Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঢাকা আইনজীবী সমিতির ইফতার মঙ্গলবার

ঢাকা আইনজীবী সমিতির ইফতার মঙ্গলবার
ঢাকা আইনজীবী সমিতির লোগো
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

এশিয়ার বৃহত্তম বার খ্যাত ঢাকা আইনজীবী সমিতি প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। আগামী মঙ্গলবার (১৪ মে) এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা বারের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রশীদ খান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঐতিহ্যবাহী ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে প্রতিবছর রজমানে একদিন ইফতার ও দোয়ার আয়োজন করা হয়ে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও মঙ্গলবার ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি জানান, ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে ২৪ হাজার ৮৯৯ জন নিবন্ধিত আইনজীবী আছেন। কোর্টে প্রায় ১০ হাজার আইনজীবী নিয়মিত যাতায়াত করেন। তবে তারাবিহ নামাজ থাকায় অনেক আইনজীবী এখানে ইফতার করেন না। তবে আশা করি, এবার সবাই অংশ নেবেন।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান খান রচি বার্তা২৪.কমকে বলেন, এবার সাড়ে চার হাজার আইনজীবী ইফতার করতে পারবেন, এমন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যা গত বারের চেয়ে বেশি।

তিনি জানান, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি গাজী মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন এবং ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট ড. একেএম এমদাদুল হক ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদুল কবির।

আপনার মতামত লিখুন :

হাইকোর্টের ৩ বিচারপতিকে বেঞ্চ দেওয়া হয়নি

হাইকোর্টের ৩ বিচারপতিকে বেঞ্চ দেওয়া হয়নি
হাইকোর্ট

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের তিন বিচারপতিকে বিচার কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজাউল হক এবং বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হককে বিচার কাজ থেকে বিরত রাখা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনের এ বিষয়ে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আজকের কার্যতালিকায় তিন বিচারপতির নাম নেই। এ বিষয়ে তিনি আর কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

হাইকোর্টের বৃহস্পতিবারের কার্যতালিকায় তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এ কার্যতালিকা করে বিচারপতিদের এখতিয়ার ও অধিক্ষেত্র ভাগ করে দেন।

আগের দিন বুধবার এ তিন বিচারপতির বেঞ্চ ও এখতিয়ার ছিল। তারা দেওয়ানি মামলার রুল ও আবেদন শুনতেন।

মূল ভবনের ১০ নম্বর এজলাসে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপ বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ দ্বৈত বেঞ্চে বসতেন। বিচারপতি কাজী রেজাউল হক মূল ভবনের ৬ নম্বর এজলাসে এবং বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক অ্যানেক্স ভবনের ৩০ নম্বর এজলাসে বসতেন।

বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ২০০২ সালের ২৯ জুলাই হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি নিযুক্ত হন। দুই বছর স্থায়ী বিচারপতির শপথ নেন তিনি।

বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল অতিরিক্ত বিচারপতি নিযুক্ত হন এবং ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল স্থায়ী বিচারপতি হন তারা।

আদালতে না নিয়ে সাজা: সতর্ক করা হলো চট্টগ্রামের ইউএনও, ওসিদের

আদালতে না নিয়ে সাজা: সতর্ক করা হলো চট্টগ্রামের ইউএনও, ওসিদের
ছবি: সংগৃহীত

গ্রেফতার বা আটকের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে হাজির না করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়ার ঘটনায় চট্টগ্রাম জেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) সতর্ক করেছেন চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

একটি বিজ্ঞপ্তিতে আইন বহির্ভূত এ ধরনের সাজা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) কামরুন নাহার রুমীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কীকরণ করা হয়েছে। নোটিশটি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের হাতে এসেছে বুধবার (২১ আগস্ট)।

নোটিশে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলার থানার ওসিরা ধৃত আসামিদের নিয়মিত আদালতে হাজির না করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করছে। এরপর ইউএনও এবং এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার ভূমি) তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিচ্ছে। যা স্থানীয় পত্রিকা ও বিভিন্ন উৎস থেকে গোচরীভূত হয়েছে সিজেএম কার্যালয়ে।

এ ধরণের সাজা দেওয়া ঘটনা ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন ২০০৯ এবং হাইকোর্টের রায়ের লঙ্ঘন।

২০১৭ সালের ১৪ মে স্বপ্রণোদিত রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ রাষ্ট্র বনাম ইউএন, সখীপুর টাঙ্গাইল এবং অন্যান্য মামলায় ঘোষিত এক রায়ে বলা হয়েছে, ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচার শুরুর আগে পুলিশের হাতে আটক বা গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন ২০০৯ এ শাস্তি প্রদানের সুযোগ নেই। যদি কোন ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া হয় তাহলে ওই ভ্রাম্যমাণ আদালতের সম্পূর্ণ বিচার প্রক্রিয়া কুলষিত বলে বিবেচিত হবে। ঘোষিত শাস্তি অবৈধ ও এখতিয়ার বহির্ভূত হবে।

নোটিশে বলা হয় সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ মোতাবেক এ রায় মানা সকলের জন্য বাধ্যকর।

টাঙ্গাইলের সখিপুরে প্রতীমা পাবলিক হাইস্কুলের শিক্ষার্থী সাব্বির শিকদারকে ইউএনও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ বছরের সাজা দিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর একটি ইংরেজি দৈনিকে ‘বয় জেলড ফর এফবি কমেন্ট অ্যাবাউট এমপি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা হাইকোর্টের নজরে আনেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে স্বপ্রণোদিত রুল জারি এবং পরে সখীপুরের ইউএনও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং ওসি মোহাম্মদ মাকসুদুল আলমকে তলব করেন হাইকোর্ট।

২০১৭ সালের ১৪ মে রুল নিষ্পত্তি করে হাইকোর্ট স্কুল শিক্ষার্থী সাব্বির শিকদারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া দুই বছরের সাজা অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে সাব্বির শিকদারকে নির্যাতনের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। ইউএনও এবং ওসিকে সখীপুর থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র