Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফলে ক্ষতিকারক পদার্থ

বিএসটিআই'র প্রতিবেদনে হাইকোর্টের অসন্তোষ

বিএসটিআই'র প্রতিবেদনে হাইকোর্টের অসন্তোষ
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ফলে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের (বিএসটিআই) দেওয়া প্রতিবেদনে অসন্তোষ জানিয়ে তা গ্রহণ করেননি হাইকোর্ট। আগামী ২৩ জুনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানিতে মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোর্শেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

রিটের শুনানিতে আমে রাসায়নিক পদার্থ নিয়ে বিএসটিআই'র প্রতিবেদন দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন আদালত। এ সময় পুলিশের মহাপরিদর্শক ও র‌্যাবের মহাপরিচালকের পক্ষে দুটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।

আদালত প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, 'মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার পাচার হচ্ছে অথচ ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ পরীক্ষার যন্ত্র কেনার অর্থ দেওয়া হচ্ছে না।'

গত ২০ মে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের ফলের বাজার ও আড়তগুলোতে আমে রাসায়নিক ব্যবহার রোধ করতে তদারকির জন্য টিম গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পুলিশের মহাপরিদর্শক, র‌্যাবের মহাপরিচালক, বিএসটিআইয়ের চেয়ারম্যান ও বিএসটিআইয়ের পরিচালককে এ টিম গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

একই রিটের শুনানিতে গত ৯ এপ্রিল রাজশাহী অঞ্চলের আমবাগানে রাসায়নিক ব্যবহার রোধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশনাও দেন হাইকোর্ট। এ আদেশ প্রতিপালন হয়েছে কিনা তা রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ও রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজিকে প্রতিবেদন আকারেও জানাতে বলা হয়। আদালতের আদেশ পালন করা হয়েছে বলে অবহিত করেন রাজশাহীর পুলিশ কমিশনার।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্যাট হাতে প্রধান বিচারপতি

ব্যাট হাতে প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগ (এসপিএল)’ উদ্বোধন করেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণার পর অল্প কিছুক্ষণের জন্য নিজেও ব্যাট হাতে নেন প্রধান বিচারপতি।

উদ্বোধনের আগে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আইনজীবীদের মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পাবে। সারা দিন পেশাগত কর্মব্যস্ততার পর আইনজীবীদেরও রিক্রিয়েশন প্রয়োজন। রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা না থাকলে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী (বার) সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, এনএলএফ ল’ইয়ার্স সলিডারিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আজহার উল্লাহ ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ সময় বারের সহ-সভাপতি মো. আবদুল বাতেন ও মো. জসিম উদ্দিন, সহ-সম্পাদক কাজী শামসুল হাসান (শুভ) ও শরীফ ইউ আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মো. ইমাম হোসাইন, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী ও মোহাম্মদ শামীম সরদার উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত আইনজীবীদের এ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ২৫টি দল অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি দলে আটজন করে খেলোয়াড় থাকবেন। খেলা হবে পাঁচ ওভারে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস ও মুশফিক বাবু।

জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত

জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত
হাইকোর্ট

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে জেলা প্রশাসকের বালু মহাল ঘোষণা এবং ইজারা বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ভূমি সচিব, খনিজ সম্পদ সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) আটজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ অন্তবর্তীকালীন এ আদেশের পাশাপাশি রুল জারি করেন।

আদালতের রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান ও আইনজীবী ফয়েজ আহমেদ।

গত ২২ মে সুনামগঞ্জের ডিসি জাদুকাটা নদীকে বালু মহাল ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি দেন। স্থানীয় একটি পত্রিকায় এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির আলোকে গত ৯ জুলাই ডিসি জাদুকাটা নদীর বালু মহাল ইজারার বিজ্ঞপ্তি দেন দৈনিক ইত্তেফাকে।

বালু মহাল ঘোষণা এবং ইজারা বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন লিগ্যাল সাপোর্ট এবং পিপলস রাইট ফাউন্ডেশনের (এলএসপিআরএফ) চেয়ারম্যান আইনজীবী জহির উদ্দিন লিমন।

রিট আবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালে ৭ মার্চ খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয় সারা দেশের যেখানে বালু ও পাথর সমৃদ্ধ তা খনিজ সমৃদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হবে। ১৯৯২ সালের খনি ও খনিজ সম্পদ আইনে এটিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

জাদুকাটা নদীতে বালুর সাথে নুড়ী পাথর রয়েছে বিধায় এটি খনিজ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে বিধায় বালু মহালের মধ্যে পড়ে পড়ে না। তা সত্ত্বেও সুনামগঞ্জের ডিসি জাদুকাটা নদীকে বালু মহাল ঘোষণা দিয়েছেন যা আইন পরিপন্থী।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র