Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন দেরিতে দেওয়ায় চিকিৎসককে তলব

ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন দেরিতে দেওয়ায় চিকিৎসককে তলব
আদালতের প্রতীকী ছবি
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গণধর্ষণের মামলায় বিলম্বে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন না দেওয়ার ব্যাখ্যা জানাতে রংপুর মেডিকেল কলেজের প্রভাষক সোহেলী সুলতানাকে আগামী ১০ জুলাই হাজির হতে তলব করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) ওই মামলার এক আসামির জামিন চেয়ে করা আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

শুনানিতে ধর্ষণের ঘটনায় স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দাখিলের পর বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। এরপর আদালত প্রভাষক সোহেলী সুলতানাকে তলবের আদেশ দেন।

আদালতে আসামি সাকেরুল ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনিরুজ্জামান রানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ।

আইনজীবী সূত্র জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রংপুরের হারগাছা থানা এলাকায় ১৫ বছরের এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়। ওই ঘটনায় ২ মার্চ কিশোরীর মা নিহারা বেগম হারগাছা থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় ৩ মার্চ সাকেরুল ইসলামসহ দুজন গ্রেফতার হন। অথচ প্রায় একমাস পরে ১ এপ্রিল ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন ওই চিকিৎসক।

এ মামলার আসামি সাকেরুল ইসলাম নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করলে তার জামিন মেলেনি। এ কারণে গত ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন তিনি।

আসামি পক্ষ জামিন আবেদনে দাবি করেন, ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জোরপূর্বক ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি। তখন আদালত স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদনসহ হাজির হতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুসারে আদালতে হাজির হয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন :

ফার্মাসিস্ট পদে নিয়োগে বাধা নেই, স্থগিতাদেশ তুলে নিল হাইকোর্ট

ফার্মাসিস্ট পদে নিয়োগে বাধা নেই, স্থগিতাদেশ তুলে নিল হাইকোর্ট
হাইকোর্ট

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে ফার্মাসিস্ট পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আগের স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে ফার্মাসিস্ট পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলতে আর কোন আইনগত বাধা রইল না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী।

রোববার (২১ জুলাই) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন পলাশ চন্দ্র রায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে ২০১৩ সালে সাতটি পদের বিপরীতে ২ হাজার ৭৭ জনের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ফার্মাসিস্ট ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের পদের উল্লেখ ছিল। ওই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে উত্তীর্ণ মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা।

রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ওই বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত করার পাশাপাশি রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পরে রুলের ওপর চড়ান্ত শুনানি শেষে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে উত্তীর্ণ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে উত্তীর্ণ মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের উভয়কেই নিয়োগের সুযোগ দিতে রায় দেন। যা আপিল বিভাগেও বহাল থাকে।

গত ২১ জুন ফার্মাসিস্ট পদে নিয়োগ পরীক্ষার দিন ধার্য ছিলো। এরমধ্যে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে উত্তীর্ণ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে নিয়োগ প্রার্থীদের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে ফার্মাসিস্ট পদে নিয়োগ পুনরায় স্থগিত হয়ে যায়। এই স্থগিতাদেশই তুলে নেয়া হয়েছে রোববার।

আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ায় এ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালাতে আর বাধা থাকল না।

ঘুষ লেনদেনের মামলায় গ্রেফতার ডিআইজি মিজান

ঘুষ লেনদেনের মামলায় গ্রেফতার ডিআইজি মিজান
ডিআইজি মিজান, ছবি: সংগৃহীত

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা থেকে বাঁচতে চল্লিশ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার গ্রেফতার আবেদনের উপর শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েস এ আদেশ দেন।

গত ১৬ জুলাই মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছিলেন। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অন্য একটি মামলায় গত ২ জুলাই থেকে তিনি কারাগারে আটক আছেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, মিজানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে বাঁচতে তিনি অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মামলার অপর আসামি দুদক পরিচালক (সাময়িক বরখাস্ত) এনামুল বাছিরকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

আসামি সরকারি কর্মকর্তা হয়ে নিজের বিরুদ্ধে আনা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ হতে অব্যাহতি পেতে অপর আসামি এনামুল বাছিরকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করতে অবৈধ পন্থায় অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ প্রদান করে পরস্পর অপরাধ করেছেন।

ডিআইজি মিজানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এহসানুল হক সমাজি। রাষ্ট্রপক্ষে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল, তাপস কুমার পাল শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন।

নারী নির্যাতনের অভিযোগে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার হওয়ার পর ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ তদন্ত শুরু করেন দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির। কিন্তু তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমা দেন বাসির।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ডিআইজি মিজান অভিযোগ করেন, মামলা থেকে বাঁচাতে বাসির তার কাছে থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রমাণ স্বরুপ বাসিরের সাথে তার কথোপকথন ফাঁস করে দেন। তবে এনামুল বাসির তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

গত ২৪ জুন তিন কোটি ২৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মিজান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনা রত্না, ভাগ্নে এসআই মাহমুদুল হাসান ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমানকে আসামি করে মামলা করে দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করে।

গত ১ জুলাই আত্মগোপনে থাকা এ পুলিশ কর্মকর্তা হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে আগাম জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করেন। ২ জুলাই তাকে আদালতে হাজির করা হলে তার জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র