Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

খালেদা-তারেকের ড্যান্ডি ডায়িং মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

খালেদা-তারেকের ড্যান্ডি ডায়িং মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ঋণখেলাপের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ১৬ বিবাদীর বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ১৪ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (১৫ মে) মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলাটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে মর্মে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলম এ আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৪ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বিচারক ইস্যু গঠন করলে মামলাটির বিচার শুরু হয়।

২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার বিবাদীরা হলেন, ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কাদরের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিবাদীরা ড্যান্ডি ডাইংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করে।

২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর ঋণ পুনঃতফসিলিকরণও করা হয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বারবার কালক্ষেপণ করতে থাকেন।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হলেও বিবাদীরা কোনো অর্থ দেননি।

আপনার মতামত লিখুন :

শিশু গহীনকে পেতে সাত দম্পতির আদালতে আবেদন

শিশু গহীনকে পেতে সাত দম্পতির আদালতে আবেদন
শিশু হাসপাতালের বাথরুম থেকে উদ্ধার হওয়া শিশু গহীন, পুরনো ছবি

ঢাকার শেরেবাংলানগরস্থ শিশু হাসপাতালের বাথরুমে ফেলে যাওয়া নবজাতক শিশু গহীনকে পেতে সাত দম্পতি আদালতে আবেদন করেছেন।

সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক, ছোট সোনামনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাবধায়ক ও পরিচালককে বিবাদী করে দম্পতিগুলো পৃথক পৃথক এ আবেদন জমা দেন।

ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক সাফিয়া শারমিন সকল আবেদনের বিষয়ে আগামী ২ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন।

গত ১৪ মে রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানাধীন শিশু হাসপাতালের একটি বাথরুমের ভেতর থেকে ৩-৪ দিন বয়সী নবজাতক কন্যা শিশু গহীনকে উদ্ধার করা হয়। এরপরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে দুইদিন পর রাজধানীর আজিমপুরস্থ সরকারি ছোটমণি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন: হাসপাতালের বাথরুম থেকে নবজাতক উদ্ধার

উদ্ধারের পর হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল মাহমুদ ও তার স্ত্রী পলি বেগম গহীনের দেখভাল করেন। শিশুটির নাম তাদেরই দেয়া।

সাত দম্পতির মধ্যে হাসপাতালে দুইদিন দেখভাল করা রাসেল মাহমুদ ও তার স্ত্রী পলি বেগমও রয়েছেন। আট বছরের বিবাহিত জীবনে তারা নিঃসন্তান।

অপর ছয় দম্পতিরা হলেন- সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার মো. শাহ আলম শাহীন ও তার স্ত্রী যুব মহিলা লীগের নির্বাহী সদস্য এবং মানবাধিকার সংস্থা আশকের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হামিদা আক্তার মিতা।

আবেদনকারীরা শিশুটিকে দত্তক নিয়ে প্রথমে হাসপাতালে ও পরে ছোট সোনামনি নিবাসে যান। কিন্তু হাসপাতাল বা ছোট সোনামনি নিবাস থেকে শিশু দত্তক নেয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় তারা আদালতে আবেদন করেন।

রেলের আধুনিকায়ন ও সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রেলের আধুনিকায়ন ও সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
পুরনো ছবি

নিরাপদ ও সহজলভ্য রেলওয়ে ব্যবস্থা গঠনে রেলের আধুনিকায়ন ও সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। এতে সারাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ রেললাইন দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে সারাদেশে রেললাইনের আধুনিকায়ন, সংস্কার এবং সংরক্ষণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জিও করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অমিত দাসগুপ্ত হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেছেন।

অমিত দাসগুপ্ত জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হবে।

গত ২৫ জুন একটি দৈনিকে ‘সংস্কারের অভাবেই রেলে মৃত্যুফাঁদ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়েছে রিট আবেদনে। গত রোববার মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় উপবন এক্সপ্রেসের বগি কালভার্ট ভেঙে খাদে পড়ে হলে চারজন নিহত হলে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র