Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

আলোচিত আবরার নিহত মামলার প্রতিবেদন ২৭ জুন

আলোচিত আবরার নিহত মামলার প্রতিবেদন ২৭ জুন
আবরার আহমেদ চৌধুরী, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরীকে চাপা দেওয়া সুপ্রভাত পরিবহনের বাসটির মালিক ও চালকের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২১ মে) মামলাটির প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী এ নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন- ঘাতক বাসটির মালিক ননী গোপাল সরকার, চালক সিরাজুল ইসলাম, কন্ডাক্টর মো. ইয়াছিন আরাফাত ও হেলপার মো. ইব্রাহিম হোসেন।

তারা গ্রেফতারের পর বিভিন্ন সময় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা বর্তমানে কারাগারে আটক আছেন।

গত ১৯ মার্চ সুপ্রভাত পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব- ১১-৪১৩৫) বাসটি বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে আবরারকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ওই ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা হয়, পরে বাসের চালক সিরাজুল ইসলামকে আটক করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে সিরাজুল জানান, ভিক্টোরিয়া পার্ক থেকে ছেড়ে আসা সুপ্রভাত বাসটি শাহজাদপুর বাঁশতলা অতিক্রম করার সময় মিরপুর আইডিয়াল গার্লস কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী সিনথিয়া সুলতানা মুক্তাকে চাপা দেয়। এতে গুরুতর জখম হন মুক্তা।

ওই ঘটনায় যাত্রীরা চালক সিরাজুলকে আটক করে ট্রাফিক পুলিশে সোপর্দ করে। পরে জনতা বাসটির ক্ষতি করতে পারে, এমন আশঙ্কায় হেলপার ইয়াসিন আরাফাত মালিকের নির্দেশে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে বাস নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ওই সময় ওই গাড়ির নিচে চাপা পড়েন মারা যান আবরার।

আপনার মতামত লিখুন :

নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন বিষয়ক আদেশ মঙ্গলবার

নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন বিষয়ক আদেশ মঙ্গলবার
ছবি: সংগৃহীত

সংবাদপত্রের সাংবাদিক ও কর্মচারীদের বেতন কাঠামো নির্ধারণে গঠিত নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) আদেশ দেবেন আপিল বিভাগ।

রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি শেষে সোমবার (১৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. ইউসুফ আলী।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, 'সাংবাদিকদের ছাড়া গণমাধ্যমের মালিকদের অস্তিত্ব নেই'। সাংবাদিক না থাকলে সংবাদপত্র সাদা কাগজ হয়ে বের হবে রিট আবেদনের আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ এ কথা বললে প্রধান বিচারপতি এ মন্তব্য করেন।

এর আগে গত ১৬ আগস্ট আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার জজ বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেছিলেন।

তথ্যসচিব, শ্রমসচিব, নবম ওয়েজ বোর্ডের চেয়ারম্যান, মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়ক হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে গত ৮ আগস্ট আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন।

গত ৬ আগস্ট নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ওপর দুই মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ।

একই সঙ্গে অংশীজনদের (নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের-নোয়াব) আপত্তি ও সুপারিশ প্রজ্ঞাপনে বিবেচনায় না নেওয়া কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য সচিব, শ্রম সচিব ও ওয়েজ বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজামুল হককে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

আগের দিন ৫ আগস্ট হাইকোর্টে রিট করেন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি ও দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ওই আদেশ দেন হাইকোর্ট।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত ২৫ জুলাই জানিয়েছিলেন, নবম ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ চূড়ান্ত হয়েছে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন করলে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হবে। কিন্তু প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আগেই রিট করায় হাইকোর্টের আদেশে তা আটকে যায়।

আরও পড়ুন: নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন বিষয়ে শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে 

আরও পড়ুন: ৯ম ওয়েজবোর্ডের প্রজ্ঞাপন প্রকাশে দুই মাসের স্থিতাবস্থা

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ২ সিটির দক্ষতার অভাব দেখছেন হাইকোর্ট

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ২ সিটির দক্ষতার অভাব দেখছেন হাইকোর্ট
ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি) যথাসময়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। এটা নিলে হয়তো পরিস্থিতি এমন হতো না। তাদের দক্ষতার অভাব রয়েছে। তারা (সিটি করপোরেশন) সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করে জনগণের ওপর দায় চাপাচ্ছে। জনগণকে তাদের ঘরবাড়ি পরিষ্কার করতে বলা হচ্ছে। জনগণকে সচেতন হতে হবে-এটা ঠিক। কিন্তু সব দায় জনগণের এমনটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এসব মন্তব্য করেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম প্রতিবেদন আকারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অবহিত করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকল সরকারি হাসপাতালে ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বিদেশ থেকে ওষুধ আমদানিতে শুল্ক মুক্ত করা হয়েছে। ১০টি সার্ভিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। এরইমধ্যে ৪০টি হাসপাতালে ভ্রাম্যম্যাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। যেসব হাসপাতাল সরকারি নির্দেশনা অমান্য করেছে তাদের আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ 

আরও পড়ুন: সারাদেশে ডেঙ্গু রোগী ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে: ড. কামাল

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুল আলম। 

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশে আদালত বলেন, ‘ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কতজন মারা গেছে তা নিয়ে পত্রপত্রিকায় দুইরকম তথ্য দেখছি। সরকারি হিসাবে বলা হচ্ছে ৪৮ জন। কিন্তু বেসরকারি হিসাবে বলা হচ্ছে ৭২জন। এটা নিয়ে দুইরকম তথ্য কেন?’

জবাবে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, ‘সরকারি হিসাবে ৪৮ জন। যারা ডেঙ্গুতে মারা গেছেন তাদের কারও কারও অন্য রোগ থাকতে পারে। কারও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তাই এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়।’

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সচেতনতার সাথে প্রয়োজন সঠিক পদক্ষেপ

এ সময় আদালত বলেন, ‘ধরে নিচ্ছি, ৪৮ জনই মারা গেছে। যারা মারা গেছে তাদের পরিবারের কি অবস্থা তা একবার ভেবে দেখুন। ডেঙ্গু এখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। যথাসময়ে যদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে হয়তো এত লোককে মরতে হতো না। গত ফেব্রুয়ারিতে আমরা সতর্ক করেছিলাম। দুই সিটির সচিবকে ব্যবস্থা নিতে বলেছিলাম। কিন্তু আমাদের আদেশের পর দুই সিটির কর্তা ব্যক্তিদের কাছ থেকে যে ধরনের কথাবার্তা শুনলাম তা কারও কাম্য নয়। ডেঙ্গু মশার লার্ভা ও ডিম থাকে পানিতে। উনারা সেটা পরিষ্কার না করে রাস্তায় ময়লা ফেলে পরিষ্কার করলেন। এটা নেহায়েতই হাস্যকর।’ 

আদালত আরও বলেন, ‘কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই বছরের পর বছর একই ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। অথচ ওই ওষুধে কাজ হচ্ছে না। একটি ওষুধ বারবার ব্যবহার করলে তা সহনীয় হয়ে যায়। এটা বুঝতে হবে। দেখুন না, এখন অ্যারোসল আর ঠিকমতো কাজ করে না। এ সময় একজন আইনজীবী বলেন, ‘অ্যারোসলে মশা মরে না।’

আরও পড়ুন: ‘ডেঙ্গু মশা একটু অ্যারিস্টোক্রেটিক হয়ে গেছে!’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করতে গেলে আদালত বলেন, ‘আমরাতো কোনো রুল জারি করিনি। আরেকটি বেঞ্চ রুল জারি করেছে। সেখানে প্রতিবেদন জমা দিন।’

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘এই আদালত মৌখিকভাবে এক আদেশে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ জানতে চেয়েছিলেন। তাই সরকার বিষয়টি জানিয়েছে।’ 

আদালত বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা কোনো আদেশ দিচ্ছি না।’  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র