Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মুন্সিগঞ্জের শাহিন হত্যায় ৭ জনের যাবজ্জীবন

মুন্সিগঞ্জের শাহিন হত্যায় ৭ জনের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পূর্ব শত্রুতার জেরে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থানাধীন আলামিন বাজারে যুবলীগ নেতা শাহিন হত্যা মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় ১৬ জনকে এ মামলায় বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মো. মনির কামাল এ রায় প্রদান করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সোহেল চৌকিদার, এমারত চৌকিদার, আওলাদ চৌকিদার, মো. বাঁধন, রনি কাজী, রাজা খাঁ এবং মাসুদ তালুকদার।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রাজা খাঁ ছাড়া অপর আসামিরা পলাতক আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- রনি সিকদার ওরফে কানা রনি, জসীম ওরফে চোরা জসিম, মুক্তার হাওলাদার, আমজাদ হোসেন, জহুরুল কাজী, শাহীন চৌকিদার, সাব্বির শেখ, শাকিল শেখ, রাসেল হাওলাদার, মিঠু হাওলাদার, জুয়েল মোল্লা, সেতু মোল্লা, রুবেল মৃধা, ভুট্টু চৌকিদার, বাবু খাঁ ও রিমন খাঁ।

রায়ের বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৬ মার্চ মামলার শাহিন আরাম পরিবহনের বাসে করে শ্রীনগর যাচ্ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আলামিন বাজার বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব ব্রিজের আসামিরা ওপর ওত পেতে ছিলেন। বাসটি ব্রিজের উপর আসলে কয়েক আসামিরা থামিয়ে ভেতরে ঢুকে শাহিনকে গুলি করে।

অপর আসামিরা তাদের হাতে থাকা রাম দা দিয়ে শাহিনকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত মনে করে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন শাহিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ওই ঘটনায় শাহিনের ফুফু কানন বেগম মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থানায় ১১ মার্চ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি রায়ের আগে ২৯ সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্যারিস্টার সুমনের মামলার তদন্তপূর্বক প্রতিবেদনের নির্দেশ

ব্যারিস্টার সুমনের মামলার তদন্তপূর্বক প্রতিবেদনের নির্দেশ
ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন, ছবি: সংগৃহীত

ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে করা মামলাটির গ্রহণ করে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ভাষাণটেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এই প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুলাই) সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস্‌সামছ জগলুল হায়দার এ আদেশ দেন।

এর আগে বিকালে সনাতন ও হিন্দু ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

রাজধানীর ভাষাণটেক এলাকার বাসিন্দা গৌতম কুমার এদবর বাদী হয়ে এ মামলার আবেদন করেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস শামছ জগলুল হোসেন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষে মামলা করেন অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সুমন গত ১৯ জুলাই তার ফেসবুক পেজে লেখেন, 'পৃথিবীর মধ্যে নিকৃষ্ট এবং বর্বর জাতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা, যাদের ধর্মের কোনো ভিত্তি নেই। মনগড়া বানানো ধর্ম।'

মামলার আবেদন আরও উল্লেখ কর হয়, তার এহেন বক্তব্য মিথ্যা অশ্লীল ও চরম আপত্তিকর। তার গ্রুপে বক্তব্য হিন্দু সমাজ তথা গোটা জাতির মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তবে সুমন তার ভেরিফাইড পেইজ ছাড়া অন্য কোনো পেইজ থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। গত ২০ জুলাই তিনি তার ভেরিফাইড পেইজে লেখেন, 'আমার নাম ব্যাবহার করে একটি ফেইক পেইজ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। আমি এ বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি। আপনারা সচেতন থাকবেন। এটাই আমার একমাত্র পেইজ যার ফলোয়ার ২০ লক্ষের অধিক।'

আরও পড়ুন: ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা

দুই সিটির পদক্ষেপে অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট, স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তলব

দুই সিটির পদক্ষেপে অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট, স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তলব
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাতে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশা নিধনে দুই সিটি করপোরেশনের গৃহীত পদক্ষেপে অসন্তুষ্টি জানিয়েছেন হাইকোর্ট। এতে দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তলব করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী বৃহস্পতিবার তাদের হাইকোর্টে হাজির হয়ে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টেও দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সায়রা ফায়রোজ। তিনি বলেন, 'আদালত দুটি প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে দুই প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে তলব করেছেন।'

এদিন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. শরীফ আহমেদ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মোমিনুর রহমান মামুন মশা নিধনে গৃহীত কার্যক্রমের প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন। আদালত পৃথক দুটি প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, 'ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মশা নির্মূলে প্রতিটি ওয়ার্ডে সকালে মশার লার্ভা ধ্বংসে লার্ভিসাইড স্প্রে এবং বিকালে এডাল্টিসাইড স্প্রে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে সেমিনার ও মতবিনিময় কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।'

আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, 'ওষুধ ছিটাচ্ছি। সচেতনতা ও মতবিনিময় দিয়ে কী হবে? আপনারা সচেতন কি না। যদি না পারেন, আপনারা একটি আবেদন নিয়ে আসুন সচেতন হওয়ার জন্য জনগণের ওপর রুল দিই। আপনাদেরতো কাজ নেই। আপনাদের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল।

আদালত বলেন, 'যদি পদক্ষেপ নেওয়াই হয় তাহলে মানুষ কেন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে? এতো কথা না বলে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করুন।'

এর আগে গত ১৪ জুলাই হাইকোর্টের একই বেঞ্চ রাজধানীতে ডেঙ্গু নির্মূল ও ধ্বংসে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বাহিত রোগের বিস্তার রোধে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে দুই সিটি করপোরেশনকে।

ওইদিন ২২ জুলাইর মধ্যে ডেঙ্গু ও চিনগুনিয়া মশার বিস্তার এবং বংশ বিস্তার রোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা হলফনামা আকারে অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে আদালতকে জানাতে বলা হয়।

আদালত রুল জারি করে নগরীতে এডিস মশা নির্মূল এবং ও ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ এ ধরনের রোগের বিস্তার রোধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। দুই মেয়র, দুই প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে হবে।

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আসলে স্বপ্রণোদিত এ আদেশ দেন আদালত।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র