Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছাত্রলীগকর্মী খান্নাস হত্যার দায়ে ৪ জনের ফাঁসি

ছাত্রলীগকর্মী খান্নাস হত্যার দায়ে ৪ জনের ফাঁসি
আসামিদের আদালতে নেওয়া হচ্ছে / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নাটোর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নাটোরের লালপুরে ছাত্রলীগকর্মী মোয়াজ্জেম হোসেন খান্নাস হত্যা মামলায় চার জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে একজনকে যাবজ্জীবন (আমৃত্যু) সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দীক এই রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন- লালপুর উপজেলার বাসিন্দা শামিম হোসেন, আব্দুল মতিন, সুজন ও আব্দুস শুকুর ওরফে বাবু। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন মো. সান্টু। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

নাটোর জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিউকিটর (পিপি) মো. সিরাজুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ছিলেন মাসুদ হাসান এবং আসামি পক্ষে ছিলেন আতিকুল্লাহ বিশ্বাস ও রাশিদা খাতুন (স্টেট ডিফেন্স)। মামলা দায়েরের ১৪ বছর ১ মাস ১৩ দিন পর রায় দেওয়া হল।

জানা গেছে, ২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচোনোত্তর সহিংসতায় লালপুর উপজেলা ছাত্রলীগ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন খান্নাসকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পরদিন নিহত খান্নাসের বাবা আব্দুল খালেক লালপুর থানায় ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার তদন্ত শেষে ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ।

এদের মধ্যে দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে বৃহষ্পতিবার চারজনকে ফাঁসি, একজনকে যাবজ্জীবন ও ১৩ জনকে খালাস দেন আদালত। বাকি তিন আসামি ২০০৯ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক বিবেচনায় অব্যাহতি পায়।

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়াদোত্তীর্ণ ৩৬ কোটি টাকার ওষুধ ধ্বংস, জরিমানা

মেয়াদোত্তীর্ণ ৩৬ কোটি টাকার ওষুধ ধ্বংস, জরিমানা
পুরনো ছবি

হাইকোর্টের আদেশের পর সারাদেশে ৩৬ কোটি ৪১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। এসব ওষুধ রাখার দায়ে দেড় কোটি টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দায়ের করা হয়েছে ১৫২ টি মামলা।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এ প্রতিবেদন আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) উপস্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৮ জুন সারাদেশে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রি বন্ধ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।

গত ১০ মে এক অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ‘ঢাকা শহরের ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা হয়। গত ১৭ জুন জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট করেন।’

কনে কুমারী না ডিভোর্সি: শরীয়াহ মতামত জানতে চান হাইকোর্ট

কনে কুমারী না ডিভোর্সি: শরীয়াহ মতামত জানতে চান হাইকোর্ট
প্রতীকী ছবি

বিয়ের কনে কুমারী, বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত কি-না নিকাহনামার (কাবিন নামে প্রচলিত) ৫ নম্বর কলামে থাকা এ নিয়ম বহাল রাখা বা তুলে দেওয়ার বিষয়ে ইসলামী শরীয়াহর মতামত জানতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিবকে আদালতে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী সোমবার (২২ জুলাই) তাকে হাজির হয়ে এ বিষয়ে মতামত দিতে বলেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) একটি রিটে জারি করা রুলের শুনানিতে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা।

আদালতে উপস্থিত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের মতামত (ইন্টারভেনর) জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিকাহনামার ৫ নম্বর কলাম বিধির রাখার প্রয়োজন নেই। এটা ব্যক্তির গোপনীয়তার বিরোধী। কনের ব্যক্তি মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে। ইসলামী শরিয়াহ এ ধরনের বিধানকে সমর্থন করে না।

এরপর আদালত নিকাহনামার ৫ নম্বর কলামে থাকা ‘কন্যা কুমারী, বিধবা অথবা তালাকপ্রাপ্ত নারী কি-না’ এ কলাম রাখার প্রয়োজন রয়েছে কি-না এবং কলামটি তুলে দেওয়া হলে শরীয়াহ পরিপন্থি হবে কিনা সে বিষয়ে মতামত জানতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিবকে আদালতে আসার অনুরোধ জানান হাইকোর্ট।

২০১৪ সালে নিকাহনামার ৫ নম্বর কলামের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)। এ রিটে নিকাহনামাতে বর-কনের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযুক্ত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। পরে প্রাথমিক শুনানি শেষে কাবিননামার ৫ নম্বর বিধিটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি চলছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র