Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

হাব-প্রিমিয়ার ব্যাংক মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল

হাব-প্রিমিয়ার ব্যাংক মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল
ইফতার মাহফিলে হাব-প্রিমিয়ার ব্যাংকের কর্মকর্তারা, ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি হাব (হজ্জ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সদস্যদের সম্মানে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষ থেকে মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন হাবের প্রেসিডেন্ট এম. শাহাদাৎ হোসাইন তসলিম।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব এম রিয়াজুল করিম (এফসিএমএ) -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন হাবের মহাসচিব ফারুক আহমেদ সরদার।

এ ছাড়াও ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জাব্বার চৌধুরী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুদ্দিন চৌধুরী, ইসলামিক ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব মো. কবীর হোসেন এবং হাবের নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ ও ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

নোমানের দুর্নীতি মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ

নোমানের দুর্নীতি মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ
আবদুল্লাহ আল নোমান

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের দুর্নীতির মামলা তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলার চার সাক্ষীর পুনরায় জবানবন্দী নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ১৯ জুন আবদুল্লাহ আল নোমান মামলায় সাক্ষীদের জবানবন্দি না পাওয়া, সঠিক পন্থায় জেরা না করা ও চারজন সাক্ষীর পুনরায় সাক্ষ্য নেওয়ার আবেদন করেন।

আদালত তার আবেদন নাকচ করে আগামী ৩০ জুন রায়ের দিন ধার্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে নোমান হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে তিনি মামলাটির কার্যক্রম স্থগিতের আর্জি জানান।

আদালতে আবদুল্লাহ আল নোমানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ৭ আগস্ট তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো নোমানকে ৪৫ দিনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দিতে নোটিশ দেন। ওই বছরের ২৬ অক্টোবর নোটিশ গ্রহণ করেও তিনি সম্পত্তির হিসাব দাখিল করেননি। সম্পত্তির হিসাব দাখিল না করায় দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল জাহিদ বাদী হয়ে ১৯৯৮ সালের ১৯ আগস্ট ধানমন্ডি থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অভিযোগপত্র দাখিল হয়। এ মামলায় এ পর্যন্ত সাতজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

রণদা প্রসাদ সাহা হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

রণদা প্রসাদ সাহা হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার
রণদা প্রসাদ সাহা। ছবি: সংগৃহীত

দানবীর ব্যক্তিত্ব রণদা প্রসাদ সাহা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে বৃহস্পতিবার (২৭ জুন)। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় তাকে হত্যা করা হয়েছিল।

দুই মাস অপেক্ষমাণ থাকার পর বুধবার (২৬ জুন) সকালে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য ওই দিন ধার্য করেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর রানা দাসগুপ্ত রায়ের দিন ধার্য করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ২৪ এপ্রিল রণদা প্রসাদ সাহা হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার শুনানি হয়। এর ধারাবাহিকতায় আজ রায়ের দিন ধার্য করা হলো।

ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- প্রসিকিউটর রানা দাসগুপ্ত। তার সঙ্গে ছিলেন তাপস কান্তি বল। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এম এইচ তানিম।

রণদা প্রসাদ সাহাকে হত্যার অভিযোগে গত বছরের ২৮ মার্চ আসামি মো. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল। গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি আসামি মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

মাহবুবুর রহমান জামায়াতের সমর্থক ছিলেন। তিনি তিনবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও প্রতিবারই পরাজিত হন।

রণদা প্রসাদ সাহার পৈতৃক নিবাস ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে। সেখানে তিনি কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করে একাধিক শিক্ষা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এক সময় নারায়ণগঞ্জে পাটের ব্যবসা করতেন রণদা প্রসাদ সাহা। থাকতেন নারায়ণগঞ্জের খানপুরের সিরাজদিখানে। সেই বাড়ি থেকেই তাকে, তার ছেলে ও অন্যদের ধরে নিয়ে যান আসামি মাহবুবুর রহমান ও তার সহযোগীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র