Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

সালমান শাহ’র ‘অপমৃত্যু’: প্রতিবেদন ২২ মে

সালমান শাহ’র ‘অপমৃত্যু’: প্রতিবেদন ২২ মে
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র অপমৃত্যু মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২২ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার  (২৩ এপ্রিল) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (পিবিআই) এদিন কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকী বিল্লাহ প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ দিন ধার্য করেন।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চলচ্চিত্র নায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি।

অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি এক সঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। পরে র‌্যাবের হাত ঘুরে তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। পরে ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন। ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠান আদালত। এরপর প্রায় ১২ বছরে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বাদীপক্ষ আদালতে সাক্ষী হাজির না করায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল বিলম্বিত হয়।

অবশেষে গত বছরের ৩ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) বিকাশ কুমার সাহার কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। এ প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী সালমান শাহের বাবা কমর উদ্দিনআহমদ চৌধুরী মারা যাওয়ায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রত্যাখান করে প্রতিবেদনের উপর নারাজি দাখিল করেছিলেন।

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

জরিমানা আদায়ে গ্রামীণফোনকে নতুন চিঠি দেওয়ার নির্দেশ

জরিমানা আদায়ে গ্রামীণফোনকে নতুন চিঠি দেওয়ার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

গ্রামীণফোনের কাছ থেকে জরিমানার ৩০ কোটি টাকা আদায়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) নতুন করে চিঠি দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। চার মাসের মধ্যে বিটিআরসি আইনের ৬৩ ও ৬৫ নম্বর ধারা মোতাবেক এ চিঠি দিতে হবে গ্রামীণফোনকে।

এর আগে ‘গো’ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার জন্য ৩০ কোটি টাকা জরিমানার তিনটি চিঠি বাতিল ঘোষণা করে এ নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিটিআরসির চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণফোনের করা রিটের রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) নামের ইন্টারনেট সার্ভিসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তা ২০১৬ সাল পর্যন্ত অব্যাহত রাখায় রাষ্ট্রের কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা অডিটর জেনারেল-এর মাধ্যমে নিরূপণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিটিআরসিকে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

বিটিআরসির আইনজীবী ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্রামীণফোন বিটিআরসির অনুমোদন ছাড়াই এনটিটিএন সার্ভিস চালু রাখে যা আইনসিদ্ধ হয়নি। এনটিটিএন সার্ভিসের কারণে রাষ্ট্রের কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা অডিটর জেনারেলের মাধ্যমে নিরূপনের জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

‘গো’ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাকে অবৈধ ঘোষণার কারণ হিসেবে বিটিআরসির পক্ষ থেকে বলা হয়, টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী- কোনো মোবাইল ফোন অপারেটর সরাসরি তাদের অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে এ ধরনের ‘লাস্ট মাইল কানেকটিভিটি’ সেবা দিতে পারে না। লাস্ট মাইল কানেকটিভিটি হলো অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সর্বশেষ পর্যায়ের সংযোগ।

কিন্তু গ্রামীণফোন ‘গো’ ব্রডব্যান্ড সেবার নামে সোনালী ব্যাংককে সরাসরি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে- এমন অভিযোগ তোলে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। ২০১৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি’র কাছে তারা লিখিত অভিযোগ দেয়।

অবৈধ সেবা দেওয়ার কারণ জানতে ওই বছরের মার্চের শেষ দিকে গ্রামীণফোনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিটিআরসি। কিন্তু সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় গ্রামীণফোনকে ৩০ কোটি টাকা জরিমানা করে বিটিআরসি। জরিমানার এ সিদ্ধান্ত ২০১৬ সালের ৬ ও ২৯ নভেম্বর এবং ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারি পৃথক তিনটি চিঠি দিয়ে জানায় বিটিআরসি। এই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে রিট আবেদন করে গ্রামীণফোন। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট তিনটি চিঠির কার্যকারিতা স্থগিত করেন। সেইসাথে চিঠি কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এ রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেয়া হলো।

কোটা আন্দোলনের তিন নেতার মামলার কার্যক্রম স্থগিত

কোটা আন্দোলনের তিন নেতার মামলার কার্যক্রম স্থগিত
মো. রাশেদ খান, মো. শাখাওয়াত হোসেন রাতুল এবং লুৎফুননাহার লুমা, ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের তিন যুগ্ম আহ্বায়কের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

তিন ছাত্র নেতা হলেন- মো. রাশেদ খান, মো. শাখাওয়াত হোসেন রাতুল এবং লুৎফুননাহার লুমা।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পৃথক তিনটি আবেদনে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করেন তারা।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আদেশের পর জ্যোতির্ময় বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, 'সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় গত বছর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৫৭ ধারায় মো. রাশেদ খান, মো. শাখাওয়াত হোসেন রাতুল এবং লুৎফুননাহার লুমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। গত বছর ৮ অক্টোবর সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ পাস করে। ওই আইনের পর আগের আইনে এদের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত চলছিল। এর প্রেক্ষিতে মামলার তদন্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন তারা।'

আদালত তদন্ত কার্যক্রম স্থগিতের পাশাপাশি তদন্ত কার্যক্রম কেন কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র