Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সিএনজি চালক হত্যায় আট ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন

সিএনজি চালক হত্যায় আট ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন
প্রতীকী
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সিএনজি অটোরিকশা চালক হাসমত আলী মোল্লা হত্যা মামলায় আট ছিনতাইকারীকে দুইবার করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, স্বপন ওরফে রাজু, সেলিম শেখ, মো. জামাল হোসেন, আকবর, শেখ ফরিদ, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, মফিজ শেখ, ও কাদির মোল্লা ওরফে কাদির।

সিএনজি অটোরিকশা ডাকাতির উদ্দেশ্যে হত্যা ও ডাকাতির মাল সিএনজি অটোরিকশায় নিয়ে যাওয়ায় পৃথক দুটি ধারায় আলাদা আলাদা দুইবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ড একটির পর একটি কার্যকর করা হবে মর্মে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া তাদের প্রত্যেককে দুটি ধারায় ৫০ হাজার টাকা করে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অর্থ অনাদায়ে তাদের আরও ১ বছর করে ২ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বুধবার (১৯ জুন) ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের বিবরণে বলা হয়, নিহত হাসমত আলী মোল্লা (৩৫) আট বছর যাবত ঢাকা শহরে সিএনজি অটোরিকশা চালাতেন। ২০০৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিহতের ছেলে মামলার বাদি মো. বাবু মোল্লা খবর পান তার পিতার লাশ ঢাকা মেট্রোপলিটন হাসপাতালে আছে।

ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে বাবু মোল্লা গুলশান থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তকালে আসামি স্বপন, জামাল, ফরিদ ও কাদির গ্রেফতার হয়। তারা আদালতে সিএনজি ছিনতাই ও হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। তারা স্বীকার করে, সিএনজি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চায়ের সঙ্গে নেশা দ্রব্য মিশিয়ে খাইয়ে সিএনজির ভেতরেই তাকে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়।

রায়ে ঘোষণার আগে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর শওকত আলম এবং আসামি পক্ষে মো. তারিকুল ইসলাম মামলা পরিচালনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্যাট হাতে প্রধান বিচারপতি

ব্যাট হাতে প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগ (এসপিএল)’ উদ্বোধন করেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণার পর অল্প কিছুক্ষণের জন্য নিজেও ব্যাট হাতে নেন প্রধান বিচারপতি।

উদ্বোধনের আগে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আইনজীবীদের মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পাবে। সারা দিন পেশাগত কর্মব্যস্ততার পর আইনজীবীদেরও রিক্রিয়েশন প্রয়োজন। রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা না থাকলে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী (বার) সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, এনএলএফ ল’ইয়ার্স সলিডারিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আজহার উল্লাহ ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ সময় বারের সহ-সভাপতি মো. আবদুল বাতেন ও মো. জসিম উদ্দিন, সহ-সম্পাদক কাজী শামসুল হাসান (শুভ) ও শরীফ ইউ আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মো. ইমাম হোসাইন, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী ও মোহাম্মদ শামীম সরদার উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত আইনজীবীদের এ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ২৫টি দল অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি দলে আটজন করে খেলোয়াড় থাকবেন। খেলা হবে পাঁচ ওভারে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস ও মুশফিক বাবু।

জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত

জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত
হাইকোর্ট

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে জেলা প্রশাসকের বালু মহাল ঘোষণা এবং ইজারা বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ভূমি সচিব, খনিজ সম্পদ সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) আটজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ অন্তবর্তীকালীন এ আদেশের পাশাপাশি রুল জারি করেন।

আদালতের রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান ও আইনজীবী ফয়েজ আহমেদ।

গত ২২ মে সুনামগঞ্জের ডিসি জাদুকাটা নদীকে বালু মহাল ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি দেন। স্থানীয় একটি পত্রিকায় এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির আলোকে গত ৯ জুলাই ডিসি জাদুকাটা নদীর বালু মহাল ইজারার বিজ্ঞপ্তি দেন দৈনিক ইত্তেফাকে।

বালু মহাল ঘোষণা এবং ইজারা বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন লিগ্যাল সাপোর্ট এবং পিপলস রাইট ফাউন্ডেশনের (এলএসপিআরএফ) চেয়ারম্যান আইনজীবী জহির উদ্দিন লিমন।

রিট আবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালে ৭ মার্চ খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয় সারা দেশের যেখানে বালু ও পাথর সমৃদ্ধ তা খনিজ সমৃদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হবে। ১৯৯২ সালের খনি ও খনিজ সম্পদ আইনে এটিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

জাদুকাটা নদীতে বালুর সাথে নুড়ী পাথর রয়েছে বিধায় এটি খনিজ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে বিধায় বালু মহালের মধ্যে পড়ে পড়ে না। তা সত্ত্বেও সুনামগঞ্জের ডিসি জাদুকাটা নদীকে বালু মহাল ঘোষণা দিয়েছেন যা আইন পরিপন্থী।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র