Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রাজীবের পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

রাজীবের পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ
দুই বাসের সংঘর্ষে হাত হারান রাজীব/ ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দুই বাসের রেষারেষিতে ডান হাতা হারানোর পর নিহত তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীবের পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনকে এ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপিতি মো. খাইরুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দিয়েছেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনকে ক্ষতিপূরণের এ টাকা রাজীবের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আদালত রাজীবের নিহতের জন্য বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনকে দায়ী করেছেন। একইসঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কয়েকদফা নির্দেশও দিয়েছেন। এরমধ্যে রয়েছে- নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া এবং চলন্ত অবস্থায় গণপরিবহনের দরজা খোলা যাবে না। লাইসেন্স দেওয়ার সময় চালকদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও ডোপ পরীক্ষা করানো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও আবাসিক এলাকায় হর্ন না বাজানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ ছয় মাসের মধ্যে কার্যকর করতে বলেছেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। বিআরটিসির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাতার হোসেন সাজু।

আদেশের পর রিটের আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘রায়ে আদালত বিআরটিসি এবং স্বজন পরিবহনকে সমানভাবে দায়ী করেছেন। চালকদের দায়িত্ব অবহেলার কারণে বিআরটিসি এবং স্বজন পরিবহন দায় এড়াতে পারে না। রাজীবের দুই ভাইয়ের লেখাপড়া এবং ক্ষতিপূরণ হিসিবে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ লাখ টাকা বিআরটিসি ও ২৫ লাখ টাকা স্বজন পরিবহনকে দিতে হবে।’

বিআরটিসি’র আইনজীবী মুনীরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা ন্যায় বিচার পাইনি। আমরা আপিলে যাব।’ 

গত ৮ মে রুলের শুনানি শেষে ২৩ মে রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্ট। ওইদিন রায় ঘোষণা করে কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হলে সংশ্লিষ্ট গাড়ির ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারে কি না এ বিষয়ে শুনানি হয়। এরপর ওইদিন রায় ঘোষণার জন্য ২০ জুন দিন ধার্য করা হয়।

২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের রেষারেষিতে রাজীবের ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন রাজীব মারা যান হাসপাতালে।

এ ঘটনায় একজন আইনজীবী রিট করলে আদালত তাৎক্ষণিক ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করেন। বিআরটিসি আপিল করলে সেখানেও হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকে।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্যারিস্টার সুমনের মামলার তদন্তপূর্বক প্রতিবেদনের নির্দেশ

ব্যারিস্টার সুমনের মামলার তদন্তপূর্বক প্রতিবেদনের নির্দেশ
ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন, ছবি: সংগৃহীত

ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে করা মামলাটির গ্রহণ করে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ভাষাণটেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এই প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুলাই) সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস্‌সামছ জগলুল হায়দার এ আদেশ দেন।

এর আগে বিকালে সনাতন ও হিন্দু ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

রাজধানীর ভাষাণটেক এলাকার বাসিন্দা গৌতম কুমার এদবর বাদী হয়ে এ মামলার আবেদন করেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস শামছ জগলুল হোসেন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষে মামলা করেন অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সুমন গত ১৯ জুলাই তার ফেসবুক পেজে লেখেন, 'পৃথিবীর মধ্যে নিকৃষ্ট এবং বর্বর জাতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা, যাদের ধর্মের কোনো ভিত্তি নেই। মনগড়া বানানো ধর্ম।'

মামলার আবেদন আরও উল্লেখ কর হয়, তার এহেন বক্তব্য মিথ্যা অশ্লীল ও চরম আপত্তিকর। তার গ্রুপে বক্তব্য হিন্দু সমাজ তথা গোটা জাতির মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তবে সুমন তার ভেরিফাইড পেইজ ছাড়া অন্য কোনো পেইজ থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। গত ২০ জুলাই তিনি তার ভেরিফাইড পেইজে লেখেন, 'আমার নাম ব্যাবহার করে একটি ফেইক পেইজ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। আমি এ বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি। আপনারা সচেতন থাকবেন। এটাই আমার একমাত্র পেইজ যার ফলোয়ার ২০ লক্ষের অধিক।'

আরও পড়ুন: ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা

দুই সিটির পদক্ষেপে অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট, স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তলব

দুই সিটির পদক্ষেপে অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট, স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তলব
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাতে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশা নিধনে দুই সিটি করপোরেশনের গৃহীত পদক্ষেপে অসন্তুষ্টি জানিয়েছেন হাইকোর্ট। এতে দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তলব করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী বৃহস্পতিবার তাদের হাইকোর্টে হাজির হয়ে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টেও দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ডেঙ্গু নিধনে পদক্ষেপ সংবলিত দুটি প্রতিবেদন জমা দেন রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ডেঙ্গু নিধনে দুই সিটি করপোরেশনের গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে করা প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র