Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রাবি শিক্ষক শফিউল হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি

রাবি শিক্ষক শফিউল হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি
রাবি শিক্ষক শফিউল ইসলাম লিলন / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেট
রাজশাহী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শফিউল ইসলাম লিলন হত্যা মামলায় তিন আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার সাহা জনাকীর্ণ আদালতে মামলার রায় পড়ে শোনান।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাবির সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুস সালাম পিন্টু, আরিফুল ইসলাম মানিক, সবুজ। এর মধ্যে সবুজ পলাতক রয়েছেন। অন্য দু’জন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদেরকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ওই মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি রাজশাহী জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জলসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। খালাসপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছাত্রদল নেতা পিন্টুর স্ত্রী নাসরিন আক্তার রেশমা, সিরাজুল ইসলাম কালু, আল-মামুন, সাগর, জিন্নাত আলী, ইব্রাহীম খলীল ও আরিফ।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এন্তাজুল হক বাবু। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. একরামুল হক, মিজানুল ইসলাম, আবু বাক্কার, রাইসুল ইসলাম ও আব্দুল মালেক রানা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/15/1555313423956.jpg

এদিকে মামলার রায়ে সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক শফিউলের ছেলে সৌমিন শাহরিদ জেভিন। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘মামলার পর তদন্তে গাফিলতি করা হয়। আমি আদালতকে নয়, বরং মামলার তদন্ত কর্মকর্তার প্রতি অনাস্থা জানাচ্ছি। মামলার তদন্ত যেভাবে হওয়ার কথা ছিল, তা ছিটেফোঁটাও হয়নি।’

রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল এবং পুনঃতদন্তের জন্য আবেদন করবেন বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ড. শফিউল ইসলামকে। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মুহাম্মদ এন্তাজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্যাট হাতে প্রধান বিচারপতি

ব্যাট হাতে প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগ (এসপিএল)’ উদ্বোধন করেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণার পর অল্প কিছুক্ষণের জন্য নিজেও ব্যাট হাতে নেন প্রধান বিচারপতি।

উদ্বোধনের আগে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আইনজীবীদের মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পাবে। সারা দিন পেশাগত কর্মব্যস্ততার পর আইনজীবীদেরও রিক্রিয়েশন প্রয়োজন। রিক্রিয়েশনের ব্যবস্থা না থাকলে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী (বার) সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, এনএলএফ ল’ইয়ার্স সলিডারিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আজহার উল্লাহ ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ সময় বারের সহ-সভাপতি মো. আবদুল বাতেন ও মো. জসিম উদ্দিন, সহ-সম্পাদক কাজী শামসুল হাসান (শুভ) ও শরীফ ইউ আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মো. ইমাম হোসাইন, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী ও মোহাম্মদ শামীম সরদার উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত আইনজীবীদের এ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ২৫টি দল অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি দলে আটজন করে খেলোয়াড় থাকবেন। খেলা হবে পাঁচ ওভারে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস ও মুশফিক বাবু।

জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত

জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত
হাইকোর্ট

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে জেলা প্রশাসকের বালু মহাল ঘোষণা এবং ইজারা বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ভূমি সচিব, খনিজ সম্পদ সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) আটজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ অন্তবর্তীকালীন এ আদেশের পাশাপাশি রুল জারি করেন।

আদালতের রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান ও আইনজীবী ফয়েজ আহমেদ।

গত ২২ মে সুনামগঞ্জের ডিসি জাদুকাটা নদীকে বালু মহাল ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি দেন। স্থানীয় একটি পত্রিকায় এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির আলোকে গত ৯ জুলাই ডিসি জাদুকাটা নদীর বালু মহাল ইজারার বিজ্ঞপ্তি দেন দৈনিক ইত্তেফাকে।

বালু মহাল ঘোষণা এবং ইজারা বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন লিগ্যাল সাপোর্ট এবং পিপলস রাইট ফাউন্ডেশনের (এলএসপিআরএফ) চেয়ারম্যান আইনজীবী জহির উদ্দিন লিমন।

রিট আবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালে ৭ মার্চ খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয় সারা দেশের যেখানে বালু ও পাথর সমৃদ্ধ তা খনিজ সমৃদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হবে। ১৯৯২ সালের খনি ও খনিজ সম্পদ আইনে এটিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

জাদুকাটা নদীতে বালুর সাথে নুড়ী পাথর রয়েছে বিধায় এটি খনিজ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে বিধায় বালু মহালের মধ্যে পড়ে পড়ে না। তা সত্ত্বেও সুনামগঞ্জের ডিসি জাদুকাটা নদীকে বালু মহাল ঘোষণা দিয়েছেন যা আইন পরিপন্থী।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র