Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের আপিলের শুনানি মুলতবি

যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের আপিলের শুনানি মুলতবি
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিলের শুনানি বুধবার (১৯ জুন) পর্যন্ত মুলতবি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকালে প্রধান বিচারপতির সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ প্রথম দিনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতে এটিএম আজহারের পক্ষে শুনানি করেছেন অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় এটিএম আজহারের আপিল ৫৯৯ নম্বর ক্রমিকে এবং সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের আপিল ৬০০ নম্বর ক্রমিকে ছিল।

রংপুরের আলবদর বাহিনীর কমান্ডার আজহারকে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল।

আজহারের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগসহ ছয়টি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। ট্রাইব্যুনালের রায়ে পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। ৫ নম্বর অভিযোগে ২৫ বছর ও ৬ নম্বর অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। আর ১ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি খালাস চেয়ে আপিল করেন আজহার। তার করা মূল আপিল ৯০ পৃষ্ঠার সঙ্গে নথি রয়েছে ২৩৪০ পৃষ্ঠা।

আরও পড়ুন: যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের আপিলের শুনানি চলছে

আপনার মতামত লিখুন :

যানজট নিরসনে মাস্টার প্ল্যান করার নির্দেশ হাইকোর্টের

যানজট নিরসনে মাস্টার প্ল্যান করার নির্দেশ হাইকোর্টের
পুরনো ছবি

রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসনে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে আগামী তিন মাসের মধ্যে তা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ঢাকার যানজট নিরসনে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানিতে রোববার (২১ জুলাই) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টেও দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ১৫ মে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান জনস্বার্থে রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন, রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম।

রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, সড়ক পরিবহন সচিব, পরিকল্পনা সচিব, অর্থ সচিব, পরিবেশ সচিব, রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা সিটির দুই মেয়র, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

একটি দৈনিকে 'যানজটে বছরে ক্ষতি ৩৭ হাজার কোটি টাকা' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়েছে রিট আবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যানজটের কারণে শুধু ঢাকায় দৈনিক ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। যার আর্থিক ক্ষতি বছরে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। রাজধানীতে যানজটের কারণে একটি যানবাহন ঘণ্টায় যেতে পারে গড়ে পাঁচ কিলোমিটার। ১২ বছর আগেও এ গতি ছিল ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকায় যাত্রীদের মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে। এ চাপ আবার কাজ করছে অন্যান্য রোগের উৎস হিসেবে।

মৃত রোগীর চিকিৎসার নামে বিল আদায়, সঠিক তদন্তের আশা বাদীর

মৃত রোগীর চিকিৎসার নামে বিল আদায়, সঠিক তদন্তের আশা বাদীর
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ভুল চিকিৎসায় রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মো. শহিদ উল্লাহর মৃত্যুর অভিযোগ করেছেন তার ছেলে মো. কামাল হোসেন। এ ঘটনার গত ১৭ জুলাই তিনি বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত। বাদী কামাল হোসেনের আশা পিবিআই প্রভাবিত না হয়ে যথাযথ তদন্ত প্রতিবেদন দেবে আদালতে।

রোববার (২১ জুলাই) বেলা ১ টায় ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন মো. কামাল হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন সৃষ্টি হিউম্যান রাইটস সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার-ই-তাসলিমা।

প্রসঙ্গত, মৃত্যুর পরেও রোগীর চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগে গত ২১ জুন তুলকালাম হয়েছিল হাসপাতালটিতে।  এ ঘটনায় মৃত রোগীর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি ও পরে মামলা করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কামাল হোসেন বলেন, বিশেষজ্ঞদের মতে একজন রোগীর সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৩ বার ডায়ালাইসিস দেওয়া যায়। তা সত্ত্বেও আমার বাবার ক্ষেত্রে ২০ দিনে ২৩টি ডায়ালাইসিস দেওয়া হয়েছিল। যা সাধারণ নিয়মের চেয়ে ৮টি বেশি। এ অতিরিক্ত ডায়ালাইসিস দেওয়া হয়েছে বেশি মুনাফা তথা বিল আদায় করতে।

হাসপাতাল থেকে দেওয়া ওষুধের বিল তুলে ধরে তিনি জানান, মাত্র ৩১ দিনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের ২ লাখ ৪১ হাজার ৮৪২ টাকার ওষুধ বিল করেছে। গত ১৪ মে হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে ২১ জুন পর্যন্ত ৩৬ দিনে মোট বিল করেছে ১০ লাখ ২ হাজার ৭৮ টাকা।

তিনি বলেন, আমার বাবাকে ভুল চিকিৎসায় ইচ্ছাকৃতভাবে মেরে ফেলার প্রতিবাদ করলে গত ২১ জুন হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী আমাদের হুমকি দিয়ে বলেন, তেজগাঁও এলাকার উপ-কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার (বর্র্তমানে রংপুর আছেন) আমার ভাই। সুতরাং এ বিষয়ে কথা বলে লাভ নেই। শুধু তাই নয়, এখনো আমাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের অপচিকিৎসা, অনিয়ম ও দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ২৫ জুন আমাদের নামে মিথ্য ও বানোয়াট অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। অথচ ঘটনাস্থলে একাধিক গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেদিন হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ দেখা হলেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে বলে তিনি দাবি করেন।

আনোয়ার-ই-তাসলিমা বলেন, সেদিন আমি হাসপাতালে গিয়েছি মানবতার খাতিরে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকেও মামলার আসামি করেছে। আমি এমন কিছু করিনি যে মামলার আসামি হতে হবে। আমি এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবি করছি।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র