Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

হলি আর্টিজান মামলায় পুলিশের এডিসিসহ চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ

হলি আর্টিজান মামলায় পুলিশের এডিসিসহ চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ
হলি আর্টিজানে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্ধার অভিযান, পুরনো ছবি
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

আলোচিত হলি আর্টিজান সন্ত্রাসী হামলার মামলায় পুলিশের গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারসহ চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এ নিয়ে ৫৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলো। 

মঙ্গলবার (১৮ জুন) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাহেদ মিয়া, বাড্ডা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার আবু তাহের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, এপিবিএন -এর কনস্টেবল মো. বাদশা ও পুলিশ কনস্টেবল অঞ্জন সরকার।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালত সাক্ষ্য রেকর্ড করে আগামী ২৫ জুন পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছেন। 

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে (স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ) হামলা চালায় জঙ্গিরা। ওই হামলায় ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।

এর আগে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর গ্রেনেড হামলা চালায় জঙ্গিরা। গ্রেনেড হামলায় ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ নিহত হন। পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে ছয় হামলাকারী নিহত হয়।

২০১৬ সালের ৪ জুলাই নিহত ৫ জঙ্গিসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে গুলশান থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

ঘটনায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় করাগারে থাকা ছয় আসামি হলেন- রাজীব গান্ধী, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ ও মামুনুর রশীদ।

আসামি শরিফুল ইসলাম পলাতক আছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্যাট হাতে প্রধান বিচারপতি

ব্যাট হাতে প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগ (এসপিএল)’ উদ্বোধন করেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণার পর অল্প কিছুক্ষণের জন্য নিজেও ব্যাট হাতে নেন প্রধান বিচারপতি।

উদ্বোধনের আগে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আইনজীবীদের মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পাবে। সারা দিন পেশাগত কর্মব্যস্ততার পর আইনজীবীদেরও রিক্রিয়েশন প্রয়োজন। রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা না থাকলে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী (বার) সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, এনএলএফ ল’ইয়ার্স সলিডারিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আজহার উল্লাহ ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ সময় বারের সহ-সভাপতি মো. আবদুল বাতেন ও মো. জসিম উদ্দিন, সহ-সম্পাদক কাজী শামসুল হাসান (শুভ) ও শরীফ ইউ আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মো. ইমাম হোসাইন, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী ও মোহাম্মদ শামীম সরদার উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত আইনজীবীদের এ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ২৫টি দল অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি দলে আটজন করে খেলোয়াড় থাকবেন। খেলা হবে পাঁচ ওভারে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস ও মুশফিক বাবু।

জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত

জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত
হাইকোর্ট

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে জেলা প্রশাসকের বালু মহাল ঘোষণা এবং ইজারা বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ভূমি সচিব, খনিজ সম্পদ সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) আটজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ অন্তবর্তীকালীন এ আদেশের পাশাপাশি রুল জারি করেন।

আদালতের রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান ও আইনজীবী ফয়েজ আহমেদ।

গত ২২ মে সুনামগঞ্জের ডিসি জাদুকাটা নদীকে বালু মহাল ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি দেন। স্থানীয় একটি পত্রিকায় এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির আলোকে গত ৯ জুলাই ডিসি জাদুকাটা নদীর বালু মহাল ইজারার বিজ্ঞপ্তি দেন দৈনিক ইত্তেফাকে।

বালু মহাল ঘোষণা এবং ইজারা বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন লিগ্যাল সাপোর্ট এবং পিপলস রাইট ফাউন্ডেশনের (এলএসপিআরএফ) চেয়ারম্যান আইনজীবী জহির উদ্দিন লিমন।

রিট আবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালে ৭ মার্চ খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয় সারা দেশের যেখানে বালু ও পাথর সমৃদ্ধ তা খনিজ সমৃদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হবে। ১৯৯২ সালের খনি ও খনিজ সম্পদ আইনে এটিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

জাদুকাটা নদীতে বালুর সাথে নুড়ী পাথর রয়েছে বিধায় এটি খনিজ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে বিধায় বালু মহালের মধ্যে পড়ে পড়ে না। তা সত্ত্বেও সুনামগঞ্জের ডিসি জাদুকাটা নদীকে বালু মহাল ঘোষণা দিয়েছেন যা আইন পরিপন্থী।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র