Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

নাশকতার মামলায় বিএনপি নেতা হাসান উদ্দিন সরকারের বিচার শুরু

নাশকতার মামলায় বিএনপি নেতা হাসান উদ্দিন সরকারের বিচার শুরু
গাজীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নাশকতার মামলায় বিএনপির নেতা ও গাজীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকারসহ ৫ জনের বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

অপর আসামিরা হলেন- জুয়েল ওরফে বাঘা জুয়েল, সোলায়মান, শাখাওয়াত হোসেন সৈকত এবং আইনুল ইসলাম চঞ্চল।

সোমবার (১৩ মে) ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। এ সময় আসামিদের মামলায় দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হলে বিচারক তা নাকচ করে দেন। এর মধ্যে দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

হাসান উদ্দিন সরকার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি থেকে মেয়র প্রার্থী ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিএনপির জামায়াতের ডাকা হরতাল-অবরোধে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণীতে মহাখালী হতে সাতরাস্তাগামী একটি বলাকা মিনিবাস থেকে হৈ-চৈ শোনা যায়।

এ সময় চাদর পরিহিত এক যুবক বাস থেকে লাফ দিলে পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে এক লিটার সেভেন আপ বোতলে অকটেন পায়। তার সহযোগীকেও আটক করা হয়।

ওই মামলায় হাসান ‍উদ্দিন সরকারকে হুকুমের আসামি করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

জরিমানা আদায়ে গ্রামীণফোনকে নতুন চিঠি দেওয়ার নির্দেশ

জরিমানা আদায়ে গ্রামীণফোনকে নতুন চিঠি দেওয়ার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

গ্রামীণফোনের কাছ থেকে জরিমানার ৩০ কোটি টাকা আদায়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) নতুন করে চিঠি দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। চার মাসের মধ্যে বিটিআরসি আইনের ৬৩ ও ৬৫ নম্বর ধারা মোতাবেক এ চিঠি দিতে হবে গ্রামীণফোনকে।

এর আগে ‘গো’ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার জন্য ৩০ কোটি টাকা জরিমানার তিনটি চিঠি বাতিল ঘোষণা করে এ নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিটিআরসির চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণফোনের করা রিটের রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) নামের ইন্টারনেট সার্ভিসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তা ২০১৬ সাল পর্যন্ত অব্যাহত রাখায় রাষ্ট্রের কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা অডিটর জেনারেল-এর মাধ্যমে নিরূপণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিটিআরসিকে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

বিটিআরসির আইনজীবী ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্রামীণফোন বিটিআরসির অনুমোদন ছাড়াই এনটিটিএন সার্ভিস চালু রাখে যা আইনসিদ্ধ হয়নি। এনটিটিএন সার্ভিসের কারণে রাষ্ট্রের কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা অডিটর জেনারেলের মাধ্যমে নিরূপনের জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

‘গো’ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাকে অবৈধ ঘোষণার কারণ হিসেবে বিটিআরসির পক্ষ থেকে বলা হয়, টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী- কোনো মোবাইল ফোন অপারেটর সরাসরি তাদের অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে এ ধরনের ‘লাস্ট মাইল কানেকটিভিটি’ সেবা দিতে পারে না। লাস্ট মাইল কানেকটিভিটি হলো অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সর্বশেষ পর্যায়ের সংযোগ।

কিন্তু গ্রামীণফোন ‘গো’ ব্রডব্যান্ড সেবার নামে সোনালী ব্যাংককে সরাসরি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে- এমন অভিযোগ তোলে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। ২০১৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি’র কাছে তারা লিখিত অভিযোগ দেয়।

অবৈধ সেবা দেওয়ার কারণ জানতে ওই বছরের মার্চের শেষ দিকে গ্রামীণফোনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিটিআরসি। কিন্তু সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় গ্রামীণফোনকে ৩০ কোটি টাকা জরিমানা করে বিটিআরসি। জরিমানার এ সিদ্ধান্ত ২০১৬ সালের ৬ ও ২৯ নভেম্বর এবং ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারি পৃথক তিনটি চিঠি দিয়ে জানায় বিটিআরসি। এই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে রিট আবেদন করে গ্রামীণফোন। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট তিনটি চিঠির কার্যকারিতা স্থগিত করেন। সেইসাথে চিঠি কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এ রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেয়া হলো।

কোটা আন্দোলনের তিন নেতার মামলার কার্যক্রম স্থগিত

কোটা আন্দোলনের তিন নেতার মামলার কার্যক্রম স্থগিত
মো. রাশেদ খান, মো. শাখাওয়াত হোসেন রাতুল এবং লুৎফুননাহার লুমা, ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের তিন যুগ্ম আহ্বায়কের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

তিন ছাত্র নেতা হলেন- মো. রাশেদ খান, মো. শাখাওয়াত হোসেন রাতুল এবং লুৎফুননাহার লুমা।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পৃথক তিনটি আবেদনে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করেন তারা।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আদেশের পর জ্যোতির্ময় বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, 'সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় গত বছর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৫৭ ধারায় মো. রাশেদ খান, মো. শাখাওয়াত হোসেন রাতুল এবং লুৎফুননাহার লুমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। গত বছর ৮ অক্টোবর সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ পাস করে। ওই আইনের পর আগের আইনে এদের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত চলছিল। এর প্রেক্ষিতে মামলার তদন্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন তারা।'

আদালত তদন্ত কার্যক্রম স্থগিতের পাশাপাশি তদন্ত কার্যক্রম কেন কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র