সালের রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সংবাদটিও তুলে ধরেছে।

এছাড়াও রয়টার্স, এপি, এএফপি ছবি সহ সংবাদ সরবরাহ করছে।

আপনার মতামত লিখুন :

আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ৬৩

আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ৬৩
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৮০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

খবরে বলা হয়, শহরের পশ্চিমে পাশে শিয়া মুসলিমদের ঘন বসতিপূর্ণ একটি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566111715635.jpg

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার (১৭ আগস্ট) বিয়ের অনুষ্ঠানে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে এ আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাতে নুসরাত রাহিমি বলেন, হামলাকারী অতিথিদের মধ্যে লক্ষ্য করে বোমা হামলা করেন। তবে অনুষ্ঠানে পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদা বসার ব্যবস্থা ছিল। পুরুষ কক্ষের দিকে লক্ষ্যে করে বোমা হামলা করা হয়। এর ফলে প্রায় সব পুরুষ নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি মহিলা ও শিশু আহতদের সংখ্যাও বাড়তে পারে। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566111770833.jpg 

 

এদিকে এ হামলার দায় অস্বীকার করেছে দেশটির তালেবান জঙ্গিগোষ্ঠী।

দেশটির জঙ্গিসংগঠক ইসলামিক স্টেট গ্রুপও এ হামলার দায় অস্বীকার করে বলেন, 'আমরা এমন কোনো বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।'

এদিকে শুক্রবার (১৫ আগস্ট) পাকিস্তানের কোয়েটা শহরের কাছে একটি মসজিদে পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে তালেবান নেতা হাইবাতুল্লাহ নিহত হন। তার একদিন পর আফগানিস্তানে এ হামলা করা হয়।

 

স্যান্ডউইচ দিতে দেরি, ওয়েটারকে গুলি করলেন ক্রেতা

স্যান্ডউইচ দিতে দেরি, ওয়েটারকে গুলি করলেন ক্রেতা
প্যারিসের উপকণ্ঠের একটি রেস্তোরাঁ/ ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের প্যারিস শহরের উপকণ্ঠে এক রেস্তোরাঁয় স্যান্ডউইচ পরিবেশন করতে দেরি করায় রেস্তোরাঁর এক কর্মীকে (ওয়েটার) গুলি করে হত্যা করেছেন এক গ্রাহক।

ঘটনার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা শনিবার (১৭ আগস্ট) বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, স্যান্ডউইচ দিতে দিতে দেরি করায় রেগে গিয়ে ঐ গ্রাহক রেস্তোরাঁর কর্মীকে গুলি করেন।

সূত্র জানায়, প্যারিসের পূর্বে শহরতলীর নয়েজি-লে-গ্রান্ডে শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত গ্রাহক ঐ ওয়েটারের কাঁধে গুলি করেন। গুলির ঘটনার পর রেস্তোরাঁর অন্য কর্মীরা পুলিশে খবর দেন।

এরই মধ্যে গুলিবিদ্ধ ওয়েটারকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তার সহকর্মীরা। কিছুক্ষণ পর ঐ রেস্তোরাঁয় মারা যান ঐ ওয়েটার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অস্ত্রধারী ঐ ব্যক্তি ওয়েটারকে একটি স্যান্ডউইচ আনতে বলেছিলেন। কিন্তু ওয়েটার স্যান্ডউইচ পরিবেশন করতে দেরি করায় চরমভাবে ক্ষিপ্ত হন অস্ত্রধারী ব্যক্তি। এক পর্যায়ে ওয়েটারকে গুলি করে পালিয়ে যান তিনি।

স্থানীয় পুলিশ বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানায়, এই ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। যদিও শনিবার পর্যন্ত ঐ অস্ত্রধারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

গুলির ঘটনার পর আশেপাশের মানুষজন রেস্তোরাঁয় ভিড় জমান। সকলের চোখে-মুখে বিস্ময় ছিল যে, একটি স্যান্ডউইচের জন্য ওয়েটারকে কেউ গুলি করতে পারে? কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

প্রত্যক্ষদর্শী এক নারী জানান, রেস্তোরাঁটিতে সব সময় সুনশান নীরবতা বিরাজ করত। কোনো সমস্যা ছিল না। মাত্র কয়েক মাস আগে রেস্তোরাঁটি খুলেছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র