Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শাশুড়িসহ তিন হত্যায় আসামির ফাঁসি

শাশুড়িসহ তিন হত্যায় আসামির ফাঁসি
আদালতের প্রতীকী চিত্র, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর চকবাজরের পশ্চিম ইসলামপুরে শাশুড়িসহ তিনজন হত্যায় আসামি আল ইসলাম জীবনের ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ঢাকার ৮ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফারহানা ফেরদৌসি এ রায় প্রদান করেন।

আসামি কারাগারে আটক ছিল। তাকে রায় শোনানোর পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে ফের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রায়ের বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামি আল ইসলামের সঙ্গে নিহত রাশিদার মেয়ে সুমির বিয়ে হয়। সুমি তার দ্বিতীয় সন্তান জন্মের সময় মারা যান। সুমির কথামতো তার দুই সন্তান জুই ও সানি আসামির শ্বাশুড়ির কাছে থাকতো। তাদের বাবা আল ইসলাম মাঝে মাঝে এসে দেখে যেতেন।

পরবর্তীতে আল ইসলাম তার বাচ্চা নিজ হেফাজতে নেওয়ার জন্য ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।

২০১৬ সালের ৪ জুলাই দুপুরে আসামি বাচ্চাদের কাপড়-চোপড় দিতে শ্বশুর বাড়ি আসলে শাশুড়ি রাশিদা সাথে তার ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে আসামি আল ইসলাম রামদা দিয়ে রাশিদাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় রাশিদার অপর মেয়ে সীমা ও আরেক মেয়ের সন্তান বন্যা আসামিকে ফেরাতে আসলে আসামি তাদেরও রামদা দিয়ে কুড়িয়ে হত্যা করে।

চার্জশিটে মোট সাক্ষী ২৫ জন। রায় দেওয়ার আগে বিচারক ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

২০১৬ সালেল ৯ আগস্ট আসামি গ্রেফতার হন। এরপর হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

২০১৭ সালের ৯ মে আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন আদালত।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. শাহাবুদ্দিন রাজধানীর চকবাজার থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

যানজট নিরসনে মাস্টার প্ল্যান করার নির্দেশ হাইকোর্টের

যানজট নিরসনে মাস্টার প্ল্যান করার নির্দেশ হাইকোর্টের
পুরনো ছবি

রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসনে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে আগামী তিন মাসের মধ্যে তা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ঢাকার যানজট নিরসনে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানিতে রোববার (২১ জুলাই) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টেও দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ১৫ মে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান জনস্বার্থে রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন, রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম।

রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, সড়ক পরিবহন সচিব, পরিকল্পনা সচিব, অর্থ সচিব, পরিবেশ সচিব, রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা সিটির দুই মেয়র, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

একটি দৈনিকে 'যানজটে বছরে ক্ষতি ৩৭ হাজার কোটি টাকা' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়েছে রিট আবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যানজটের কারণে শুধু ঢাকায় দৈনিক ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। যার আর্থিক ক্ষতি বছরে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। রাজধানীতে যানজটের কারণে একটি যানবাহন ঘণ্টায় যেতে পারে গড়ে পাঁচ কিলোমিটার। ১২ বছর আগেও এ গতি ছিল ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকায় যাত্রীদের মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে। এ চাপ আবার কাজ করছে অন্যান্য রোগের উৎস হিসেবে।

মৃত রোগীর চিকিৎসার নামে বিল আদায়, সঠিক তদন্তের আশা বাদীর

মৃত রোগীর চিকিৎসার নামে বিল আদায়, সঠিক তদন্তের আশা বাদীর
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ভুল চিকিৎসায় রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মো. শহিদ উল্লাহর মৃত্যুর অভিযোগ করেছেন তার ছেলে মো. কামাল হোসেন। এ ঘটনার গত ১৭ জুলাই তিনি বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত। বাদী কামাল হোসেনের আশা পিবিআই প্রভাবিত না হয়ে যথাযথ তদন্ত প্রতিবেদন দেবে আদালতে।

রোববার (২১ জুলাই) বেলা ১ টায় ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন মো. কামাল হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন সৃষ্টি হিউম্যান রাইটস সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার-ই-তাসলিমা।

প্রসঙ্গত, মৃত্যুর পরেও রোগীর চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগে গত ২১ জুন তুলকালাম হয়েছিল হাসপাতালটিতে।  এ ঘটনায় মৃত রোগীর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি ও পরে মামলা করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কামাল হোসেন বলেন, বিশেষজ্ঞদের মতে একজন রোগীর সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৩ বার ডায়ালাইসিস দেওয়া যায়। তা সত্ত্বেও আমার বাবার ক্ষেত্রে ২০ দিনে ২৩টি ডায়ালাইসিস দেওয়া হয়েছিল। যা সাধারণ নিয়মের চেয়ে ৮টি বেশি। এ অতিরিক্ত ডায়ালাইসিস দেওয়া হয়েছে বেশি মুনাফা তথা বিল আদায় করতে।

হাসপাতাল থেকে দেওয়া ওষুধের বিল তুলে ধরে তিনি জানান, মাত্র ৩১ দিনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের ২ লাখ ৪১ হাজার ৮৪২ টাকার ওষুধ বিল করেছে। গত ১৪ মে হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে ২১ জুন পর্যন্ত ৩৬ দিনে মোট বিল করেছে ১০ লাখ ২ হাজার ৭৮ টাকা।

তিনি বলেন, আমার বাবাকে ভুল চিকিৎসায় ইচ্ছাকৃতভাবে মেরে ফেলার প্রতিবাদ করলে গত ২১ জুন হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী আমাদের হুমকি দিয়ে বলেন, তেজগাঁও এলাকার উপ-কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার (বর্র্তমানে রংপুর আছেন) আমার ভাই। সুতরাং এ বিষয়ে কথা বলে লাভ নেই। শুধু তাই নয়, এখনো আমাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের অপচিকিৎসা, অনিয়ম ও দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ২৫ জুন আমাদের নামে মিথ্য ও বানোয়াট অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। অথচ ঘটনাস্থলে একাধিক গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেদিন হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ দেখা হলেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে বলে তিনি দাবি করেন।

আনোয়ার-ই-তাসলিমা বলেন, সেদিন আমি হাসপাতালে গিয়েছি মানবতার খাতিরে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকেও মামলার আসামি করেছে। আমি এমন কিছু করিনি যে মামলার আসামি হতে হবে। আমি এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবি করছি।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র